Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেজাজ হারানো মাহমুদউল্লাহ বললেন- ‘কাজটা উচিত হয়নি’

মেজাজ হারানো মাহমুদউল্লাহ বললেন- ‘কাজটা উচিত হয়নি’
আরেকটি হার দেখল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগটা (বিপিএল) যেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কাছে দুঃস্বপ্নের অন্য নাম! চার ম্যাচে খেলেছেন, হার চারটিতেই। কিছুতেই জয় ধরা দিচ্ছে না। শনিবার সন্ধ্যায় একটুর জন্য ফস্কে গেল জয়। বিপিএল ইতিহাসের প্রথম সুপার ওভারে নাটকীয়তা ছড়াল। শেষ পর্যন্ত চিটাগং ভাইকিংসের কাছে ১ রানে হেরে গেল খুলনা টাইটানস।

মিরপুরে প্রথমে দুই দলই আটকে যায় ১৫১ রানে। তারপর সুপার ওভারে হার মানে রিয়াদের দল। ম্যাচটা হেরে মাথা ঠিক রাখতে পারেন নি তিনি। খুলনার অধিনায়ক অবশ্য শেষে ভুলটা বুঝতে পারলেন। তিনি বলেন, ‘দেখুন, গত ১১-১২ বছর ধরে অনেক চাপ নিয়েছি। হয়তোবা আজকে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলাম। কাজটা উচিত হয়নি। এটা হয়তো খেলোয়াড়দের উপর প্রভাব ফেলে। চেষ্টা করবো পরবর্তী সময়ে শান্ত থাকার।’

এমন উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচে নিজেকে শান্ত রাখা যায় কি? যায় না বলেই ঠান্ডা মেজাজের এই ক্রিকেটারটিও উত্তেজিত হয়ে উঠেন। চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে শেষ ওভারে ডিফেন্ড করার জন্য ১৮ রান পায় খুলনা। তখন টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো আরিফুল হকের হাতে বল তুলে দেন মাহমুদউল্লাহ। কিছুটা ঝুঁকিই নিয়েছিলেন তিনি। তার মাশুল গুনতে হয়। ওভার থেকে ৩ ছক্কায় আসে ১৮ রান।

কেন এই ঝুঁকি?

আরিফুলকে কেন বল দিলেন, এনিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলছিলেন, ‘তখন অফস্পিনটা হয়তোবা একটু কঠিন হতো। শেষ ওভারে ১৯ রান, আমি ভাবলাম আরিফ ভালো অপশন। ও হয়তো ওয়াইড ইয়র্কার করবে! কিন্তু হয়নি দূর্ভাগবশত। দুইটা সময় আমাদের ম্যাচ জেতার সুযোগ ছিল। টানা তিনটি ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর আজকে ভালো একটি সুযোগ ছিল। কিন্তু আমরা দুইবারই সুযোগটা হারালাম। সুপার ওভারে ১১ রান বড় কোন লক্ষ্য না। এটা চেজঅ্যাবল।’

তবে রিয়াদ মনে করেন তার আগেই জেতা উচিত ছিল। শনিবার বিপিএলের এই ম্যাচ শেষে জানাচ্ছিলেন, ‘কেউই আসলে সুপার ওভার চায় না। কোন অধিনায়কই সুপার ওভার খেলতে চাইবে না। আগেই বললাম, ১ ওভারে ১৯ রান ডিফেন্ড করা আমাদের উচিত ছিল। সুপার ওভারেও ১২ রান চেজ করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা পারিনি। এখন টুর্নামেন্টটি আমাদের কঠিন হয়ে গেছে। ৮ টা ম্যাচের মধ্যে আমাদের ৫ থেকে ৬ টা ম্যাচ জিততেই হবে।’

স্থানীয় বোলাররা কি কঠিন পরিস্থিতিতে চাপ নিতে পারছে না? সাম্প্রতিক সময়ে চাপের মুখে ভেঙে পড়ার আরেক দৃষ্টান্ত আরিফুল। যিনি ১৮ রান নিয়েও ৬ বলে লড়তে পারলেন না। মাহমুদউল্লাহ বললেন, ‘আমার কাছে মনে হয় আমরা চাপটা নিতে পারছি না। কারন এই ধরনের পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শুরুটা কিভাবে করছি। শুরুটা ভালো হলে শেষটা হয়ে যায়। আরিফুলের কাছে আমার ম্যাসেজ ছিল প্রথম বলটা ভালো করা। খারাপ হয়ে গেলে চাপটা ধরে রাখা কঠিন।’

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র