Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, স্থগিত হয়নি বুয়েটের আন্দোলন

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, স্থগিত হয়নি বুয়েটের আন্দোলন
১৬ দফা দাবিতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

১৬ দফা দাবিতে বুয়েটে চলমান আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তবে বৈঠক শেষেও আন্দোলন স্থগিত করেননি শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরতরা বলছেন, শিক্ষামন্ত্রী আমাদের দাবি পূরণে আশ্বস্ত করেছেন। তবে আন্দোলন এখনও স্থগিত করার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নে শুক্রবার একটি নোটিশ দেওয়ার কথা। সেটা দেখার পর আন্দোলন স্থগিত হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত হবে।

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে আন্দোলনকারীদের প্রধান সমন্বয়ক হাসান সারোয়ার সৈকত বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বুয়েট ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হয়ে বৈঠক চলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট বাংলদেশ-এর সভাপতি আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, বুয়েট শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্যরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল বৈঠকে বসে। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাদের দাবি দাওয়ার কথা শুনেছেন এবং সমাধান কল্পে উদ্যোগ নেবেন বলে তাদের আশ্বস্ত করেছেন বলে জানান আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ক হাসান সারোয়ার সৈকত।

বার্তা২৪.কমকে সৈকত বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে আমাদের ক্যাম্পাসে আসেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আমরা ২৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল বৈঠকে বসি। আমরা আমাদের ১৬ দফা দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরি। পরে শিক্ষামন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেন এবং বলেছেন আগামীকাল আমাদের একটি নোটিশ দেবেন। সেখানে আমাদের দাবি বাস্তবায়নের লিখিত খসড়া থাকবে। আমরা বলেছি নোটিশ দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব আন্দোলন স্থগিত করব নাকি চালিয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে নোটিশ দেওয়া হবে সেটা আমরা সবার সাথে আলোচনা করে জানাব। তবে সে পর্যন্ত আমাদের পূর্বঘোষিত আন্দোলন চলমান থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনের আর বাকি একদিন। তবে এ সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদপ্রত্যাশীদের আক্রোশপূর্ণ মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সংঘর্ষের।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীরা। পরবর্তীতে জবি শাখা ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এড়াতে ব্যর্থ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রিয় কমিটি। কেন্দ্রিয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সৎ,পরিশ্রমী ও যোগ্য নেতৃত্ব দিতে আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন কমিটি দেওয়া হয়।

সম্মেলন কমিটির নেতৃত্বে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু হলেও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাড়ছে আন্তঃকোন্দল ও রোষানল। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সম্মেলন ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে সবার মাঝে।

পোস্টার ছেড়ার বিষয়ে সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু বার্তাটোয়োন্টিফোর.কমকে জানান, কে বা কারা পোস্টার ছিড়ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। সম্মেলনে সংঘর্ষের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এখানে যারা আছি, সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে একান্তই যদি কোনো অহেতুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা মীমাংশা করে নেব। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র