Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মাছের ছত্রাক ও ভাইরাস প্রতিরোধে বাকৃবির গবেষণা

মাছের ছত্রাক ও ভাইরাস প্রতিরোধে বাকৃবির গবেষণা
ছবি: বার্তা২৪
বাকৃবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে বাংলাদেশে মাছ চাষিদের জন্য কার্পের ছত্রাক ঘটিত পচন রোগ এবং চিংড়ির ভাইরাস ঘটিত সাদা দাগের রোগ আতঙ্কের নাম। অনেক মাছের খামারি তাদের সর্বস্ব হারাচ্ছেন। মাছের এই রোগ দুটি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে গবেষণা করেছেন বাকৃবি অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালাম।

রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ‘আর্থ সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রধান রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এশিয়ান অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন’ শীর্ষক কর্মংশালায় তিনি এ তথ্য জানান।

আবদুস সালাম বলেন, ‘পুকুরে পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, পুকুরে সুস্থ, সবল এবং রোগমুক্ত মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, অ্যান্টিবায়োটিক ও গ্রোথ হরমোন মুক্ত মাছের খাবার প্রয়োগ, পুকুরে ময়লা আবর্জনা ঢুকতে না দেওয়া এবং মাছের স্বাস্থ্য নিয়মিত পরীক্ষা করাসহ প্রভৃতি কাজগুলোর দিকে খেয়াল রাখলে খুব সহজেই রোগ দুটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’

বাকৃবি মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন, বিএফআরআইয়ের পরিচালক ড. মো. নুরুল্লাহ।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউকের সাউথাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ক্রিস্টফার হাউটন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রকল্পের আরেক গবেষক অধ্যাপক ড. এম মাহফুজুল হক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষকদের তথ্য সহায়তার জন্য ‘চিংড়ি’ নামক একটি অ্যাপসের উদ্বোধন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি
শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তী কমানো জন্য আমাদের একাডেমিক কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য কাউন্সিলের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আমাদের এই মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার নেওয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ আলোচনা করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপাচার্যদের মিটিং-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

রাবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে চাঁদা: ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন

রাবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে চাঁদা: ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও জিম্মি করে চাঁদা দাবির ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী এমন ঘটনার শিকার হলে প্রক্টরের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জড়িতদের নাম উল্লেখ করে প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ও ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনও হয়েছে কিন্তু এখনো জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, 'দুর্বৃত্তদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একের পর এক ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মারধরের শিকার হচ্ছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফলে শিক্ষার্থীদের বারবার এসব ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে।'

জানা যায়, গত শুক্রবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ক্যাম্পাসে জন্মদিন পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন। জন্মদিনে তিনি তার এক বান্ধবীকে আসতে বলেছিলেন। কিন্তু তার বান্ধবী জন্মদিন পালন করতে আসতে পারেনি। পরে জন্মদিন পালন শেষে সন্ধ্যায় রুমে আসে নাসির। তার বান্ধবী নাসিরকে জন্মদিনের উপহার দিতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডিতে তার ভাড়া বাসার সামনে যান।

ঠিক ওই সময় নাসির ও তার বান্ধবীকে বাসার সামনে কথা বলতে দেখে রাজু নামের এক স্থানীয় যুবক দুইজনকে জোর করে বাসার ভেতরে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নাসির ও তার বান্ধবীদের কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে নাসির ও তার বান্ধবীকে এক সঙ্গে বসিয়ে রাজু ছবি তোলেন। বিশ হাজার টাকা না দিলে ওই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। এছাড়া নাসিরের বান্ধবীকে রাজুসহ তার তিন বন্ধ কু-প্রস্তাব দেয় বলে নাসির অভিযোগ করেন।

নাসির বলেন, 'আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রক্টরকে বিষয়টি জানানোর পরে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছিলেন। পরে আমি জড়িতদের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার তিনদিন পার হচ্ছে কিন্তু এখনো জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।'

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: রাবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র