Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফোন চুরির অভিযোগে জাবি ছাত্রলীগ নেতা হল থেকে বিতাড়িত

ফোন চুরির অভিযোগে জাবি ছাত্রলীগ নেতা হল থেকে বিতাড়িত
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা, ছবি: সংগৃহীত
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাকে হল থেকে বের করে দিয়েছে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার নাম কৌশিক রহমান শিমুল। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৪২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

এছাড়া সে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক ও ‘মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৩১২ নং রুমে থাকতেন বলেও জানা যায়।

সোমবার (৬ মে) দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এ ঘটনা ঘটে।

হল ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৩৩০ নম্বর কক্ষ থেকে ছাত্রলীগ কর্মী ফিরোজ মাহমুদ সরকারের শাওমি নোট ফাইভ ব্রান্ডের একটি মুঠোফোন চুরি হয়। সন্দেহের ভিত্তিতে কৌশিক রহমান শিমুলের কক্ষে খোঁজাখুঁজি করতে যান ছাত্রলীগের ৫-৬ জন নেতাকর্মী।

এ সময় নিজের কক্ষ থেকে জোর করে বের হয়ে যান অভিযুক্ত কৌশিক রহমান শিমুল। পরে হলের ওয়াশরুমের কাছে গিয়ে মুঠোফোনটি ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাকে হাতেনাতে ধরেন। এরপর রাত আড়াইটা পর্যন্ত তাকে নিয়ে আলোচনা করেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি প্যানেলের নেতাকর্মীরা। আলোচনা শেষে তাকে হল থেকে বের করে দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী ফিরোজ মাহমুদ সরকার বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘রাত সাড়ে বারোটার দিকে রুম থেকে আমার ফোন হারিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি সহ আমার হলের অন্যান্য ছোট ভাইয়েরা আমার ইমিডিয়েট সিনিয়র শিমুলের কাছে থেকে চুরি হওয়া ফোনটি উদ্ধার করি। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এ বিষয়ে সিনিয়র নেতা-কর্মীরা বসে তাকে হল থেকে বিতাড়িত করার সিদ্ধান্ত নেয়।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে কৌশিক রহমান শিমুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে এবং যে অভিযোগ তুলছে দুইজনই ছাত্রলীগের রাজনীতি করে। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে তবে আমাকে সেটা জানানো উচিৎ ছিল। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমাকে কেউ কিছু জানায়নি। আমাকে জানালে বিষয়টা দেখব।'

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘এমন একটি ঘটনা শুনেছি। আমাকে না জানিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়ার কথা শুনেছি। এটা ঠিক হয়নি। সন্ধ্যার পর বসবো। তারপর বিস্তারিত জেনে সিদ্ধান্ত নেব।’

আপনার মতামত লিখুন :

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি
শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তী কমানো জন্য আমাদের একাডেমিক কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য কাউন্সিলের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আমাদের এই মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার নেওয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ আলোচনা করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপাচার্যদের মিটিং-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

রাবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে চাঁদা: ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন

রাবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে চাঁদা: ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও জিম্মি করে চাঁদা দাবির ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী এমন ঘটনার শিকার হলে প্রক্টরের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জড়িতদের নাম উল্লেখ করে প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ও ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনও হয়েছে কিন্তু এখনো জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, 'দুর্বৃত্তদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একের পর এক ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মারধরের শিকার হচ্ছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফলে শিক্ষার্থীদের বারবার এসব ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে।'

জানা যায়, গত শুক্রবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ক্যাম্পাসে জন্মদিন পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন। জন্মদিনে তিনি তার এক বান্ধবীকে আসতে বলেছিলেন। কিন্তু তার বান্ধবী জন্মদিন পালন করতে আসতে পারেনি। পরে জন্মদিন পালন শেষে সন্ধ্যায় রুমে আসে নাসির। তার বান্ধবী নাসিরকে জন্মদিনের উপহার দিতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডিতে তার ভাড়া বাসার সামনে যান।

ঠিক ওই সময় নাসির ও তার বান্ধবীকে বাসার সামনে কথা বলতে দেখে রাজু নামের এক স্থানীয় যুবক দুইজনকে জোর করে বাসার ভেতরে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নাসির ও তার বান্ধবীদের কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে নাসির ও তার বান্ধবীকে এক সঙ্গে বসিয়ে রাজু ছবি তোলেন। বিশ হাজার টাকা না দিলে ওই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। এছাড়া নাসিরের বান্ধবীকে রাজুসহ তার তিন বন্ধ কু-প্রস্তাব দেয় বলে নাসির অভিযোগ করেন।

নাসির বলেন, 'আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রক্টরকে বিষয়টি জানানোর পরে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছিলেন। পরে আমি জড়িতদের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার তিনদিন পার হচ্ছে কিন্তু এখনো জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।'

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: রাবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র