Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ট্রফি কার- দোলেশ্বর নাকি শেখ জামালের?

ট্রফি কার- দোলেশ্বর নাকি শেখ জামালের?
ট্রফি নিয়ে দুই অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ও ফরহাদ রেজা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ টি-টুয়েন্টির শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি শুরু সোমবার সন্ধ্যা ৬টায়। শিরোনামের উত্তরটা মিলবে সোমবার রাতেই। তবে তার আগে বলেই দেওয়া যায় এবার নতুন চ্যাম্পিয়ন পাচ্ছে প্রিমিয়ার লিগ।

এর আগে দুইবার ফাইনাল খেলেছে প্রাইম দোলেশ্বর। একবার শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। আর ফাইনালে হতাশ হয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দলই। অবশ্য সেই দিনটি ম্যাচই ছিল ওয়ানডে। এবার টি-টুয়েন্টির ২০ ওভারের লড়াই। ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি দেখাবে স্যাটালাইট চ্যানেল গাজী টিভি। আবার গ্যালারির দর্শকদের জন্যও থাকছে বিনা টিকিটে খেলা দেখার সুযোগ।

ওয়ানডে লড়াইয়ের আগে এবার ১২ দলকে নিয়ে হয়েছে টি-টুয়েন্টি লড়াই। যেখানে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে লড়েছে দলগুলো। ফেভারিটদের পতনে ফাইনালে উঠে এসেছে শেখ জামাল -দোলেশ্বর।

প্রথম সেমিফাইনালে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠে আসে শেখ জামাল। শেষ চারের আগে ম্যাচে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৬ উইকেটে উড়িয়ে দেয় প্রাইম দোলেশ্বর। এবার শিরোপা লড়াই। শিরোপা ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না দুই দলই।

রোববার ট্রফি সামনে পোজ দিয়ে শেখ জামাল অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান মুখোমুখি হলেন গণমাধ্যমের। এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান বলছিলেন, ‘দেখুন, ২০ ওভারের ক্রিকেটে ফেভারিট বলে কিছু নেই। যারা যেদিন ভালো খেলে তারাই এগিয়ে যায়। দোলেশ্বর অবশ্যই ভালো দল। আমরা প্রতিপক্ষের কথা না ভেবে নিজের খেলাটা খেলে যেতে চাই। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ভালকিছু হবেই!’

আশাবাদী প্রাইম দোলেশ্বর অধিনায়ক ফরহাদ রেজাও। যিনি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। এই অলরাউন্ডার বলছিলেন, ‘শেষদিকে অনেক ভালো খেলছে শেখ জামাল। ওদের জিয়া ছাড়াও কিছু পাওয়ার হিটার আছে। তবে দুটো দলই সমান, টি-টুয়েন্টিতে যে যেদিন ভালো খেলবে সেই জিতবে।’

ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের টি-টুয়েন্টিতে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ লাখ টাকা। রানার্সআপের জন্য ৩ লাখ।

শেখ জামাল-
নুরুল হাসান সোহান (অধিনায়ক) জিয়াউর রহমান, তানবীর হায়দার, নাসির হোসেন, ইলিয়াস সানি, শহিদুল ইসলাম, ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, ফারদিন হাসান অনি, এনামুল হক, সালাউদ্দিন শাকিল, রাকিন আহমেদ, মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি, হাসানুজ্জামান ও মেহরাব হোসেন যোশি।

প্রাইম দোলেশ্বর-
ফরহাদ রেজা (অধিনায়ক), মার্শাল আইয়ুব, আরাফাত সানি, তাইবুর পারভেজ, সাইফ হাসান, সৈকত আলি, মাহমুদুল হাসান লিমন, এনামুল হক জুনিয়র, জসিম উদ্দিন, ফরহাদ হোসেন ও আরাফাত সানি জুনিয়র।

আপনার মতামত লিখুন :

ফের ইমরুল-সাব্বিরদের লজ্জায় ডুবাল আফগানরা

ফের ইমরুল-সাব্বিরদের লজ্জায় ডুবাল আফগানরা
টানা দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হতাশ করলেন ইমরুল কায়েসরা

সেই একই গল্প! ব্যর্থতার বৃত্তেই হাঁটছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আরো একবার আফগানিস্তানের সামনে নাজেহাল ইমরুল কায়েসরা। আগের ম্যাচে দল হেরেছিল ১০ উইকেটে। এবার স্বাগতিকদের ৪ উইকেটে হারাল আফগানিস্তান ‘এ’ দল।

রোববার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় আনঅফিশিয়াল ওয়ানডেতেও চেনা গেল না বাংলাদেশের তারকাদের। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচ হারল তারা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ তারা জিতেছিল ১-০ ব্যবধানে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির বিপক্ষে বেশ শক্তিশালী দল নিয়েই নেমেছিল বাংলাদেশ ‘এ’। দলে ইমরুল কায়েস, এনামুল হক, বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমানদের সঙ্গে ফরহাদ রেজা, আবু জায়েদ রাহি, শফিউল ইসলাম, আবু হায়দার রনিরা ছিলেন। কিন্তু তাদেরও পাত্তা দেয়নি আফগানরা।

এদিন টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ দল। ৫০ ওভারে তারা ৯ উইকেট হারিয়ে করে ২৭৮ রান। জবাবে নেমে ৪৯.১ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে সফরকারীরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

বাংলাদেশ ‘এ’ দল: ৫০ ওভারে ২৭৮/৯ (ইমরুল ৪০, এনামুল ২৬, মিঠুন ৮৫, নাঈম ৪৯, সাব্বির ৩৫, আফিফ ৮, রেজা ১, মেহেদি ১০, আবু হায়দার ৭*, শফিউল ০, আবু জায়েদ ১*; শিরজাদ ১/৫৪, আশরাফ ১/৩৭, করিম ৩/৪৩, ফজল ৩/৪৮)
আফগানিস্তান ‘এ’ দল: ৪৯.১ ওভারে ২৮১/৬ (রহমানউল্লাহ ২১, ইব্রাহিম ১২৭, উসমান ২৬, নাসির ১১, রাসুলি ৭, করিম ২৪, আশরাফ ৩৬*, ফজল ১৫*; শফিউল ২/৫৯, আবু জায়েদ ১/৫৮, রেজা ৪২/০, মেহেদি ০/৩৪, আবু হায়দার ১/৫৬, সাব্বির ১/১০)
ফল: ৪ উইকেটে জয়ী আফগানিস্তান ‘এ’ দল

ফাইনাল কাণ্ডে আম্পায়ার ধর্মসেনার ভুল স্বীকার

ফাইনাল কাণ্ডে আম্পায়ার ধর্মসেনার ভুল স্বীকার
ভুল মানলেও অনুতপ্ত নন কুমার ধর্মসেনা

মার্টিন গাপটিলের অনাকাঙ্ক্ষিত ওভারথ্রোতে বাড়তি চার রান পেয়েও লাভ হতো না ইংল্যান্ডের। স্বাগতিকরা নয় বিশ্বসেরা হতো নিউজিল্যান্ডই। যদি না মাঠের আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ভুল করে এক রান বাড়তি দিতেন। অবশেষে শ্রীলঙ্কান ওই আম্পায়ার নিজের ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়েছেন।

১৪ জুলাই লর্ডসের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার আম্পায়ার মারাইস এরাসমাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা ধর্মসেনা বলেন, ‘টিভি রিপ্লে দেখার পর আমি মানছি ভুল হয়েছিল।’

ভুল মেনে নিলেও নিজের পক্ষে সাফাই গান ধর্মসেনা। শ্রীলঙ্কার সাবেক এ টেস্ট খেলোয়াড় সানডে টাইমসকে জানান, তার কাছে টেলিভিশন রিপ্লে দেখার সুযোগ ছিল না। যেখানে ধরা পড়ে ব্যাটসম্যানরা উইকেটের প্রান্ত সীমানা অতিক্রম করেননি, ‘মাঠে আমাদের জন্য টিভি রিপ্লের ব্যবস্থা ছিল না। তাই নিজের এ সিদ্ধান্তের জন্য আমি মোটেই অনুতপ্ত নই।’

মাঠের অন্য অফিসিয়ালদের সঙ্গে পরামর্শ করেই নাকি ছয় রানের সংকেত দিয়ে ছিলেন ধর্মসেনা, ‘কমিউনিকেশন সিস্টেমে আমি লেগ আম্পায়ারের (এরাসমাস) সঙ্গে পরামর্শ করেছি। যা অন্য আম্পায়াররা ও ম্যাচ রেফারি শুনেছেন।’

ধর্মসেনা আরো যোগ করেন, ‘ম্যাচ অফিসিয়ালরা টিভি রিপ্লে পরীক্ষা করতে পারেননি। তারা সবাই নিশ্চিত করেন ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় রান পূর্ণ করেছেন। তখনই আমি আমার সিদ্ধান্তটা জানাই।’

ফাইনালের শেষ ওভারে গাপটিলের থ্রো স্টাম্পে না লেগে অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের ব্যাট স্পর্শ করে ছুঁয়ে ফেলে বাউন্ডারি। কিন্তু দ্বিতীয় রান নেওয়ার সময় স্টোকস উইকেটের প্রান্ত সীমানাই স্পর্শ করেননি। কিন্তু তারপরও ধর্মসেনা ইংল্যান্ডকে পাঁচ রানের বদলে ছয় রান দিয়ে দেন।

আম্পায়ারদের ভুলটা প্রথম সবার নজরে আনেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আম্পায়ার সাইমন টফেল। তিনি ফক্স স্পোর্টস অস্ট্রেলিয়াকে জানান, আম্পায়াররা পরিষ্কার ভুল করেছেন। কারণ ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় রান পূর্ণই করেননি।

৫০ ওভার খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সমান ২৪১ রান তুলে ম্যাচ টাই করে ফেলে ইংল্যান্ড। ফলে শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে অবিশ্বাস্য ভাবে ইংল্যান্ডের সমান ১৫ রান তুলে টাই করে বসে নিউজিল্যান্ড। শেষে কিউইদের হৃদয় ভেঙে বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসেবে এগিয়ে থেকে শিরোপা জিতে নেয় আয়োজকরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র