Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাবির নিরাপত্তা প্রহরীর বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

জাবির নিরাপত্তা প্রহরীর বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
জাবির প্রীতিলতা হল, ছবি: বার্তা২৪.কম
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রীতিলতা হলের এক নিরাপত্তা প্রহরীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উক্ত নিরাপত্তা প্রহরীকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন যৌন নিপীড়ন বিরোধী কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক রাশেদা আখতার।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম গোলাম কিবরিয়া। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হলের নিরাপত্তা প্রহরী বলে জানা যায়।

নিপীড়নের শিকার নারী শিক্ষার্থী ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মার্চ দিবাগত রাত দুইটার দিকে নিপীড়নের শিকার নারী শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর হল সুপারিনটেন্ডেন্ট রোকেয়া বেগম সহ হলের নিরাপত্তা প্রহরী হাবিব, শহিদ ও গোলাম কিবরিয়া তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যান। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সে তাদের সাথে ঐ নারী শিক্ষার্থীর একজন বান্ধবী ছিলেন। চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে অভিযুক্ত গোলাম কিবরিয়া অসুস্থ শিক্ষার্থীর শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতে থাকেন। পরবর্তীতে গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন সেলে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ দায়ের করেছেন নিপীড়নের শিকার শিক্ষার্থী।

জানা যায়, অভিযুক্ত গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ওই হলের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরকেও বিভিন্ন ভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।

হলের শিক্ষার্থীরা জানান, গোলাম কিবরিয়ার ভাগ্নি ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী হলেও প্রায়ই তাকে প্রীতিলতা হলে থাকতে দেখা গেছে। ইডেন মহিলা কলেজের সেই ছাত্রী মামার ক্ষমতা প্রদর্শন করে হলে থাকছেন।

এদিকে, এই অভিযোগের সূত্র ধরে তদন্ত কমিটি ওই হলের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে কোন শিক্ষার্থী হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীর দ্বারা কোন রকম হয়রানির শিকার হলে তদন্ত কমিটিকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম কিবরিয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘অভিযোগ সত্য নয়। আমি সেদিন হল সুপারের নির্দেশে শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাই। পরে চিকিৎসা শেষে আবার হলে নিয়ে আসি। শুনেছি আমার বিরুদ্ধে নাকি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এমন কোন ঘটনা ঘটে নাই। আর সেদিন আমিতো একা ছিলাম না, আমার সাথে আরও পাঁচ জন ছিলেন।’

প্রীতিলতা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক কৌশিক সাহা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা অভিযোগপত্র পেয়ে সেটা যৌন নিপীড়ন সেলে পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে আমি আর কিছু বলতে পারবো না।’

যৌন নিপীড়ন বিরোধী অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক রাশেদা আখতার বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা একটা অভিযোগপত্র পেয়েছি। তদন্ত কাজ চলছে। আপাতত অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

আপনার মতামত লিখুন :

জাবিতে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা

জাবিতে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম কর্তৃক নিজ কার্যালয়ে ক্যাম্পাসে কর্মরত দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাস সাংবাদিক সংগঠনগুলো। এছাড়া জাবি’র বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোও এ মর্মে বিবৃতি দিয়েছে।

জানা যায়, গত ২২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সাক্ষাৎকার নিতে ভিসি কার্যালয়ে যান দৈনিক প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাইদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম সীমান্ত। প্রাথমিক আলাপচারিতার এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের দুই কোটি টাকা ছাত্রলীগের মধ্যে বণ্টনের অভিযোগ সম্পর্কে উপাচার্যের বক্তব্য জানতে চান তারা।

এ প্রশ্ন করামাত্র উপাচার্য সাংবাদিকদের ওপর প্রচণ্ড রেগে যান। এমন প্রশ্ন করার সাহস কোথায় পেল বলে সাংবাদিকদেরকে ধমকাতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে উপাচার্য তাদের বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে পাঠান এবং তাদের ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দেন। এছাড়া পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আশরাফুল আলমকে তাদের ছবি তুলে রাখতে বলেন উপাচার্য।

আরও পড়ুন: ৬ দাবি আদায়ে আন্দোলনে জাবি শিক্ষার্থীরা

সহকর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক লাঞ্ছিত ও অপমানিত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি প্লাবন তারিক ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মাহমুদ।

এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগ উঠলে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করার পূর্ণ অধিকার সাংবাদিকদের রয়েছে। প্রশ্ন করার কারণে উপাচার্য কোনোভাবেই সাংবাদিকদের ওপর রেগে যেতে ও হুমকি দিতে পারেন না।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জাহাঙ্গীরনগরের ইতিহাস ভুলে গেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বৈরাচারী কায়দা বেছে নিয়ে কেউ কোনদিন টিকে থাকতে পারে নি। সাংবাদিকদের হেনস্তা করে উপাচার্য যে একরোখা আচরণ করেছেন তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও লজ্জার। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করে তিনি টিকে থাকতে পারবেন না।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের নেতৃবৃন্দ এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছ থেকে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এমন আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

জাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, এই ধরনের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যুক্ত থাকবার অভিযোগ গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়ে কালি লেপন করে। উপাচার্য যখন এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো প্রশ্নকর্তাকেই লাঞ্ছিত করেন তখন অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগই ভিত্তি পায়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ এ ঘটনাকে গণতান্ত্রিক চরিত্রের প্রতি হুমকি স্বরূপ উল্লেখ করে বিবৃতি দেন।

এদিকে সাংবাদিক লাঞ্ছনার এ ঘটনায় দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি সহ অন্যান্য ক্যাম্পাসের সাংবাদিক সংগঠন গুলো এ মর্মে পৃথক পৃথক বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এহেন অপেশাদার এবং অশোভনমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভাগীয় সভাপতিকে ডেকে আনা এবং সাংবাদিকদ্বয়ের ছবি তুলে রাখা চরম অশোভন ও তাদের শিক্ষাজীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলাম দ্রুত সময়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার যথাযোগ্য ব্যাখ্যা দিয়ে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অচিরেই প্রশাসনকে এ ধরনের আচরণ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

৬ দাবি আদায়ে আন্দোলনে জাবি শিক্ষার্থীরা

৬ দাবি আদায়ে আন্দোলনে জাবি শিক্ষার্থীরা
সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম ধাপের পাঁচটি হল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্প থেকে শাখা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এই দুর্নীতির বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও এই মহাপরিকল্পনা সংস্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ দাবিসহ ছয়টি দাবি জানান।

তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো- টেন্ডারের শিডিউল ছিনতাইকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা, নির্মাণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সকল ব্যয়ের হিসেব জনসম্মুখে প্রকাশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশের তিনটা হল স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় দ্রুত কাজ শুরু করা এবং কাজ স্থগিত রেখে সকল স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাস করে কাজ শুরু করা।

দাবি আদায়ের জন্য তারা তিন দিনব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণা দিয়েছেন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল, সোমবার দিনব্যাপী গণসংযোগ, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ এবং সন্ধ্যায় ট্রান্সপোর্ট চত্বরে পাবলিক টক এবং মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় মশাল মিছিল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পাপ্পু বলেন, ‘মহাপরিকল্পনার কোনো শর্ত পূরণ করা হয়নি এই পরিকল্পনায়। স্বভাবতই এটি অপরিকল্পিত মহাপরিকল্পনা। এতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলকে ঘিরে গাদাগাদি ও প্রকৃতি ধ্বংস করে তিনটি হল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-স্বার্থ, প্রকৃতি ও পরিবেশ এবং স্বাভাবিক জীবনধারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ প্রকল্পের প্রথম ধাপে ছেলেদের তিনটি ও মেয়েদের তিনটি ১০ তলা হল নির্মাণের দরপত্রের সব কাজ গত মে মাসে শেষ হয়। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দরপত্রের শিডিউল ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। পূর্বনির্ধারিত প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্যই টেন্ডারের দরপত্র ছিনতাই করা হয়েছে- এমন অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে জাতীয় দৈনিকে। কিন্তু সেই অভিযোগের কোনো তদন্ত করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’

লিখিত বক্তব্যে একটি জাতীয় দৈনিকের উদ্ধৃতি টেনে তিনি আরও বলেন, ‘ভয়ানক অস্বচ্ছতা ও লুটপাটের প্রক্রিয়াতে অগ্রসর হয়েছে এই অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। শুরুতেই ই-টেন্ডার প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। উপাচার্য নিজে প্রকল্পের টাকা থেকে দুই কোটি টাকা তুলে দিয়েছেন ছাত্রলীগের হাতে। এই হরিলুটের ফসল দ্রুত ঘরে তুলতেই তড়িঘড়ি করে, সকল মতামত পায়ে দলে স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে এই উন্নয়ন প্রকল্প।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, অধ্যাপক তারেক রেজা, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ, ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার, ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) সভাপতি মাহাথির মোহাম্মদ, ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য রাকিবুল রনি ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক শাকিল উজ-জামান ও যুগ্ন আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন শিশির প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র