Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

সেই ক্রিকেটারের হাতে টেনিসের ট্রফি

সেই ক্রিকেটারের হাতে টেনিসের ট্রফি
মিয়ামি ওপেনের শিরোপা হাতে অ্যাশলে বার্টি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বছর তিনেক আগে হঠাৎ করেই টেনিস র‌্যাকেট ফেলে হাতে তুলে নিয়েছিলেন ব্যাট। ক্রিকেটার হতে আটঘাট বেঁধে নেমে পড়েন অ্যাশলে বার্টি। ব্রিসবেন হিট আর কুইন্সল্যান্ড নারী দলের হয়ে বিগ ব্যাশে খেললেও তেমন কিছুই করা হয়নি। শেষ অব্দি আবারো ফেরেন টেনিসের সবুজ গালিচায়। পেশাদার সেই ক্রিকেটারটিই এবার জিতলেন মিয়ামি ওপেনের শিরোপা।

ক্যারোলিন পিসকোভাকে হারিয়ে জিতে নিয়েছেন ট্রফি। র‌্যাঙ্কিংয়ে সাবেক নাম্বার ওয়ানকে উড়িয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে উঠে গেছেন বার্টি। ২০১৩ সালে সামান্থা স্টোসারের পর এবার কোন অজি নারী জায়গা পেলেন সেরা দশে।

এমন সাফল্যে উড়ছেন এক সময়কার এই ক্রিকেটার। বলছিলেন, ‘নিজেকে নিয়ে আমার আত্মবিশ্বাসটা ছিল তুঙ্গে। আমি বল যতটুকু সম্ভব আয়ত্ত্বে রাখার চেষ্টা করেছি। জিততে বেশ বল প্রয়োগ করতে হয়েছে। বলতে দ্বিধা নেই ক্যারিয়ারের প্রথম এই একক ট্রফি জয় আরো টেনিস ক্যারিয়ারকে নতুন জীবন দেবে।’

২২ বছর বয়সী বার্টি অবশ্য ফের ক্রিকেটে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবছেন না। তার চোখ টেনিস কোর্টেই। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রথমবারের মতো মিয়ামি ওপেন জয় আত্মবিশ্বাসটাই বাড়িয়ে দিয়েছে তার। ১.৩ মিলিয়ন ডলারের চেক হাতে নিয়ে জানালেন, ‘আমি কোর্টে আরো বেশি পরিশ্রম করে যেতে চাই। এবার গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি জয়ে চোখ থাকবে। জানি এই মিশন সহজ নয়। কিন্তু আমি লড়ে যেতে চাই।’

আপনার মতামত লিখুন :

বাউন্সার যুদ্ধে নামবে না অস্ট্রেলিয়া

বাউন্সার যুদ্ধে নামবে না অস্ট্রেলিয়া
অযথা বাউন্সার দিতে রাজি নন অজি কোচ ল্যাঙ্গার, ছবি: সংগৃহীত

স্টিভেন স্মিথ বাউন্সারের আঘাতের ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই তো হেডিংলিতে তৃতীয় টেস্টে খেলা হচ্ছে না অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়কের।

তাই বলে অস্ট্রেলিয়া প্রতিশোধ নিতে বাউন্সার দেওয়ার যুদ্ধে নামবে? মোটেই না। অজি কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিলেন, বাউন্সার দেওয়া তো তাদের লক্ষ্য নয়। তাদের লক্ষ্য অ্যাশেজ সিরিজ জয়।

যথা সম্ভব বাউন্সার দেওয়া থেকে বিরত থাকবে ল্যাঙ্গারের শিষ্যরা। তবে অ্যাশেজ সিরিজ জয়ের লক্ষ্য থেকে সরে যাবে না অস্ট্রেলিয়া। ১৮ বছর পর তারা ইংল্যান্ডের মাটিতে জিততে চায় ভস্মাধারটি।

বৃহস্পতিবার তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে কোচ ল্যাঙ্গার জানিয়ে দিলেন, ‘আমরা জানি, আমাদের পরিকল্পনাটা হল ইংল্যান্ডকে হারানো। এটা আমাদের আত্মমর্যাদার খেলা নয়।’

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ ওপেনার প্রতিপক্ষ ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের অভয় দিয়ে জানান, ‘আমরা এখানে এসেছি টেস্ট ম্যাচ জিততে। কতবার হেলমেটে আঘাত করতে পারলাম তা দেখতে নয়। এটাকে টেস্ট ম্যাচ জেতা বলে না। বিশ্বাস করুন। নিজের হাত দিয়ে আপনি আঘাত করতে পারেননা।’

প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও মিচেল স্টার্কের মতো পেস শক্তি থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজন ছাড়া বাউন্সার দিতে রাজি নন ক্রিকেট গুরু ল্যাঙ্গার, ‘আমি নিশ্চিত, বাউন্সার বোলারদের অস্ত্র হিসেবেই থেকে যাবে। যদি এটি ব্যাটসম্যানদের আউট করতে সহায়তা করে তাহলে আমরা তা ব্যবহার করব। অন্যথায় আমরা আমাদের পরিকল্নায় মনোযোগী থাকব।’

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে ঘন্টায় ৯২ মাইল গতিতে ইংলিশ পেসার জোফরা আর্চারের একটি বাউন্সার আঘাত হানে ৩০ বছরের স্মিথের ঘাড়ে। প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষায় উড়তে গিয়ে ফের ব্যাট হতে মাঠে নামেন। সংগ্রহ করেন ৯২ রান। কিন্তু শেষ দিন আর মাঠে নামেনি। লর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনে তার বদলি হিসেবে খেলেন মারনাস লাবুশেন।

দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হলেও বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজে এখন ১-০ তে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। ২২ আগস্ট হেডিংলিতে শুরু হচ্ছে তৃতীয় টেস্ট।

কৃতিত্বের স্বীকৃতি মিলল হোল্ডারের

কৃতিত্বের স্বীকৃতি মিলল হোল্ডারের
ক্যারিবিয়ান বর্ষসেরা ক্রিকেটার জেসন হোল্ডার, ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারিতে বার্বাডোসে অসাধারণ এক কৃতিত্ব গড়েন জেসন হোল্ডার। ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন ২০২ রানের হার না মানা অনন্য এক ক্রিকেটীয় ইনিংস। টেস্ট ক্রিকেটে আট নম্বর বা তার নিচে তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যাটিং স্কোর এটি।

এখানেই শেষ নয় হোল্ডারের অর্জন। আট টেস্টে ব্যাট হাতে তার সংগ্রহ ৫৬৫। সঙ্গে ৪০ উইকেট। যার মধ্যে পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব ধরা দিয়েছে চারবার।

মাঠের লড়াইয়ে দাপুটে এ পারফরম্যান্সের ফলটা ফেব্রুয়ারিতে হাতেনাতে পেয়ে যান হোল্ডার। ১৯৭৪ সালে স্যার গ্যারি সোবার্সের পর প্রথম ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে শীর্ষ র‌্যাঙ্কিংধারী টেস্ট অলরাউন্ডার বনে যান। সঙ্গে মালিক হন ৭৭৮ রেটিং পয়েন্টের। যা ২০০১ সালে কোর্টনি ওয়ালশের পর যে কোনো উইন্ডিজ বোলারের জন্য সর্বোচ্চ।

হোল্ডার নিজের দুরন্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেলেন এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্লেয়ারস অ্যাসোসিয়েশন/ ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ বার্ষিক অ্যাওয়ার্ড রাতটা (১৯ আগস্ট) নিজের করে নিলেন ক্যারিবিয়ান এ টেস্ট ও ওয়ানডে ক্যাপ্টেন। বর্ষসেরা খেলোয়াড় ও বর্ষসেরা টেস্ট খেলোয়াড় দুটি পুরস্কারই নিজের দখলে নিলেন দাপটের সঙ্গে।

টানা দ্বিতীয় বছরের মতো বর্ষসেরা ওয়ানডে খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন শাই হোপ। আর সিম বোলিং অলরাউন্ডার কিমো পল ভূষিত হয়েছেন বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি খেলোয়াড় হিসেবে। বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার উঠেছে ওশানে টমাসের হাতে।

মেয়েদের ক্যাটাগরিতে বর্ষসেরা ক্রিকেটার, বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন অলরাউন্ডার দিয়ান্দ্রা ডট্টিন।

২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স বিবেচনায় আনা হয়েছে পুরস্কারের জন্য।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র