Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুজিবনগর দিবসে রাবিতে আলোচনা সভা

মুজিবনগর দিবসে রাবিতে আলোচনা সভা
মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আলোচনা সভা, ছবি: বার্তা২৪.কম
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুনুর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার আম্রকানন বাঙালির ইতিহাসে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ স্বাধীণতার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল সরকার গঠন করা হয়। মুজিব রাজনীতির শুধু কবি নন, রাজনীতির একজন শিল্পীও বটে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, ‘মুজিবনগর সরকার গঠিত না হলে মুক্তিযোদ্ধা পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে অবশ্যই মুজিবনগর সরকার গঠনের তাৎপর্য জানা উচিত। হাজার বছরেও বঙ্গবন্ধুর মতো আর কেউ আবির্ভূত হননি। বঙ্গবন্ধুর মতো নিঃস্বার্থভাবে, স্বার্থত্যাগ ও নিপীড়ন সহ্য করা নেতা বিশ্বে আর দুটো নেই। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের জায়গা কেউই অতিক্রম করতে পারে নি। মুক্তিযোদ্ধাদের মনে প্রাণে ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শ।’

বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা ও কোষাধ্যাক্ষ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. চিত্ররঞ্জন মিশ্র।

আপনার মতামত লিখুন :

অধিভুক্ত বাতিলের এখতিয়ার আমাদের নেই: ঢাবি উপ-উপাচার্য

অধিভুক্ত বাতিলের এখতিয়ার আমাদের নেই: ঢাবি উপ-উপাচার্য
ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের সঙ্গে বৈঠকে ঢাবি উপ-উপাচার্য, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধীনে থাকা সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের এখতিয়ার আমাদের নেই বরং এটা সরকারের বিষয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ।

রোববার (২১ জুলাই) উপাচার্য ভবনে ডাকসু নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

উপ-উপাচার্য বলেন, 'আমাদের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন ও সহানুভূতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক ভবনে তালা ও ক্লাস পরীক্ষা বর্জন আমাদের অনেক কার্যক্রম ব্যাহত করেছে। উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে আমরা ডাকসু নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং শিক্ষার্থীরা জানেন না এমন কিছু তথ্য প্রদান করবেন। আশা করি, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরবে এবং বাকি সিদ্ধান্ত উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান চীন থেকে ফিরলে নেওয়া হবে।'

এক প্রশ্নের জবাবে মুহাম্মদ সামাদ বলেন, 'অধিভুক্তি বাতিলের এখতিয়ার আমাদের নেই, এটা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্ত। আমরা যেটা পারি সেটা হচ্ছে, এটাকে নতুন করে সাজাতে এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে। যাতে করে আমাদের শিক্ষার্থীদের কোনো স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত না ঘটে।'

এ সময় ছাত্র নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস গোলাম রাব্বানী, এজিএস সাদ্দাম হোসাইন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন প্রমুখ।

শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয় কোষাধ্যক্ষ ড কামাল উদ্দিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম, কলা অনুষদের ডিন আবু দেলোয়ার মুহাম্মদ, ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ ও সাত কলেজের সমন্বয়ক অধ্যাপক শিবলী রুবায়তুল ইসলাম প্রমুখ।

জাবির মহাপরিকল্পনা পুনর্বিন্যস্তসহ ৭ দাবি

জাবির মহাপরিকল্পনা পুনর্বিন্যস্তসহ ৭ দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মেগা-প্রকল্পটিকে মহাপরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করে আবশ্যকীয় শর্তগুলো অনুসরণ সাপেক্ষে পুনর্বিন্যস্তসহ ৭ দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যলয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের শিক্ষক লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) মোবাশ্বের রহমান ৭টি দাবি উপস্থাপন করেন।

দাবিগুলো হচ্ছে- মহাপরিকল্পনা পুনর্বিন্যস্ত করে আগামী তিন মাস তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রদর্শন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন বহুতল ভবন না করে এর স্থান পুনঃনির্ধারণ, প্রকল্প বাস্তবায়নের অর্থ-ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, প্রাকৃতিক পরিবেশ, ভূ-প্রকৃতি, প্রাণ-বৈচিত্র্য রক্ষার পদক্ষেপ, প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা ভবন নির্মাণ না করে মহাপরিকল্পনার অধীনে এমনভাবে করা যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশ বজায় থাকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কতটি হল, একাডেমিক ভবন, অন্যান্য স্থাপনা ও কতজন শিক্ষার্থী পড়বে তার সীমা নির্ধারণ এবং ভবন নির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ে আইকনিক স্থাপত্য-শৈলী অনুসরণ করে এর বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, 'গত ১৭ জুলাই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকল্পকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এতে আমরা ভীষণ হতাশ এবং উদ্বিগ্ন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল পরিকল্পনাটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তিন মাস রেখে প্রয়োজনীয় পরিমার্জনা করে নির্মাণ করা অব্যাহত রাখা।' 

প্রশাসন তা অগ্রাহ্য করে বলেন, 'আলোচনা চলবে, নির্মাণ কাজও চলবে'। এছাড়া ছাত্রলীগও উপাচার্য পন্থী শিক্ষকরা হট্টগোল বাধিয়ে দিলে উপাচার্য তড়িঘড়ি করে আলোচনা সমাপ্ত করে দেন। 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সোহের রানা, অধ্যাপক আব্দুল জব্বার হাওলাদার, অধ্যাপক খবির উদ্দিন, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, অধ্যাপক তারেক রেজা, অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন, খন্দকার হাসান মাহমুদ প্রমুখ।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র