Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন ইবি’র তমা

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন ইবি’র তমা
টিএ তমা / ছবি: বার্তা২৪
ইবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প-২০১৯ এ মেয়েদের একক ব্যাডমিন্টন খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্রী টিএ তমা।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় টুর্নামেন্টের অন্যতম ইভেন্ট মেয়েদের একক এ ব্যাডমিন্টন খেলার ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকাস্থ ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মাঠে অনুষ্ঠিত এ খেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন তমা এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিত্ব করেন ক্যামেলিয়া।

খেলায় পয়েন্টের তালিকায় যখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ তখন যবিপ্রবির খেলোয়াড় ক্যামেলিয়া খেলার মধ্যে পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পান। এরপর কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে।

পরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খেলায় হার স্বীকার করে নিয়ে খেলায় ওয়াক ওভার দিয়ে দিলে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই খেলাটি শেষ হয়। এ সময় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ১৫ পয়েন্টে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে থাকায় তাদেরকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, ‘নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আমাদের ক্রীড়াঙ্গণ দুর্বার গতিতে সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। যার আবারও প্রমাণ দিয়েছে তমা। এখন আমাদের লেখাপড়া, খেলাধুলাসহ সবকিছুতে শুধু সামনে এগিয়ে যাবার পালা। আমরা শুদ্ধ ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে বদ্ধপরিকর।’

আপনার মতামত লিখুন :

মার খাইতে অভ্যস্ত, প্রয়োজনে জীবন দেব: ভিপি নুর

মার খাইতে অভ্যস্ত, প্রয়োজনে জীবন দেব: ভিপি নুর
ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে কথা বলছেন ভিপি নুর/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

'মার খাইতে অভ্যস্ত, প্রয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবন দেব'-ছাত্রলীগ কর্মীদের হেনস্থা এবং ধমকের প্রতিবাদে এ মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুর।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ডাকসুর সমাজ সেবা সম্পাদক আকতার হোসেনের উপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ ওঠে। এ হামলার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে মিছিল করে ভিপি নুর। মিছিলের পর অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নুরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এমন সময় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ বেশ কয়েকজন নুরের সঙ্গে সেখানে এসে কথা বলতে যান। ডাকসুর জিএস-এর সঙ্গে কথা চলাকালীন সময়ে ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ কিছু নেতা কর্মী 'নুর তুই পল্টিবাজ', বেয়াদব- এমন স্লোগান দিয়ে হেনস্থা করেন। 

এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে ভিপি নুর বলেন, 'এখানে ডাকসুর  ভিপি, জিএস আছেন না, তারা কথা বলতেছে না? তাহলে তোমাদের সমস্যা কি? মারবে নাকি! মার খাইতে অভ্যস্ত আছি। প্রয়োজনে এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবন দেব।'

তার এ বক্তব্য শুনে ছাত্রলীগ কর্মীরা হাসতে থাকেন। পরে রাব্বানী তাদের থামাতে সচেষ্ট হোন এবং এক পর্যায়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার নুর সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা দেখেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ডাকসুর ভিপি-জিএস‘র সামনে কেমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। এ বিষয়ে অথর্ব প্রশাসনকে বারবার বলেও কোনো প্রতিকার পাইনি। প্রশাসন তাদের লেলিয়ে দিয়ে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে ডাকসু ভিপি

আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে ডাকসু ভিপি
আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে স্লোগান দেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের গেটে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আকতারকে মারধরের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মিছিলের ভিপি নুরুল হক নুরকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, ক্যাম্পাসে হবে না‘, ‘আকতারের উপর হামলা কেন? প্রশাসন জবাব চাই’- বলে ভিপি নিজেই স্লোগান দিচ্ছেন।

মারধরের শিকার আকতার হোসেন বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলাম। ডাকসুর নেতাকর্মীরাও সমর্থন দিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অপরাজেয় বাংলায় সমাবেশ শেষে হঠাৎ রেজিস্ট্রার ভবনের দিকে যান।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877842612.gif

‘সেখানে গিয়ে রাব্বানী ভাই (ডাকসু ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) আমাকে বললেন, তারা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেবে। গেটের তালা খুলতে বললেন। তখন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অপরাগতা প্রকাশ করে। একপর্যায়ে তারা মেয়েদের উপর চড়াও হলে আমি সামনে দাঁড়িয়ে বাধা দিই।’

‘তখন আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবং তালা ভেঙে ফেলে। পরে সেখান থেকে সরে আমি মল চত্বরে আসলে ছাত্রলীগের রাব্বি নামক এক কর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন আমার ওপর হামলা ও মারধর করেন। আমার সহপাঠীরা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।’

এদিকে আকতারের উপর হামলা হয়নি বলে দাবি করে গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আমরা অধিভুক্ত ইস্যুর স্থায়ী সমাধানের জন্য সমাবেশ শেষে উপাচার্য কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়েছি। সেখানে গেট আটকানো দেখে আমরা তাদের সরিয়ে দিয়ে প্রবেশ করেছি। হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র