Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

স্বর্ণপদক পেলেন ইবি উপাচার্য

স্বর্ণপদক পেলেন ইবি উপাচার্য
স্বর্ণপদক পেলেন ইবি উপাচার্য / ছবি: বার্তা২৪
ইবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চতুর্থ আন্তর্জাতিক ফোকলোর সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগ ও বাংলাদেশ ফোকলোর রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে শনিবার (১৩ এপ্রিল) বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তেন এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী ঐতিহ্য স্বর্ণপদক ও সম্মননা লাভ করেছেন। বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর গবেষণা কেন্দ্র।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসনকেও এই ঐতিহ্য স্বর্ণপদক ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাকে শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে এই পদক ও সম্মাননা দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য ও সাবেক এ মন্ত্রীকে স্বর্ণপদক পরিয়ে দেন রবীদ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক বরুণকুমার চক্রবর্তী। একই সঙ্গে তিনি তাদের হাতে সম্মাননাও তুলে দেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555174239646.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, ‘এ পদক ও সম্মাননা আমার জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। ভবিষ্যতে আমি সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে আরও বড় অবদান রাখার তাগিদ অনুভব করছি। একই সঙ্গে আমাকে সম্মানিত করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ফোকলোর গবেষণা কেন্দ্র প্রতি বছর শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণায় অবদান রাখার জন্য দেশের গুণী ব্যাক্তিদের এ পদক ও সম্মাননা প্রদান করে থাকে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন প্রথম এ পদক ব্যবস্থা চালু করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

দাবি আদায় না হলে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা ঢাবি শিক্ষার্থীদের

দাবি আদায় না হলে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা ঢাবি শিক্ষার্থীদের
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আন্দোলনরত ঢাবরি শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্ত বাতিল করা না হলে শাহবাগমোড় অবরোধসহ লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আন্দোলনের মুখপাত্র ঢাবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ বলেন, ‘আমরা কয়েকদিন যাবত আন্দোলন করে আসলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিন্দুমাত্র পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা শাহবাগমোড় অবরোধ করার পরও তারা আমাদের কাছে আসেনি।’

আরও পড়ুন: শাহবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীদের অবরোধ, তীব্র যানজটের সৃষ্টি

এ সময় লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি আমাদের দাবি মানা না হয়, তাহলে আমরা লাগাতার কর্মসূচি পালন করব। লাগাতার কর্মসূচির মধ্যে থাকবে শাহবাগমোড় অবরোধ, ভিসি কার্যালয় ঘেরাও, ক্লাস পরীক্ষা বর্জন এবং বিক্ষোভ মিছিল।’

এর আগে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা রাজুভাস্কর্যে জড়ো হয়। এরপর তারা সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগমোড়ে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত অবস্থান করে।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো- সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল, দুই মাসের মধ্যে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক ফলাফল ঘোষণা, সকল কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় এবং ক্যাম্পাসে রিকশা ভাড়া নির্ধারণ।

এবার শুধু এমসিকিউ পদ্ধতিতে শাবিপ্রবি’র ভর্তি পরীক্ষা

এবার শুধু এমসিকিউ পদ্ধতিতে শাবিপ্রবি’র ভর্তি পরীক্ষা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সম্মান প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা লিখিত হবে না। আগের নিয়ম অনুযায়ী শুধু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে এই ভর্তি পরীক্ষা হবে।

শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) ১৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে আগামী বছর থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছর সময় কম থাকায় সমন্বিত পরীক্ষায় যাওয়া সম্ভব নয়। তাই শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নেয়।

একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং শেষে উপাচার্য জানান, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আমাদের এই মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলোচনা করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

এদিকে, এমসিকিউ পদ্ধতির পাশাপাশি এ বছর শাবিপ্রবি-তে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে, এমন খবর বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, আমরা এ বছর বিগত বছরগুলোর মত এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেব। আগামীতে সমন্বিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে লিখিত হওয়ারও সম্ভবনা আছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র