Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মেসির জোড়া গোলে শেষ আটে বার্সা

মেসির জোড়া গোলে শেষ আটে বার্সা
সেই চির চেনা উদযাপনে লিওনেল মেসি
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আগের দিনই বল পায়ে যাদু দেখিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। একদিন না যেতেই দুর্দান্ত ফুটবলের পসরা সাজালেন বর্তমান ফুটবলে তারই প্রতিদ্বন্দী লিওনেল মেসি। এই মহাতারকার ম্যাজিকেই অলিম্পিক লিঁওর বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। দল পেয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

শেষ ষোলর ফিরতি লেগে বুধবার রাতে শুধু জোড়া গোল করেই থামেন নি মেসি। দুই সতীর্থের গোলেও রেখেছেন অবদান। ন্যু ক্যাম্পে নিজেদের মাঠে ফরাসি ক্লাবটিকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। লিওঁর মাঠে প্রথম লেগে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল তারা।

খেলায় মেসির গোলেই প্রথমে এগিয়ে যায় বার্সা। এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিলেপে কৌতিনিয়ো। লুকা তুজা লিঁওর হয়ে একটি গোল শোধ করতেই ফের মেসি বাড়িয়ে নেন ব্যবধান। তারপরই জেরার্দ পিকে ও উসমান দেম্বেলের গোলে  বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

খেলার ১৭তম মিনিটে মেসির গোলে এগিয়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। লুইস সুয়ারেস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় দলটি। গোল করতে ভুল করেন নি আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুল করেন কৌতিনিয়ো। তবে ৫৮তম মিনিটে তুজার গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় লিঁও। কিন্তু ৭৮তম মিনিটে মেসি বুঝিয়ে দেন আজ ভিন্ন মেজাজে আছেন তিনি। তার গোলে ফের ব্যবধানটা আরো বেড়ে যায়।

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্টে এবার এটি মেসির অষ্টম ও সব মিলিয়ে ১০৮তম গোল। ন্যু ক্যাম্পে নিজেদের মাঠ ৬১ ম্যাচে ৬২ গোল। একইসঙ্গে টানা ১১ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কমপক্ষে ৩৫টি করে গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি।

খেলার ৮১তম মিনিটে মেসির পাসে নিশানা খুঁজে নেন পিকে। ৮৬ মিনিটে তারই অবদানে দেম্বেলের গোলে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে বার্সা।

এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের মাঠে টানা ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থেকে রেকর্ড গড়ল বার্সেলোনা। এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবারের আরেক ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছে লিভারপুল।

আপনার মতামত লিখুন :

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন

রশিদে হতাশ ক্যাপ্টেন গুলবাদিন
রশিদ খানের কাছে আরো ভাল ক্রিকেট প্রত্যাশা ছিল গুলবাদিনের

ক্রিকেট দুনিয়াকে চমকে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বিশ্বকাপে পা রেখেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু একদিনের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরে উল্টো তারাই গেছে চমকে। অভিজ্ঞতার অভাবে টানা সপ্তম হারে আফগানরা টের পেয়েছে মেজর টুর্নামেন্টের কঠিন বাস্তবতা।

যাকে ঘিরেচলতি বিশ্বকাপে স্বপ্ন দেখেছিল আফগানরা সেই দলের প্রাণভোমরা সেই রশিদ খান যেন নিজের ছায়া হয়ে আছেন। কিছুতেই যেন ফিরতে পারছেন না নিজের সেরা ফর্মে। দলের ডামাডোলের মাঝে আবার বনে গেছেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে খরুচে বোলার।

সোমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬২ রানের হারের ম্যাচে বল হাতে দ্যুতি ছড়াতে পারেননি রশিদ। তার ফিল্ডিংও ছিল যাচ্ছেতাই। এ তারকা স্পিনারের বাজে পারফরম্যান্সে যার পর নাই হতাশ আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব, ‘রশিদ তার শতভাগ উজাড় করে দিয়ে খেলেছে। কিন্তু তার পারফরম্যান্স নিয়ে আমি কিছুটা হতাশ। তার ফিল্ডিংও হতাশাজনক।’

রশিদকে কেবল বোলিংয়ে মনোযোগী হতে পরামর্শ দিয়ে গেছেন গুলবাদিন, ‘একটা সময় সে মাঠে খুব রেগে ছিল। তাকে শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছি। মনোযোগ দিতে বলেছি তার বোলিংয়ে। ফিল্ডিংয়ের কারণে সে সুখ স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে না।’

বিশ্বকাপে টানা সপ্তম হারে পয়েন্ট তালিকার তলানিতেই রয়ে গেল আফগানিস্তান। এখনো তাদের হাতে ধরা দেয়নি কোনো জয়। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠার স্বপ্ন শেষ অনেক আগেই।

বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ব্রায়ান লারা

বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ব্রায়ান লারা
মুম্বাইয়ের এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে লারাকে- ফাইল ছবি

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বিশ্লেষণ নিয়ে বেশ ব্যস্ত ছিলেন তিনি। স্টার স্পোর্টসে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডাগআউটে কাজ করছিলেন ব্রায়ান লারা। কিন্তু হঠাৎ করেই মঙ্গলবার কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে লারাকে।

গত মাস ধরেই মুম্বাইয়ে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার। স্টার স্পোর্টসের স্টুডিওতে প্রথমে আইপিএল তারপরই বিশ্বকাপে বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছিলেন।

এরইমধ্যে মঙ্গলবার হঠাৎই এই লিজেন্ডের বুকে ব্যথা শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুম্বাইয়ের এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ক্রিকেটের রাজপুত্র খ্যাত তারকাকে। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের প্যারেলে গ্লোবাল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন লারা।

ভারত ও আফগানিস্তান ম্যাচের পরই কমেন্ট্রি থেকে বিরতি নেন ৫০ বছর বয়সী লারা। ২৭ জুনের ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে তার ফেরার কথা ছিল। এর আগেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি। ১৩১টি টেস্টে ১১,৯৫৩ রান করা গ্রেটকে নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলে জানাচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যম। এখন ঠিক আছেন তিনি।

অ্যাঞ্জিওগ্রাফিতে কোনও বিপদের শঙ্কা না থাকায় অ্যাঞ্জওপ্লাস্টি করেন নি চিকিৎসকরা। রিপোর্ট স্বাভাবিক রয়েছে। যে কোন সময় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র