Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

সেমিতে চোখ রেখে সাফে যাচ্ছেন কৃষ্ণা-সাবিনারা

সেমিতে চোখ রেখে সাফে যাচ্ছেন কৃষ্ণা-সাবিনারা
সংবাদ সম্মেলনে কোচ গোলাম রব্বানী। পাশে দলের তারকা ফুটবলার সাবিনা -ছবি: বাফুফে
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গত কয়েক বছর ধরেই ধারাবাহিক সাফল্যে আছে নারী ফুটবল দল। বিশেষ করে বয়সভিত্তিক ফুটবলে দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছেন মেয়েরা। এইতো কয়েকদিন আগে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে সফলভাবে বাছাই পর্বের বাধা পেরিয়েছে দল। এবার বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের মিশন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এবার লাল-সবুজদের প্রাথমিক লক্ষ্য-সেমি-ফাইনাল!

এই মিশনের আগে শনিবার ঘোষণা করা হয়েছে ২০ সদস্যের বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। যেখানে রয়েছেন গত সাফের রানার্সআপ হওয়া দলের অধিকাংশ ফুটবলার। ১২ মার্চে নেপালের বিরাটনগরে শুরু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। পঞ্চম আসরে খেলতে পারছেন না শামসুন্নাহার জুনিয়র। চোট নিয়ে ছিটকে গেছেন এই ফরোয়ার্ড।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপে। যেখানে মেয়েরা লড়বে ভুটান ও স্বাগতিক নেপালের সঙ্গে। চ্যাম্পিয়ন ভারত আছে ‘বি’ গ্রুপে।

এই লড়াইয়ের আগে আরো বেশি আত্মবিশ্বাস গোলাম রব্বানী ছোটন। জাতীয় দলের এই কোচ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘গতবার আমাদের দলটা অনভিজ্ঞ ছিল। মেয়েদের অনেকের বয়সও কম ছিল। গত দুই বছরে ওরা অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। খেলোয়াড়দের মধ্যে পরিপক্কতা এসেছে। আশা করছি-গত সাফের চেয়ে মেয়েরা এবার আরও ভালো খেলবে। দলে সাবিনা আক্তার, শামসুন্নাহার (সিনিয়র), কৃষ্ণা রানী সরকারের সঙ্গে তহুরা খাতুন আছে। তহুরা মিয়ানমারের অলিম্পিক বাছাইয়ে ভালো করেছে। সিরাত জাহান স্বপ্না, ইশরাত জাহান রত্না আছে।’

আর এই দলটি নিয়েই গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সেমিতে উঠার স্বপ্ন দেখছেন গোলাম রব্বানী। নারী দলের কোচ বলছিলেন, ‘প্রথম লক্ষ্য ভালোভাবে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। আমরা গতবারের রানার্সআপ, তবু আমরা সেমির পর ফাইনাল নিয়ে ভাবব।’

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে রোববার বিরাটনগরের পথে দেশ ছাড়বে মেয়েরা। ১৪ মার্চ প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ ভুটান। ১৬ মার্চ নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামবে মারিয়া-মনিকারা।

বাংলাদেশ দল-
মাহমুদা আক্তার, রুপনা চাকমা, ইয়াসমিন আক্তার, মাসুরা পারভীন, আঁখি খাতুন, নার্গিস খাতুন, নিলুফা ইয়াসমিন নীলা, শামসুন্নাহার (সিনিয়র), শিউলি আজিম, মিশরাত জাহান মৌসুমী, মারিয়া মান্ডা, মনিকা চাকমা, ইশরাত জাহান রত্না, সানজিদা আক্তার, মার্জিয়া, সিরাত জাহান স্বপ্না, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, রাজিয়া খাতুন ও তহুরা খাতুন।

আপনার মতামত লিখুন :

তাই বলে ইংল্যান্ড ৬৭ রানে অলআউট?

তাই বলে ইংল্যান্ড ৬৭ রানে অলআউট?
জশ হেইজেলউড তুলে নেন ৫ উইকেট

হেডিংলিতে রীতিমতো দুঃস্বপ্ন সঙ্গী হয়েছে ইংল্যান্ডের। অথচ উইকেটে তেমন রহস্য ছিল কোথায়? দিনের আলোতে ঠিকঠাক খেলতে পারলে ঠিকই আরও কিছুটা সময় উইকেটে কাটিয়ে দিতে পারতেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু রোদ ঝলমলে দিনেই দেখা মিলল অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত বোলিং। কিন্তু তাই বলে মাত্র ৬৭ রানে অলআউট? হিসাবটা ঠিক মিলছে না!

অথচ এর আগে অজিদের ১৭৯ রানে অলআউট করে হাসিমুখে সাজঘরে ফিরেছিল ইংলিশরা। কিন্তু এরপর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সর্বনাশ। সব মিলিয়ে  অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার লিড ১১২ রান।

হেডিংলি টেস্টে বেশ দাপটই ছিল ইংল্যান্ডের। নিজেদের মাঠে বোলারদের ম্যাজিকে অজিদের চেপে ধরেছিল তারা। কিন্তু সেই হাসিমুখটা শেখ অব্দি থাকল না। কারণ শুক্রবার একশ রানের আগেই যে শেষ তাদের প্রথম ইনিংস। আরেকটু হলে অজিদের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ম রানের লজ্জায় পড়তে যাচ্ছিল তারা।

১৯৪৮ সালে ওভালে মাত্র ৫২ রানে অলআউট হয়েছিল ইংল্যান্ড। যা কীনা টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের সর্বনিম্ন ইনিংস। এবার ২৭.৫ ওভার খেলে দল তুলল ৬৭ রান। বিস্ময়কর হলেও সত্য দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন শুধু জো ডেনলি (১২)।

সেই দুঃস্বপ্নের পথেই যাত্রা হয়েছিল ইংলিশদের। জশ হেইজেলউড বোলিং তোপে তছনছ ব্যাটিং লাইন আপ। এই পেসার শিকার করেন ৫ উইকেট। গতির ঝড় তুলে কম যান নি প্যাট কামিন্সও। তিনি নেন ৩ উইকেট। দুটি উইকেট শিকার করেন জেমস প্যাটিনসন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ১৭৯/১০
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৭.৫ ওভারে ৬৭/১০ (বার্নস ৯, রয় ৯, রুট ০, ডেনলি ১২, স্টোকস ৮, বেয়ারস্টো ৪, বাটলার ৫, ওকস ৫, আর্চার ৭, ব্রড ৪*, লিচ ১; কামিন্স ৩/২৩, হেইজেলউড ৫/৩০, প্যাটিনসন ২/৯)।

পাকিস্তানে সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলবে লঙ্কানরা!

পাকিস্তানে সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলবে লঙ্কানরা!
পাকিস্তান সফরের অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দল

দুই বছর বিরতি দিয়ে ফের পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। তবে এ সফরে তারা কোনো টেস্ট খেলবে না। খেলবে শুধু সীমিত ওভারের তিনটি ম্যাচ। এমনটিই জানিয়েছেন লঙ্কান ক্রীড়ামন্ত্রী।

কলম্বোতে হারিন ফার্নান্ডো সাংবাদিকদের জানান, ‘দুটি টেস্ট খেলার জন্য পাকিস্তানে দল পাঠানোর পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। কিন্তু আমরা পাকিস্তানে আট দিন থাকব। ওয়ানডে বা টি-টুয়েন্টি খেলব।’

তবে সিরিজের সময়সূচি এখনো ঠিক হয়নি। চলতি বছরের শেষ দিকে হবে শ্রীলঙ্কার পাকিস্তান সফর। টেস্ট দুটি হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

২০০৯ সালের মার্চে লাহোরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়ার পর ২০১৭ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানে একটি টি-টুয়েন্টি খেলে শ্রীলঙ্কা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র