Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাবির শৃঙ্খলা বিধিতে নতুন ধারা: স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা

জাবির শৃঙ্খলা বিধিতে নতুন ধারা: স্বাধীন মত প্রকাশে বাধা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: বার্তা২৪.কম
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ হালনাগাদ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসন। সংশোধিত অধ্যাদেশে যুক্ত হওয়া নতুন দুটি ধারা, যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। নতুন এই ধারা দুটিকে ‘নিবর্তনমূলক’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি শিগগিরই এ ধারা বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

নতুন দুটি ধারা হলো- অধ্যাদেশের ৫ এর (ঞ) উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো ছাত্র/ছাত্রী অসত্য এবং তথ্য বিকৃত করে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদন স্থানীয়/জাতীয়/আন্তর্জাতিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক সংবাদ মাধ্যমে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার বা উক্ত কাজে সহযোগিতা করতে পারবে না।

এছাড়া ৫ এর (থ) উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো ছাত্র/ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর উদ্দেশ্যে টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল, ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো অশ্লীল বার্তা বা অসৌজন্যমূলক বার্তা প্রেরণ অথবা উত্যক্ত করবে না।

অধ্যাদেশ মতে, ধারা দুটির ব্যতয় ঘটলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের চোখে ‘অসদাচরণ’ বলে গণ্য হবে। এজন্য লঘু শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, সতর্কীকরণ এবং গুরুতর শাস্তি হিসেবে আজীবন বহিষ্কার, বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার, সাময়িক বহিষ্কার ও পাঁচ হাজার টাকার বেশি জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশে হস্তক্ষেপ করতেই ধারা দুটি যুক্ত করা হয়েছে। ধারা দুটিতে উল্লেখিত ‘অসত্য, তথ্য বিকৃত’ এবং `অশ্লীল’ বা ‘অসৌজন্যমূলক’ বার্তা প্রেরণ অথবা উত্যক্ত করার’ সংজ্ঞা নির্ধারণ করবেন কে? ফলে স্বাধীন সাংবাদিকতা বাঁধার মুখে পড়বে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে উচ্চ আদালত এক রায়ের পর্যবেক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা বিধিকে ‘দুর্বল ও সেকেলে’ উল্লেখ করে তা হালনাগাদের পরামর্শ দেয়। শৃঙ্খলা বিধির প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করতে ওই বছরের ১৬ মে তৎকালীন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবুল হোসেনকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। ওই কমিটির হালনাগাদ করা শৃঙ্খলা বিধি বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাদেশ হিসেবে অনুমোদন করা হয়।

এ বিষয়ে জাবি সিনেট সদস্য ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ধারা ৫(ঞ) এবং (থ) উপধারা দুটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ (চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতা) এবং অনুচ্ছেদ ৪০ (পেশা বৃত্তির স্বাধীনতা) এর পরিপন্থী । বিশ্ববিদ্যালয় মুক্ত চিন্তার বিকাশ এবং লালন-পালনের যথাযথ স্থান। এই উপধারা দুটি ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ভীতি ও শঙ্কার তৈরি করবে, যা শুভকর নয় । এছাড়া ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত করবে এবং সাংবাদিকরা নিগ্রহের স্বীকার হতে পারেন।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মাহমুদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যে বিধি দুটি যুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি, দুর্বৃত্তপনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা সবসময় সোচ্চার। সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করতেই এই উদ্যোগ। অবিলম্বে এটি বাতিল করতে হবে।’

অন্যদিকে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার দফতর সম্পাদক হাসান জামিল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি শিক্ষার্থীর স্বার্থ বিরোধী ও নিবর্তনমূলক ধারা বাতিলের আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো আইন তৈরি করা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যায়ন বিভাগের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘যেখানে রাষ্ট্রের বিধিমালা রয়েছে সেখানে আবার নতুন করে আইন তৈরি করার প্রয়োজন হয় না। এটা কারা করেছে জানি না, এটা করা ঠিক হয়নি। তাছাড়া ধারা দুটির কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই, ফলে যে যার মতো করে অপব্যবহার করতে পারে। এমন ধারা তৈরি করার আগে সংশ্লিষ্ঠদের সাথে আলোচনা করা উচিৎ ছিল।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সাথে যোগাগের চেষ্টা করা হলে তিনি অসুস্থ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে বিশ্ব উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আমির হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নতুন বছরের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে তাড়াহুড়া করে শৃঙ্খলা বিধি পাস করা হয়েছে। তবে যদি এ বিষয়ে কারও কোনো বক্তব্য থাকে তবে সেটা অবশ্যই বিবেচনা করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে পৃথিবীকে স্বর্গ বানাতে হবে: শোভন

ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে পৃথিবীকে স্বর্গ বানাতে হবে: শোভন
রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবন্ধীদের উদ্দেশ্য করে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়েমা ওয়াজেদ পুতুলও আপনাদের মতো মানুষদের নিয়ে কাজ করেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নে আপনাদেরও অংশীদার হতে হবে। আপনাদের অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গিতে পৃথিবীটা স্বর্গ বানাতে হবে। মুজিবের আর্দশকে ধারণ করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

রোববার (২৫ আগস্ট) আরসি মজুমদার মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবন্ধী শিক্ষা ও পুনর্বাসন সংস্থা এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শোভন বলেন, ‘কৃষক-শ্রমিকসহ শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।’

সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিম নিবিড় বলেন, ‘প্রতিবন্ধীদের প্রতিবন্ধকতা অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও প্রতিভা বিকশিত করার মাধ্যমেই দূর করতে হবে। ১৯৭৪ সালে ৪৭টি বিদ্যালয়ের সমন্বয়ে পড়াশোনা চালুর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশে প্রথম দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বর্তমানে দেশে প্রায় ১০ রাখ প্রতিবন্ধী মাসিক ৭৫০ টাকা হারে ভাতা পেয়ে থাকে, কিন্তু যৌক্তিক হারে তা বৃদ্ধি করা উচিত। বঙ্গবন্ধু আমাদের যে ত্যাগের শিক্ষা দিয়ে গেছে তা অনুসরণ করে অন্যদের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।’

প্রতিবন্ধী শিক্ষা ও পুনর্বাসন সংস্থার সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, ‘আমরা একজন স্বচ্ছ মানুষের চেয়ে কম নই। ইচ্ছা থাকলেই আমরা সব কিছু করতে পারি।’

এ সময় তিনি প্রতিবন্ধীদের ভাতা তিন হাজার টাকা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান।

আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি মনসুর আহমেদ চৌধুরী, চাকরি প্রত্যাশী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন প্রমুখ।

জাবির উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ

জাবির উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ
বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পূর্বঘোষিত তিন দফার ছয় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের কয়েকটি ভবন ও প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদ চত্বরে সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশের তিনটি হল স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় দ্রুত কাজ শুরু করা, উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা দূর্নীতির ব্যাপারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত নিশ্চিত করা এবং টেন্ডার ছিনতাইকারদীর বিচারের আওতায় আনাসহ প্রকল্পের সকল ব্যয়ের হিসেব জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবি জানান।

এছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা জানান বক্তারা।

আরও পড়ুন: জাবিতে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা

উপাচার্যসহ তার পরিবার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মাদ দিদার বলেন, ‘আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি এই দুর্নীতির সঙ্গে স্বয়ং উপাচার্য জড়িত। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বারবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এবার উপাচার্য ও তার পরিবার যে জনসাধারণের টাকা লুটপাট করতে নেমেছেন তা বন্ধ করতে আমরাও রুখে দাঁড়াব।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566732339061.jpg

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথা হলো উপাচার্য। আমরা লক্ষ্য করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। আমরা এটার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করছি। সাংবাদিকরা যখন অর্থ কেলেঙ্কারির তথ্য তুলে ধরলেন তখন উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করলাম উপাচার্য সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করতে চেয়েছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই হুমকি ধামকি দিয়ে আপনারা কারও কণ্ঠ রোধ করতে পারবেন না।’

আরও পড়ুন: ৬ দাবি আদায়ে আন্দোলনে জাবি শিক্ষার্থীরা

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীদের কাজ চোর ধরে বেড়ানো না। তেমনি শিক্ষকদের কাজ চুরিতে সহযোগিতা করা না। শুরু থেকে এই মাস্টারপ্ল্যান নামক জিনিসটা নিয়ে যে লুকোচুরি চলছে এবং নানা পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণের মতকে উপেক্ষা করে অস্বচ্ছ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল পরিমান টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং খরচ করার পায়তারা করছে।’

প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন করে ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি যুক্ত করা হয়েছে অভিযোগ করে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন,‘আমরা উন্নয়নের বিরুদ্ধে নয়। আমরা উন্নয়ন চাই তবে সেটা হোক পরিকল্পিত উন্নয়ন। কিন্তু আমরা দেখছি তড়িঘড়ি করে উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে যেয়ে লুটপাট শুরু করে দেওয়া হয়েছে।’

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সদস্য রাকিবুল রনি, বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার ও সংরক্ষণ পরিষদের জাবি শাখার সমন্বয়ক আবু সাইদ প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র