Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জবি খুলবে রোববার

জবি খুলবে রোববার
ছবি: সংগৃহীত
জবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

এক মাসেরও বেশি সময় ছুটি শেষে আগামী রোববার (২৩ জুন) খুলবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

ওই দিন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা, বিভাগীয় অফিস ও প্রশাসনিক দফতরগুলো যথারীতি চালু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দফতর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পবিত্র ঈদুল ফিতর, শবে কদর, জুমাতুল বিদা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে গত ১৯ মে (রোববার) থেকে ২০ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বন্ধ ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস পরীক্ষা।

২ জুন (রোববার) থেকে ২০ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বন্ধ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগীয় অফিস ও প্রশাসনিক দফতর।

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ক্যাম্পাসে ও বিভিন্ন মেসে ফিরতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, সেশনজট কমাতে ছুটির দিনগুলোতেও কয়েকটি বিভাগ সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়।

আপনার মতামত লিখুন :

এবার শুধু এমসিকিউ পদ্ধতিতে শাবিপ্রবি’র ভর্তি পরীক্ষা

এবার শুধু এমসিকিউ পদ্ধতিতে শাবিপ্রবি’র ভর্তি পরীক্ষা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সম্মান প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা লিখিত হবে না। আগের নিয়ম অনুযায়ী শুধু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে এই ভর্তি পরীক্ষা হবে।

শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) ১৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে আগামী বছর থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছর সময় কম থাকায় সমন্বিত পরীক্ষায় যাওয়া সম্ভব নয়। তাই শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নেয়।

একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং শেষে উপাচার্য জানান, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আমাদের এই মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলোচনা করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

এদিকে, এমসিকিউ পদ্ধতির পাশাপাশি এ বছর শাবিপ্রবি-তে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে, এমন খবর বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, আমরা এ বছর বিগত বছরগুলোর মত এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেব। আগামীতে সমন্বিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে লিখিত হওয়ারও সম্ভবনা আছে।

জবির টিচার্স ক্যাফে বন্ধে ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

জবির টিচার্স ক্যাফে বন্ধে ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় জবির টিচার্স ক্যাফে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ আছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত টির্চাস ক্যাফে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিংয়ের নিচে ২০১৫ সালে ‘রেভেনাস প্লাস’ এর পরিচালনায় গড়ে ওঠে টিচার্স ক্যাফেটি। পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহে ব্যার্থতা এবং খাবারের মান ভালো না হওয়ায় ২০১৭ সালের শেষের দিকে এটি বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামের পেছনে এবং শিক্ষক লাউঞ্জের সামনের টিচার্স ক্যাফেটি অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। ক্যাফে ঘিরে নেই আগের মতো শিক্ষক শিক্ষার্থীদের তেমন আনাগোনা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত রেভেনাসের অন্য ক্যাফেটিও চলছে কোনো রকমভাবে।

টিচার্স ক্যাফেটি কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়ছে জানতে চাইলে ক্যাফের পরিচালক হিমু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘পূর্বে আমরা সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য খাবার সরবরাহ করতাম। শিক্ষক সমিতি কর্তৃক বলে দেওয়া হয় শুধু শিক্ষকদের জন্য খাবার সরবরাহ করতে। কিন্তু শিক্ষকদের খাবার সরবাহ করলে আমাদের ব্যবসায় লাভ হয় না। তাই নতুন ভবনের ক্যান্টিনটি বন্ধ করে দিয়েছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563437751899.jpg

এ বিষয়ে না প্রকাশে অনিচ্ছুক গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষক বলেন, ‘খাবারের মান ততটা ভালো না হলেও দুপুরের খাবার আমরা ক্যাফেতেই খেতাম। বর্তমান ক্যান্টিনটি বন্ধ থাকায় আমাদের একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে শিক্ষকদের আলাদা ক্যাফের বিষয়ে শিক্ষক সমিতির নজর দেওয়া উচিত।’

এ বিষয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আমরা ক্ষুধা লাগলে ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে ক্যাফেটিতে গিয়ে খাবার খেয়ে আসতে পারতাম । কিন্তু ক্যাফেটি বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি ড. নূর মোহাম্মদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ক্যাফের আশে পাশের পরিবেশ অতটা ভালো নয়। এর পাশেই থাকা টয়লেট থেকে দুর্গন্ধ আসে। এছাড়া স্থানটি ঘিরে হৈ-হুল্লোড় লেগেই থাকতো এবং শিক্ষকদের আসা যাওয়ার পথে বিঘ্ন ঘটতো। তাই ক্যাফেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে দ্রুত অন্যত্র একটি টিচার্স ক্যাফে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষক সমিতির।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র