Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি
মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, ছবি: বার্তা২৪.কম
ইবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার এ দাবিতে  মাববন্ধন করেন তারা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক ছাত্রী যৌন হয়রানির ঘটনায় মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এসব ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন। 

মানববন্ধনে ‘ধর্ষকদের কোনো জাত নাই, আমরা তাদের ফাঁসি চাই’, ‘নীতি বাক্যের দিন শেষ, রুখে দাড়াও বাংলাদেশ’, ‘ধর্ষকরা জাতির কলঙ্ক, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করুন’ এমন প্রতিবাদী স্লোগান সম্বলিত বিভিন্ন ফেস্টুন ও প্লাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে জড়িতদের শাস্তির দাবি করেন সচেতন শিক্ষার্থীরা।

মাববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘ধর্ষকরা এ দেশ ও জাতির কলঙ্ক। তারা যেন কোন দলের ছত্রছায়ায় থেকে পার না পেয়ে যায়। তারা আমাদের সবার শত্রু। সরকারের প্রতি ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু কারার দাবি জানান বক্তারা। 

আপনার মতামত লিখুন :

বৃক্ষে কাফন পরানো জাবি অধ্যাপক এবার বৃক্ষ কর্তন কমিটির প্রধান! 

বৃক্ষে কাফন পরানো জাবি অধ্যাপক এবার বৃক্ষ কর্তন কমিটির প্রধান! 
মানববন্ধনে অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমান (বৃত্তাকার অংশ)

গাছ কর্তন করার প্রতিবাদে গাছকে কাফনের কাপড় পরানো, জানাযা নামাজ, ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ ও মানববন্ধন করা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধ্যাপক এবার হলেন গাছ কাটা কমিটির প্রধান! 

সময়ের পরিবর্তনে গাছ রক্ষার আন্দোলনে নয় বরং স্বয়ং গাছ কাটা কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন এ অধ্যাপক। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। বৃক্ষ কর্তন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালনা কমিটির প্রধান সেই আলোচিত শিক্ষক হলেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের জন্য নির্ধারিত যায়গা পরিষ্কার করে ফলের বাগান করার উদ্যোগ নেন তৎকালীন হল প্রাধ্যক্ষ ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এ এস এম আবু দায়েন। এ সময় সেখান থেকে একটি ডুমুর গাছ কাটা হয়। পরবর্তীতে ডুমুর গাছ কাটার প্রতিবাদে সেই বছর ৩ জুলাই তৎকালীন হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন অধ্যাপক আতিকুর রহমান। এ সময় অধ্যাপক আতিকুর রহমান কর্তনকৃত ডুমুর গাছ নিয়ে কাফনের কাপড় পরান। পরে সেই গাছ নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ ও মানববন্ধন করেন তিনি। 

তৎকালীন হল প্রাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, হলের যে যায়গায় ডুমুর গাছটি ছিলো সেটি লিজ দেওয়া ছিল। ফলে হল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেন যায়গাটি লিজ মুক্ত করে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ফলগাছ রোপণ করা হবে। পরবর্তীতে জায়গাটি পরিষ্কার করার সময়ে হলের কর্মচারীরা একটি মৃতপ্রায় ডুমুর গাছ কেটে ফেলেন। এ নিয়ে আন্দোলনে নামেন অধ্যাপক আতিকুর রহমান।

এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের এমন দ্বিমুখী আচরণ আমাদের খুব বিব্রত করে। সামনে অপরিকল্পিত ভাবে বৃক্ষ কর্তন করার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। আমরা আশা করি অধ্যাপক আতিকুর রহমান সহ অন্যরা আবারো অপ্রয়োজনীয় বৃক্ষ কর্তন রোধে এগিয়ে আসবেন।’

এ বিষয়ে অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, ‘ডুমুর গাছটি সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ছিল। এছাড়া সেটি ছিল একটি বিলুপ্তপ্রায় গাছ। সমগ্র ক্যাম্পাসে হয়তো তিনটা চারটা ডুমুর গাছ আছে।’

সেসময় গাছ কাটার প্রতিবাদে আন্দোলন করলেও এখন গাছ কাটা কমিটির প্রধান কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, ‘সে সময়ে অকারণে গাছটি কাটা হয়েছিলো। কিন্তু এখন গাছ কাটার পেছনে কারণ আছে। এছাড়া অপ্রয়োজনে আমি একটা গাছের গায়ে হাত দিতে দিবো না।’

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি
শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তী কমানো জন্য আমাদের একাডেমিক কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য কাউন্সিলের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আমাদের এই মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার নেওয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ আলোচনা করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপাচার্যদের মিটিং-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র