Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০১৯-২০ বার্ষিক সিনেট অধিবেশন

ঢাবির বাজেট ৮১০ কোটি ৪২ লাখ টাকা

ঢাবির বাজেট ৮১০ কোটি ৪২ লাখ টাকা
ছবি: বার্তা২৪
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৮১০ কোটি ৪২ লাখ টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) সিনেটে এই বাজেট ঘোষণা করা হয়।

বাজেটে গবেষণার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪০ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।

বিকালে সাড়ে ৩টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ঢাবি সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে তিনি বাজেট উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, কমপক্ষে ১৫০০ কোটি টাকার বাজেট আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন। আমাদের স্ট্যান্ডার্ড প্রোডাকশনের জন্য এই ৮০০ কোটি টাকার বাজেট আমাদের নিতান্তই কম। আমাদের বর্তমান সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে আন্তরিক। আশা করি, আমরা সামনে আরও বড় বাজেট পাব।

উপাচার্যের অভিভাষণে সিনেটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, সিনেটের এখন সদস্য সংখ্যা ১০৫, যা ১৯৯৩ সালের পর পূর্ণাঙ্গ সিনেট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজীবন সদস্য পদ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাই। এছাড়া পাঁচজন সংসদ সদস্যকে নতুন সদস্য হিসাবে সিনেট অভিবাদন জানাই।

তিনি বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুগ বাস্তবতার নিরিখে বাস্তবায়নযোগ্য নতুন অ্যাকাডেমিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষকদের বিদেশে প্রশিক্ষণ শীর্ষক একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে। দুঃখজনকভাবে পরবর্তী সরকার ২০০৫ সালে তা বন্ধ করে দেয়। প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু ওভারসিস স্কলারশিপ' শিরোনামে তা পুনরায় চালু করেছেন। মোট ৪০ জন শিক্ষক এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কাজ শুরু করেছেন।

DU

বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রকৃত তথ্য না জেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও র‌্যাংকিং নিয়ে ঢালাওভাবে অনেকেই যেসব মন্তব্য করেন, তা খুবই হতাশাজনক। অনেক মানদণ্ডেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এগিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় স্বীকৃত জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশকে উৎসাহিত করে থাকে। শিক্ষকরা তা করেও থাকেন।

‘২০২০ মুজিব বর্ষ এবং ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন, এ দু’টো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে অর্থবহ করে রাখার জন্য ঢাবি বিভিন্ন কর্মসূচি ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে থাকবে- শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে কিছু উদ্যোগ, গবেষণাগার উন্নয়ন ও ভৌত অবকাঠামো সম্প্রাসারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্হাপন, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ক্যাম্পাস বিনির্মান প্রভৃতি।’

২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৮১০ কোটি ৪২ লাখ টাকার মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে ৬৯৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে ৬৬ কোটি টাকা আসবে। বাজেটে সম্ভাব্য ঘাটতি ধরা হয়েছে ৪৫.৭৭ কোটি টাকা।

গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৭৬১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। সে হিসেবে এ বছর বাজেট বেড়েছে ৬৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

অধিবেশনের কার্যসূচিতে ছয়টি বিষয় রাখা হয়েছে। এগুলো হলো- উপাচার্যের অভিভাষণ, কোষাধ্যক্ষের বাজেট উপস্থাপন, পূর্ববর্তী অধিবেশনের কার্যবিবরণী অনুমোদন, ২০১৭-১৮ সালের বার্ষিক বিবরণী বিবেচনা, জগন্নাথ হল ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন এবং ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য ছয়জনের একটি প্যানেল অনুমোদন।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি
ইবিতে প্রতিবাদ র‍্যালি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২১ আগস্ট) ক্যাম্পাসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রতিবাদ র‌্যালি বের হয়। এরপর র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. আনিছুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যালি শেষে বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক শাসুজ্জামান খান।

বায়ো টেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা জামাল হ্যাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শানিহনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এছাড়া স্বাগত বক্তা ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

এদিকে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস ২০১৯ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। মানববন্ধনে ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের মধ্যে যাদেরকে এখনো শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি, তাদের শাস্তি কার্যকরে জোর দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুর ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি
জাবিতে ২১ আগস্টের হামলায় জড়িত খুনিদের প্রতীকী ফাঁসি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে প্রতীকী ফাঁসির কর্মসূচি পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া তলায় এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে গ্রেনেড হামলায় জড়িত তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু ও হারিস চৌধুরীকে প্রতীকী ফাঁসি দেয়া হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বর থেকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের সামনে এসে শেষ হয়।

প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, '২০০৪ সালের আগস্টের এই দিনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্যদিয়ে দেশকে অন্ধকারে পতিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু দেশনেত্রীকে তারা হত্যা করতে পারেনি। সেদিন রক্তাক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। ২১ আগস্টের ভয়াল এই হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জড়িত ছিল। এই হামলায় জড়িতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।'

এ সময় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুইশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র