Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শোভনের নির্দেশে ভিসি চত্বর ছাড়লেন ছাত্রলীগ কর্মীরা

শোভনের নির্দেশে ভিসি চত্বর ছাড়লেন ছাত্রলীগ কর্মীরা
ঢাবির ভিসি চত্বরে বিক্ষোবরত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের নির্দেশের পাঁচ মিনিটে মধ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে (ভিসি চত্বর) থেকে চলে সরে গেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ছাত্রলীগের একটি অংশ ফল বাতিলের দাবিতে ভিসি চত্বরে অবস্থান নেয়। 

 মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে ভিসি চত্বরে এসে কর্মীদের এই অবস্থান ত্যাগের নির্দেশ দেন রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

এ সময় শোভন বলেন, ‘আমি হেরে গেছি, আমার মধ্যে কি ব্যথা নাই? এমন কিছু করো না, যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দেশের পরিবেশ নষ্ট হয়। যা হয়েছে সেটা মেনে নিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের অভিভাবক, তাদের সাথে বেয়াদবি করতে পারবো না।’ এ সময় কর্মীরা মানবো না বলে স্লোগান দেন।

পরে শোভন বলেন, ‘বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ, তাদের সবাইকে আমাদের দেখে রাখতে হবে; কাউকে পর করে দিলে হবে না। ছাত্রলীগের কর্মীদের মন অনেক বড়।’

তিনি বলেন, ‘আমার একটা জায়গা আছে, ছাত্রলীগের সভাপতি। আমার এই জায়গাটা তোমরা নষ্ট করো না। অনেক সময় বড় কিছুর জন্য নিজেকেও বলি দিতে হয়।‘
এই সময় 'ছাত্রলীগের বিশ্বাসঘাতকদের বিচার চাই' স্লোগান দিতে থাকেন নেতাকর্মীরা।

শোভন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ঠিক রাখতে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। নুরুল আমাদের সাথে থাকবে।‘

তিনি বলেন, ‘আমি নির্দেশ দিচ্ছি, পাঁচ মিনিটের মধ্যে তোমরা ভিসির বাসার সামনের জায়গাটা ছেড়ে দেবে, সবার প্রতি সম্মান রেখে এখান থেকে চলে যাবে।’

পরে বিক্ষোভরত নেতাকর্মীরা ভিসি চত্বর ছেড়ে মিছিল নিয়ে টিএসসির দিকে চলে যান। পরে সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে অবস্থান নেন।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবির পরিবহনে যুক্ত হলো ৫টি নতুন গাড়ি

জাবির পরিবহনে যুক্ত হলো ৫টি নতুন গাড়ি
গাড়ি উদ্বোধন করলেন জাবি উপাচার্য, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবহন ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করতে নতুন করে আরও পাঁচটি গাড়ি যুক্ত করা হয়েছে। পাঁচটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে- দুটি এসি মিনিবাস, একটি নন এসি মিনিবাস, একটি এসি মাইক্রোবাস ও একটি পিকআপ।

জানা যায়, দুটি এসি মিনিবাস ও এসি মাইক্রোবাস শিক্ষকদের পরিবহনে এবং নন এসি মিনিবাসটি শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ব্যবহৃত হবে বলে জানা যায়।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে পরিবহনগুলোর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।

উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, 'আমরা অত্যন্ত খুশি যে, শেষ পর্যন্ত নতুন বাস পেলাম। এর মধ্যদিয়ে আমাদের পরিবহন আরও সমৃদ্ধ হল। যদিও চাহিদার তুলনায় বাসের সংখ্যা এখনো কম। খুব শীঘ্রই আরও কিছু বাস আমরা পরিবহনে সংযোজন করতে পারব।'

গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণে সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপাচার্য আরও বলেন, 'এসব আপনাদের সম্পদ। আমাদের পরিবহন শুধু গাড়িতেই সুন্দর হবে তা নয়। পরিবহন সেবায় নিয়োজিত সকলের আচরণও ভালো হবে আশা করি।'

এদিকে দুই কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে গাড়িগুলো কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ সিটের এসি মিনিবাস দুটি ক্রয়ে এক কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার ও ১৬ সিটের মাইক্রোবাস ক্রয়ে ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া পিকআপ ২৯ লাখ এবং ৩০ সিটের নন এসি মিনিবাস ক্রয়ে ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয়েছে।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক বশির আহমেদ, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক রাশেদা আখতার, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ প্রমুখ।

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে একেরপর এক ঘটতে থাকা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রমৈত্রী।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা রাজাকারদের বিচার করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে চলমান খুনি, ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কেন বিচার করতে পারছি না?

এ সময় তারা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কার্যকরী ভূমিকা পালন করার দাবি জানান।

ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোরশেদ হাবিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সহসভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন, শেখ রাসেল হলের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দফতর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসাইন আজাদসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাতর্মীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র