Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে ডাকসু সদস্য তিলোত্তমার বাধা!

অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে ডাকসু সদস্য তিলোত্তমার বাধা!
আন্দোলনকারীদের অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য শাসান তিলোত্তমা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের করা অবরোধ অন্দোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডাকসু ও সিনেট সদস্য তিলোত্তমা শিকদারের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) অবরোধ চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ তুলে নেওয়ার আদেশ দেন তিনি।

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে টিএসসির চতুর্দিকের রাস্তাসহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও দোয়েল চত্বর অবরোধ করে রেখেছিল ঢাবি শিক্ষার্থীরা। পরে দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, টিএসসিতে অবরোধ চলাকালীন দুপুর ১২টার দিকে সুফিয়া কামাল হল থেকে রিকশাযোগে টিএসসিতে আসেন তিলোত্তমা শিকদার। টিএসসিতে এসে তিনি নিজ হাতে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলেন এবং আন্দোলনকারীদের অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য শাসিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী কিছু শিক্ষার্থী জানান, তিলোত্তমা শিকদার ব্যারিকেড সরিয়ে দিলে আন্দোলনকারীদের সাথে তার বাদানুবাদ হয়। তখন তিলোত্তমা বলেন, 'সুফিয়া কামাল হল থেকে টিএসএসি পর্যন্ত আসতে তার ৪০ মিনিট সময় লেগেছে।'

জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় পত্র না দেখালে অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা কোনো রিকশা ছেড়ে দিচ্ছেন না। তাই অবরোধ তুলে নিতে বলেছি।'

অধিভুক্ত বাতিল, অটোমেশনের আওতায় যাবতীয় কার্যক্রম, রিকশা ভাড়া নির্ধারণসহ চার দফা দাবি বাস্তবায়নে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রেখেছিল আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পরে দুপুর ২টার দিকে ডাকসু সদস্য তানভির হাসান সৈকত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন। শাহবাগে অবরোধ শেষে প্রোগ্রামের সমাপ্তি টানেন অপরাজেয় বাংলায় এসে।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, ভিসি কার্যালয় ঘেরাও, শাহবাগমোড় অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিলসহ ইত্যাদি লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে আজকের মতো অবরোধ স্থগিত করেছেন আন্দোলনকারীরা।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি
ইবিতে প্রতিবাদ র‍্যালি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২১ আগস্ট) ক্যাম্পাসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রতিবাদ র‌্যালি বের হয়। এরপর র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. আনিছুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যালি শেষে বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক শাসুজ্জামান খান।

বায়ো টেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা জামাল হ্যাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শানিহনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এছাড়া স্বাগত বক্তা ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

এদিকে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস ২০১৯ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। মানববন্ধনে ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের মধ্যে যাদেরকে এখনো শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি, তাদের শাস্তি কার্যকরে জোর দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুর ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি
জাবিতে ২১ আগস্টের হামলায় জড়িত খুনিদের প্রতীকী ফাঁসি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে প্রতীকী ফাঁসির কর্মসূচি পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া তলায় এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে গ্রেনেড হামলায় জড়িত তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু ও হারিস চৌধুরীকে প্রতীকী ফাঁসি দেয়া হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বর থেকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের সামনে এসে শেষ হয়।

প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, '২০০৪ সালের আগস্টের এই দিনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্যদিয়ে দেশকে অন্ধকারে পতিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু দেশনেত্রীকে তারা হত্যা করতে পারেনি। সেদিন রক্তাক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। ২১ আগস্টের ভয়াল এই হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জড়িত ছিল। এই হামলায় জড়িতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।'

এ সময় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুইশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র