Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শেখ জামাল ধানমন্ডি হারছেই, জিতলো ব্রাদার্স

শেখ জামাল ধানমন্ডি হারছেই, জিতলো ব্রাদার্স
ব্রাদার্স ইউনিয়নের জয়ের নায়ক মিজানুর রহমান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেটের টি-টুয়েন্টি লিগের শিরোপা জেতার পর শেখ জামাল যেন ম্যাচ জিততেই ভুলে গেছে! চলতি ঢাকা লিগে নিজেদের প্রথম দুটো ম্যাচের দুটোতেই হারালো তারা। মিরপুরে ব্রাদার্স ইউনিয়ন সোমবার (১১ মার্চ) ৭ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে।

ধানমন্ডির ইনিংস শেষ হয় ১৮০ রানের সামান্য স্কোরে। মিরপুরের উইকেট স্লো, কিন্তু এই অল্পস্বল্প রান করতে ব্রার্দাসকে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি। জয়ের জন্য রান যা করার তার সিংহভাগই করেন ব্রাদার্স ওপেনার মিজানুর রহমান। ৭১ বলে ৭১ রান করে মিজানুর যখন ফিরেন তখন ম্যাচ ব্রাদার্সের মুঠোয়। মিডলঅর্ডারে চিরাগ জানির অপরাজিত ৫০ এবং দারুণ ফর্মে থাকা ইয়াসির আলী রাব্বীর ৩৫ বলে অপরাজিত ৩২ রান ব্রার্দাসকে ৭ উইকেটের সহজ এনে দেয়।

ব্যাটিংটাই ঠিক মতো হয়নি শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের। দুই ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন তান্না ও হাসানুজ্জামান সিঙ্গেল ডিজিটে ফিরে আসার পর মিডলঅর্ডারে রাকিন আহমেদ ও তানভীর হায়দার প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন। দুজনেই উইকেটে জমে গিয়ে আউট হন।

আট নম্বরে ব্যাট করতে নামা মোহাম্মদ ইলিয়াসের ব্যাট থেকে ৬৪ বলে   ধৈর্যশীল ৪২ রানের কল্যানে শেখ জামালের স্কোর ১৮০’র ঘরে পৌছায়। ব্রাদার্স সেই লক্ষ্য ছাড়িয়ে যায় প্রায় অনায়াস ভঙিতে, ৭ উইকেট ও ১৩.১ ওভার হাতে অক্ষত রেখে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব: ১৮০/১০(৪৭.৫ ওভারে, মোহাম্মদ ইলিয়াস ৪২, সালাউদ্দিন সাকিল ১৫, মেহেদি হাসান ৩/২৫, শরীফ ২/৩৫, শাখায়াত ৩/৩৫)। ব্রার্দাস ইউনিয়ন: ১৮৩/৩ (৩৬.৫ ওভারে, মিজানুর ৭১, চিরাগ জানি ৫০*, ইয়াসির ৩২*, শহীদুল ২/৩০)। ফল: ব্রাদার্স ইউনিয়ন ৭ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: মিজানুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

আইসিসি হল ফেমে অভিষিক্ত শচীন

আইসিসি হল ফেমে অভিষিক্ত শচীন
আইসিসি হল ফেমে অভিষিক্ত শচীন টেন্ডুলকার, ছবি: সংগৃহীত

অনন্য এক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের মালিক শচীন টেন্ডুলকার। বর্ণাঢ্য সেই ক্যারিয়ারে এ শত সেঞ্চুরির মালিক যে কত শত রেকর্ড গড়েছেন, ভেঙেছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বিশ্বকাপসহ জিতেছেন ভূরি ভূরি শিরোপা। সুবাদে দেশ ও দেশের বাইরে পেয়েছেন অঢেল সম্মান আর পুরস্কার।

কিংবদন্তি ক্রিকেট সম্রাট শচীনের মুকুটে এবার যুক্ত হল আরও একটি পালক। অভিষিক্ত হলেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হল অব ফেমে। ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখার পুরস্কার হিসেবে এ সম্মাননা পেলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

লিটল মাস্টারের সঙ্গে আইসিসি হল অব ফেমে ভূষিত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ফাস্ট বোলার অ্যালান ডোনাল্ড ও দুই বারের বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়ান নারী ক্রিকেটার ক্যাথরিন ফিৎসপ্যাট্রিক।

লন্ডনে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শচীনের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেয় ক্রিকেট দুনিয়ার অভিভাবক সংস্থা আইসিসি। অনুষ্ঠানে পরিবার ও কোচের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ভারতের এ ক্রিকেট ঈশ্বর, ‘দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে আমার পাশে যারা ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমার মা-বাবা, ভাই অজিত ও স্ত্রী অঞ্জলি আমার শক্তির ভিত্তি। আমি সৌভাগ্যবান যে বাল্যকালে গাইড ও মেন্টর হিসেবে রামাকান্ত আচরেকারের মতো কোচকে পেয়েছিলাম।’

ভারতের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট (১৫,৯২১) ও ওয়ানডে (১৮,৪২৬) ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের রেকর্ডধারী শচীন এ সম্মান পেলেন। যে সম্মাননাটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবশেষ ম্যাচ খেলার কম করে হলেও পাঁচ বছর পর দিয়ে থাকে আইসিসি।

বিশ্বের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার ৫২ বছরের অ্যালান ডোনাল্ড ২০০৩ সালে অবসর নেওয়ার আগে ৩৩০ টেস্ট ও ২৭২ ওয়ানডে উইকেট নেন।

নারী ক্রিকেটে সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ফিৎসপ্যাট্রিক। ওয়ানডেতে তার উইকেট ১৮০। আর টেস্টে ৬০টি। কোচ হিসেবে তিনি অস্ট্রেলিয়ান নারী ক্রিকেট দলকে উপহার দেন তিনটি বিশ্বকাপ ট্রফি।

মাথায় আঘাত পেলে নামানো যাবে বদলি ক্রিকেটার

মাথায় আঘাত পেলে নামানো যাবে বদলি ক্রিকেটার
সত্য শেষ বিশ্বকাপেই মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন হাশিম আমলা

অবশেষে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এখন থেকে ম্যাচে মাথায় আঘাত পাওয়া ক্রিকেটারের বদলি হিসেবে আরেকজনকে মাঠে নামানো যাবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের জন্য এই নিয়ম করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

একইসঙ্গে স্লো ওভাররেটের নিয়ম পাল্টানো হয়েছে। স্লো ওভার রেটে এখন থেকে দলের অধিনায়ক নিষিদ্ধ হবেন না। ধারাবাহিকভাবে মারাত্মক স্লো ওভার রেটের দায় নিতে হবে দলের সব ক্রিকেটারকে। অধিনায়ক ও তার সতীর্থদের একই অঙ্কের জরিমানা হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে লন্ডনে আইসিসির চলতি বার্ষিক সম্মেলনে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যাক্তিরা।

অবশ্য গত কয়েক বছর ধরেই নিয়মনটি পাল্টানোর কথা ভাবছিলেন তারা। কারণ মাথায় আঘাত পেলে এরপর হাসপাতাল ঘুরে এসে সেই ক্রিকেটারটির জন্য মাঠের খেলায় ফেরা সহজ নয়। এ অবস্থায় ঘরোয়া ক্রিকেটে পরীক্ষামূলকভাবে নিয়মটি চালু করা করা হয়। এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও দেখা মিলবে এই নিয়মের।

আইসিসির এই নতুন নিয়ম সবার আগে চালু হবে অ্যাশেজে। ১ আগস্ট থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার এই ঐতিহ্যবাহী লড়াই। তার আগে আইসিসি জানাল- ‘মাঠের বদলি খেলোয়াড়কে অভিন্ন হতে হবে। মানে ব্যাটসম্যানের বিকল্প ব্যাটসম্যান। আবার বোলার আহত হলে তার বদলে আরেকজন বোলারকেই মাঠে নামাতে হবে। আর এজন্য ম্যাচ রেফারির অনুমোদন নিতে হবে।’

২০১৪ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ওপেনার ফিলিপ হিউজ মাথায় চোট পেয়ে চলে গিয়েছিলেন না ফেরার দেশে। তারপরই সবাই নড়েচড়ে বসেন। হেলমেটেও নিয়ে আসা হয় পরিবর্তন। এজন্য ২০১৬-১৭ মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে মাথায় আঘাত পাওয়া খেলোয়াড়ের বদলি নামানোর নিয়ম প্রবর্তন করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

মাথায় আঘাত ক্রিকেটে নতুন কিছু নয়, সদ্য শেষ বিশ্বকাপেও হাশিম আমলা ও উসমান খাজার মাথার চোট নিয়ে ছেড়েছিলেন মাঠ। বিকল্প ক্রিকেটারের মাঠে নামার সুযোগ ছিল না বলে তাদের দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র