Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে শেষ হলো রাকসু সংলাপ

ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে শেষ হলো রাকসু সংলাপ
ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে রাবি প্রশাসন / ছবি: বার্তা২৪
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে শুরু হওয়া সংলাপ শেষ হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দফতরে রিপোর্টারস ইউনিটি ও সাহিত্য বিষয়ক ছোট কাগজ উত্তরণের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সংলাপ শেষ হয়।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিকেল সাড়ে ৩টায় ও ৪টায় রাকসু সংলাপ কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেন উত্তরণ ও রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতাকর্মীরা। রাকসু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংলাপে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা ১৩ দফা দাবি তুলে ধরেন।

জানতে চাইলে রিপোর্টারস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ফরিদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা রাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না, তবে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কয়েক দফা দাবি জানিয়েছি। প্রশাসন আমাদের দাবিগুলোর প্রতি ইতিবাচকতা দেখিয়েছে। আশা করি তারা দ্রুত এ দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

সংলাপ থেকে বের হয়ে উত্তরণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রাকসু নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দ্রুত রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়াসহ আট দফা জানিয়েছি। তারা আমাদের দাবিগুলো বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছে।’

সংলাপ কমিটির আহ্বায়ক প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আজ দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই মধ্য দিয়ে শেষ হলো রাকসু নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, স্বেচ্চাসেবী সংগঠনগুলোর সংলাপ। আমরা সবার দাবিগুলো একত্রিত করে একটি খসড়া করব। এরপর পর্যায়ক্রমে রাকসু নিয়ে বাকি কাজগুলো করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে ডাকসু ভিপি

আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে ডাকসু ভিপি
আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে স্লোগান দেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের গেটে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আকতারকে মারধরের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মিছিলের ভিপি নুরুল হক নুরকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, ক্যাম্পাসে হবে না‘, ‘আকতারের উপর হামলা কেন? প্রশাসন জবাব চাই’- বলে ভিপি নিজেই স্লোগান দিচ্ছেন।

মারধরের শিকার আকতার হোসেন বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলাম। ডাকসুর নেতাকর্মীরাও সমর্থন দিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অপরাজেয় বাংলায় সমাবেশ শেষে হঠাৎ রেজিস্ট্রার ভবনের দিকে যান।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877842612.gif

‘সেখানে গিয়ে রাব্বানী ভাই (ডাকসু ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) আমাকে বললেন, তারা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেবে। গেটের তালা খুলতে বললেন। তখন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অপরাগতা প্রকাশ করে। একপর্যায়ে তারা মেয়েদের উপর চড়াও হলে আমি সামনে দাঁড়িয়ে বাধা দিই।’

‘তখন আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবং তালা ভেঙে ফেলে। পরে সেখান থেকে সরে আমি মল চত্বরে আসলে ছাত্রলীগের রাব্বি নামক এক কর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন আমার ওপর হামলা ও মারধর করেন। আমার সহপাঠীরা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।’

এদিকে আকতারের উপর হামলা হয়নি বলে দাবি করে গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আমরা অধিভুক্ত ইস্যুর স্থায়ী সমাধানের জন্য সমাবেশ শেষে উপাচার্য কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়েছি। সেখানে গেট আটকানো দেখে আমরা তাদের সরিয়ে দিয়ে প্রবেশ করেছি। হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

জাবির অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

জাবির অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের
অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবিতে জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের মিছিল/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজকে অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ, স্বেচ্ছাচারিতামূলক আখ্যা দিয়ে তা বন্ধের দাবিতে মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বেলা ১২টায় উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবিতে মিছিল করে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়ে সমাজ বিজ্ঞান, অমর একুশ, শহীদ মিনার, প্রশাসনিক ভবন ও বটতলা হয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে যেয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার বলেন, ‘অনেকে কৌশলে আমাদেরকে উন্নয়ন বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। কিন্তু স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা হল নির্মাণে কাউকে বাঁধা দিচ্ছি না। হল নির্মাণ হোক কিন্তু সেটা পরিকল্পিতভাবে।’

অধ্যাপক মানস চৌধুরী বলেন, ‘এই কাজ চলছে এক হাজার ৪০০ কোটি টাকার ম্যাজিকে। এর সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৃতি ধ্বংস করার প্রসঙ্গটা গত ২০ বছর থেকে চলে আসছে। ৬০০ একরের ক্যাম্পাসে এভাবে এক জায়গায় কেন এতগুলো হল তৈরি করা হচ্ছে? এই মাস্টারপ্ল্যান টাকা খাওয়ার পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।’

এদিকে উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা বিবেচনা করেই মহাপরিকল্পনা করা হয়েছে। হয় উন্নয়ন কাজ চলমান রাখব, অথবা চেয়ার ছেড়ে দিয়ে চলে যাব।’

এর আগে গত ৩০ জুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজের জন্য পাঁচটি হল নির্মাণের কাজের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

এরপর উন্নয়ন কাজকে অপরিকল্পিত আখ্যা দিয়ে আন্দোলনে নামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে সংহতি জানায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখা ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। পরে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে অপরিকল্পিত হল নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন নামেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র