Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জবিসাসের সভাপতি হুমায়ুন ও সম্পাদক লতিফ

জবিসাসের সভাপতি হুমায়ুন ও সম্পাদক লতিফ
বাঁ থেকে, জবিসাসের নবনির্বাচিত সভাপতি হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক লতিফুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত
জবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) নির্বাচনে সভাপতি পদে হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক পদে লতিফুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। তারা দুইজন যথাক্রমে দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকালের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রতিনিধি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) ভোট গ্রহণ শেষে দুপুরে সমিতির নয় পদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে, সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সাংবাদিক সমিতির কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হয়।

বাকি সাতটি পদের মধ্যে সহ-সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি রাশেদ হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজকালের প্রতিনিধি ইসমাইল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সাহাদাৎ হোসেন রাহাত, অর্থ সম্পাদক পদে রবিউল আলম, দপ্তর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি এহসানুল মাহবুব জোবায়ের এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে শেয়ার বিজের প্রতিনিধি হারুনুর রশিদ ও ভোরের পাতার প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে নয়টি পদের জন্য ২১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটার ছিলেন ৩১ জন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদ ও নির্বাচন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন সহকারী প্রক্টর মোস্তফা কামাল। দুপুর ৩টার দিকে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে ফলাফল ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

শাবিপ্রবিতে ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট

শাবিপ্রবিতে ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট
ছবি: বার্তা২৪

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) প্রশাসনিক ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে এই বাজেট ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

গতবারের তুলনায় এ বছরের বাজেট ৭.১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত বরাদ্দ দাঁড়ায় ১৩৩ কোটি ৯৬ লাখ। এবছর গবেষণা খাতে ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারের বাজেটে গবেষণা খাতে অনুদান দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা, যা গতবার ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা ছিল।

লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরের মোট ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেটের মধ্যে বেতন, ভাতা ও পেনশন খাতে ৮৬ কোটি ৪৮ লাখ, যা মূল বাজেটের ৬১.৮৯ শতাংশ, এটি গতবার ছিল ৯৩ কোটি ৫ লাখ। এছাড়া সরবরাহ, সেবা ও মেরামত খাতে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ, বিশেষ মূলধন অনুদান ৩ কোটি ৪২ লাখ এবং অন্যান্য অনুদান বাবদ ১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ বাবদ ১০ লাখ, সেমিনার ও কনফারেন্সে ৫০ লাখ টাকা, পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয় ১২ কোটি ১০ লাখ, মেরামত ও সংরক্ষণ বাবদ ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ও কম্পিউটার সফটওয়্যার ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এসময় উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের লাইব্রেরিকে আধুনিকায়ন করা হবে আর তার জন্য ২০ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে রাখা হয়েছে। এই অর্থবছরে ২টি বাস, ১টি মাইক্রোবাস ও ১টি অ্যাম্বুলেন্স ক্রয় করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতের পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন জার্নাল, সাস্ট স্টাডিজ, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, বিভিন্ন কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটি অফিসগুলোকে ই-অফিসের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। বাজেট ঘোষণায় আরো উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, হিসাব পরিচালক আ ন ম জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।

বেরোবির প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের তালা

বেরোবির প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের তালা
৪ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছেন বেরোবির কর্মচারীরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

তিন বছর আট মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ চার দফা দাবি আদায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছেন আন্দোলনরত কর্মচারীরা। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমেরর পাশাপাশি একাডেমিক কার্যক্রমেও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির তৃতীয় দিন সকালে প্রশাসনিক ভবনের দুই গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ নামে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের একটি সংগঠন।

কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় কর্মচারীবান্ধব পদোন্নতি/আপগ্রেডেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন, ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান, ১০ম গ্রেড প্রাপ্ত ২৫ জন কর্মকর্তাকে পদমর্যাদা প্রদান ও মাস্টার রোল কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা অতিকষ্টে চাকরি করছি। কোনো রহস্যজনক কারণে কয়েকজনকে ৪৪ মাস যাবৎ বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি। ২৮৮ জনকে বকেয়া বেতন ভাতা দেওয়া হলেও ৫৮ জন কর্মচারীর বেতন ভাতা আটকে রাখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।’

অন্যদিকে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মাহবুবার রহমান বলেন, 'আমরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন কোনো সহযোগিতা বা আলোচনার ইঙ্গিত না দেওয়ায় আজ বাধ্য হয়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছি। দাবি আদায়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যহত থাকবে।'

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র