Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইবি প্রেসক্লাবের নির্বাচন ১২ মার্চ

ইবি প্রেসক্লাবের নির্বাচন ১২ মার্চ
ছবি: সংগৃহীত
ইবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মার্চ (মঙ্গলবার)। এদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টায় পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মোট দুটি পদের বিপরীতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (৮ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে অবস্থিত প্রেস কর্নারে অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জানান, বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় শুক্রবার প্রেসক্লাবের জরুরি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রেসক্লাবের সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১২ মার্চ নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। একইসাথে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হুসাইন রুদ্রের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আসিফ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক শাহাদাৎ তিমির, কোষাধ্যক্ষ সরকার মাসুম, প্রচার সম্পাদক এ আর রাশেদ, সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা।

এদিকে প্রেসক্লাবের নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইবি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) এ কে আজাদ লাভলু। সহকারী নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে আল ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন।

এছাড়া নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ ও প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান।

নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে আজাদ লাভলু বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে এবারও আমরা একটি দ্বায়িত্ববান নেতৃত্ব পাব আশা করছি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

‘স্টেম শিক্ষা হচ্ছে উদ্ভাবন এবং চিন্তার ডাইমেনশন’

‘স্টেম শিক্ষা হচ্ছে উদ্ভাবন এবং চিন্তার ডাইমেনশন’
‘বাংলাদেশ স্টেম (সাইন্স,টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাথামেটিকস) সোসাইটি’ শীর্ষক সেমিনার/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে শিখন-পঠনের নতুন মাধ্যম স্টেম শিক্ষা। এর সহায়তায় এমন এক সুসমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে যাতে তারা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, বাস্তবজ্ঞান, যেকোন কিছুকে ভেঙে তার মূল সমস্যায় পৌঁছাতে পারবে। এজন্য একুশ শতকে স্টেম শিক্ষা অতি জরুরি।

শনিবার (২০ জুলাই) ‘বাংলাদেশ স্টেম (সাইন্স,টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাথামেটিকস) সোসাইটি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

রাজধানীর বাংলাদেশ প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কাউন্সিল ভবনে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ, বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড সায়ফুল ইসলাম, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  ড কামাল উদ্দীন আহমেদ, স্টেম বাংলাদেশের আহবায়ক ড আল নাকীব চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা দীপু মনি থাকার কথা থাকলেও তিনি আসতে পারেননি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, স্টেম শিক্ষা হচ্ছে নতুন উদ্ভাবন এবং চিন্তার ডাইমেনশন। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা যেকোনো কিছুর অ্যানালিটিক্যাল দক্ষতা অর্জন করে ক্রিটিক্যাল ব্যাখ্যা করতে পারবে।

তিনি বলেন, দারিদ্রতা এবং বৈষম্য দূরীকরণে এটি বড় অবদান রাখতে পারবে। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি হবে রিয়েল লাইফ সিচুয়েশন অর্থাৎ বাস্তব পরিস্থিতি বুঝে কি ব্যবস্থা নিতে হবে, সেক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। স্টেমকে স্মার্ট শিক্ষা পদ্ধতি হিসাবেও তিনি মনে করেন।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড সায়ফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে স্টেম শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমাদের জীবনের একটি লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপদ, মানসম্মত, সংঘাতমুক্ত সমাজ ও ভারসাম্য পরিবেশে বসাবস করা। সেজন্য স্টেম শিক্ষা হবে সার্ভাইভাল টেকনিক যেটা প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার কৌশল খুঁজতে মানুষকে সাহায্য করবে। এই সুবিধা  যাতে সবাই পায় সেজন্য আমরা লাইব্রেরির সুযোগ সুবিধা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস ইত্যাদির প্রতি নজর দিচ্ছি।

অনুৃষ্ঠানে লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড জ্যাক হোলব্রুক এবং ড মুহাম্মদ আব হাদী বুনয়ামিন।

 

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলনে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলনে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
শনিবার সকাল থেকেই সম্মেলনে সক্রিয় ছিলেন সুলতান মোঃ ওয়াসি (লাল চিহ্নিত)/ ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে এসে স্ট্রোক করে সুলতান মোঃ ওয়াসি নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তিনি জবির ইংরেজি বিভাগে ১১তম ব্যাচের ২০১৫-২০১৬ সেশনের শিক্ষার্থী।

শনিবার (২০জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুলতান মোঃ ওয়াসিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জবি’র সহকারী প্রক্টর মোস্তফা কামাল বার্তাটোয়োন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘ঐ শিক্ষার্থী হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ন্যাশনাল মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে ইসিজি করে কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন, আমরা তার কোনো পালস পাচ্ছি না। পরে বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়েছিলাম।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সম্মেলনের শুরু থেকে ক্যাম্পাসে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে ওয়াসিকে চলাচল করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করেই সম্মেলন স্থলের মূল মঞ্চের সামনে স্লোগান দিতে দিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওয়াসি। পরে সাথে সাথে তাকে নিয়ে জবি ক্যাম্পাসের পাশেই একটি বেসরকারি মেডিকেলে নেওয়া হয়।

এদিকে ছাত্রলীগের সম্মেলনে এসে শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন ঐ শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা। তারা বলেন, ১১টার সম্মেলন শুরু হয় বিকাল ৩টায়। প্রচণ্ড গরমে অন্তত সাড়ে চার ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে স্লোগান দিতে থাকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ফলে টানা সাত-আট ঘণ্টার গরম সহ্য করতে না পেরে ওয়াসি মৃত্যুবরণ করেছেন।

এদিকে, প্রচণ্ড গরমে জবির ১৩তম ব্যাচের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী রাফিত অসুস্থ হয়ে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র