Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছিনতাইয়ের শিকার জাবি শিক্ষার্থী

ছিনতাইয়ের শিকার জাবি শিক্ষার্থী
হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ছিনতাইয়ের শিকার জাবি শিক্ষার্থী, ছবি: সংগৃহীত
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের ছুটি শেষে বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থী ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ জুন) ভোরে ওই শিক্ষার্থীকে ঢাকার আশুলিয়ার বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করান পথচারীরা।

এ বিষয়ে বিকেলে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ছিনতাইয়ের শিকার আল আমিন কোরাইশি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ৪৪তম ব্যাচ ও মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

লিখিত অভিযোগ ও আল আমিন কোরাইশির কাছ থেকে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে গত সোমবার হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে ট্রেনে করে ঢাকায় ফেরেন আল আমিন। রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নেমে নবীনগরগামী আশুলিয়া ক্লাসিক বাসে ওঠেন আল আমিন। বাসে ওঠার পর দশ টাকা দিয়ে শসা কিনে খান তিনি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্ঞান হারান আল আমিন।

এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারীরা তার সঙ্গে থাকা ল্যাপটপ, মুঠোফোন ও নগদ টাকাসহ মানিব্যাগ নিয়ে নেন। এরপর তাকে আশুলিয়া থানার আশুলিয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনার পর গতকাল মঙ্গলবার ভোরের দিকে পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে আশুলিয়ার জামগড়া নারী ও শিশুকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, 'আশুলিয়া ক্লাসিকের বাসে বাইপাইল পর্যন্ত টিকেট কাটি। গাড়িতে ওঠার পর একজন শসা বিক্রেতা শসা কেনার জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। বাধ্য হয়ে শসা কিনে মুখে দেওয়ার পরপরই আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। এক পর্যায়ে গাড়ির হেল্পার আমাকে জাগিয়ে তুলে বলেন, বাস এখন বেড়ি বাঁধে আছে। এখান থেকে আর যাবে না। কিন্তু আমি ঘুমের ঘোরে কিছু বুঝতে পারছিলাম না। পরে জানলাম আমাকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে গেছে।’ আল আমিন কোরাইশির অভিযোগ, বাসের ড্রাইভার ও হেল্পার মিলে তাকে অজ্ঞান করে ছিনতাই করেছে।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘আল আমিন এখন সুস্থ। তাকে অভিভাবক এসে নিয়ে গেছে। বিষয়টি ক্যাম্পাসের বাইরে হওয়ার থানায় অভিযোগ জানাতে বলেছি।’

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

রাবির বড়কুঠি হস্তান্তরের প্রতিবাদ

রাবির বড়কুঠি হস্তান্তরের প্রতিবাদ
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রথম প্রশাসনিক ভবন বড়কুঠি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে তারা কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, 'একমাত্র উন্মাদ মাতালরাই পারে তাদের চৌদ্দপুরুষের ভিটামাটি বিক্রি করতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন কোনো ঐতিহ্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানায় রেখে সেটি মেরামত করতে পারে কিন্তু সেটি হস্তান্তর করতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এতে কোনো সরকারের বা কোনো মন্ত্রী আমলাদের হস্তক্ষেপ চলবে না। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্তটি অচিরেই প্রত্যাহার করবেন।'

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে সংঘঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, সভাপতি রাশেদ রিমন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাফিল আলম।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে বড়কুঠিকে সংরক্ষিত প্রত্ন সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে এই ঘোষণা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়। এরপর এ বছরের ১৪ মে রাবি প্রশাসনকে অবহিত করে চিঠি দেয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। পরে ২৯ জুন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৪৯১ তম সিন্ডিকেট সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে বড়কুঠি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের দ্বিতীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আর একে সফল করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি।

জানা গেছে, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে গত পাঁচ মাস আগে জবি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্রীয় কমিটি সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতা নির্বাচনে আগামী ২০ জুলাই সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি করে দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

এদিকে, সম্মেলনকে ঘিরে পদপ্রত্যাশীরা লবিং-তদবির, শোডাউন শুরু করে দিয়েছেন। প্রতিদিনই ক্যাম্পাসে নিজের শক্তির জানান দিতে মহড়া দিচ্ছেন অনেকে। অনেকে নিয়মিত ডাকসু ভবন, মধুর ক্যানটিন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসে আড্ডা দিচ্ছেন। কেউ কেউ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রিপরিষদ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563292497156.jpg

পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচিতরা হলেন- সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটন, সাবেক সহ-সম্পাদক মোল্লা আনোয়ার হোসেন সজিব, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ, তারেক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফরায়েজি, আসাদুল্লাহ আসাদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, নুরুল আফসার, সাবেক উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ পারভেজ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আদম সাইফুল্লাহ ও আনিসুর রহমান।

সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, সম্মেলন সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার-ফেস্টুন লাগানোর কাজ চলছে। এবার সম্মেলনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন। ইতোমধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে যেন সম্মেলন পণ্ড না হয় সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র