Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ধর্ষণ, কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ধর্ষণ, কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা
ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই ধর্ষকের মুখে কালি, গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) লাইব্রেরিতে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় চারুকলা বিভাগের ১৬ তম ব্যাচের ছাত্র পাপ্পু কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

ইতোমধ্যে ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নির্যাতন বিরোধী কমিটি পাপ্পুর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তও সম্পন্ন করেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে ওই ধর্ষণের ঘটনায় মামলা না হওয়ায় পার পেতে চলেছে অভিযুক্ত।

অভিযুক্ত পাপ্পু কুমার খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বাসিন্দা এবং বঙ্গবন্ধু পাঠক ফোরাম খুবি শাখার সভাপতি। ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই পাপ্পু বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে ছাত্ররা তাকে মুখে কালি লাগিয়ে গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, গত ৩ জুলাই খুবির চারুকলা অনুষদে চিত্রকলা প্রদর্শনী ছিল। পাপ্পু প্রদর্শনী দেখানোর নাম করে ওই মেয়েকে ডেকে নেয়। মেয়েটি চারুকলায় যাবার পর তাকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে চারুকলার লাইব্রেরিতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর পাপ্পু নিজের রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।

রাত আড়াইটার দিকে মেয়েটি চারুকলার লাইব্রেরির সিঁড়িতে কান্নাকাটি করার সময় দারোয়ান তাকে দেখতে পান। তখন তিনি পাপ্পুকে ডাকার ব্যবস্থা করেন। পরে ধর্ষিতার পরিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক বরাবরে পাপ্পুর শাস্তি দাবি করে আবেদন করেন। তবে পাপ্পু ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

ধর্ষণের শিকার হওয়া খুলনা কলেজিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রীর পরিবার বলেন, 'ঘটনার পর থেকে মামলা না করার জন্য রাজনৈতিক মহল থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ধর্ষক হয়েও কীভাবে এরা রাজনৈতিক আশ্রয় পায়? লোকলজ্জা আর প্রাণের ভয়ে মামলা করতে পারছি না।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর শরীফ হাসান লিমন বলেন, 'ধর্ষণের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নির্যাতন বিরোধী কমিটি তদন্ত সম্পন্ন করেছে। খুব শীঘ্রই পাপ্পুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি
ইবিতে প্রতিবাদ র‍্যালি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২১ আগস্ট) ক্যাম্পাসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রতিবাদ র‌্যালি বের হয়। এরপর র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. আনিছুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যালি শেষে বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক শাসুজ্জামান খান।

বায়ো টেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা জামাল হ্যাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শানিহনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এছাড়া স্বাগত বক্তা ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

এদিকে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস ২০১৯ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। মানববন্ধনে ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের মধ্যে যাদেরকে এখনো শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি, তাদের শাস্তি কার্যকরে জোর দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুর ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি
জাবিতে ২১ আগস্টের হামলায় জড়িত খুনিদের প্রতীকী ফাঁসি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে প্রতীকী ফাঁসির কর্মসূচি পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া তলায় এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে গ্রেনেড হামলায় জড়িত তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু ও হারিস চৌধুরীকে প্রতীকী ফাঁসি দেয়া হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বর থেকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের সামনে এসে শেষ হয়।

প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, '২০০৪ সালের আগস্টের এই দিনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্যদিয়ে দেশকে অন্ধকারে পতিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু দেশনেত্রীকে তারা হত্যা করতে পারেনি। সেদিন রক্তাক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। ২১ আগস্টের ভয়াল এই হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জড়িত ছিল। এই হামলায় জড়িতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।'

এ সময় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুইশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র