Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

জবি'র বাসে শ্রমিকদের হামলা, ১০ শিক্ষার্থী আহত

জবি'র বাসে শ্রমিকদের হামলা, ১০ শিক্ষার্থী আহত
হামলায় ভাঙচুর করা বাস, ছবি: বার্তা২৪
জবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ এলাকায় উল্টোপথে শ্রমিকবাহী বাস চলতে নিষেধ করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘নোঙর’ নামের একটি বাস ভাঙচুর ও শিক্ষার্থীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১০জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ১০ শিক্ষার্থীসহ ১ জন শ্রমিক আহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জবির শিক্ষার্থী পরিবাহী নারায়ণগঞ্জগামী বাসটি রূপগঞ্জ এলাকায় জ্যামে আটকা পড়ে। এ সময় ‘জাপান বাংলাদেশ টেক্সটাইল’ নামক একটি গার্মেন্টসের কর্মীবাহী বাস জ্যাম এড়াতে উল্টো পথে যাত্রা শুরু করে। এর প্রতিবাদ জানাতে বেশ কিছু জবি শিক্ষার্থী বাস থেকে নেমে পড়েন এবং উল্টোপথে যেতে নিষেধ করেন।

এ নিয়ে এক পর্যায়ে শ্রমিকদের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন ছাত্ররা। এ সময় জবির বাসে কর্মরত রিয়াজ নামের এক স্টাফকে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ভেতরে নিয়ে যায় শ্রমিকরা। বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির এক পর্যায়ে শ্রমিকরা ছাত্রদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় বাসে বসে থাকা মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপরেও হামলা চালায় তারা। ঘটনার কিছু সময় পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে পুলিশ আসার পরেও জবির বাসটি আটকে রাখে এবং ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। পরে রাত ৯ টার দিকে বাসটিকে ছেড়ে দেয় তারা। এ ঘটনায় জবি শিক্ষার্থী প্রান্ত, রাহাদ, উজ্জ্বল, শান্ত, সৌরভ, উদিতা, শিমলা ও এক গার্মেন্টস শ্রমিকসহ প্রায় ১১ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয় আবদুল মালেক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সময় বাসে থাকা শিক্ষার্থী সাদিয়া রাহা বলেন, 'আমাদের ওপর তারা অন্যায়ভাবে এ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। তাদের আক্রমণ এতটাই হিংস্র ছিল যে বাসে বসে থাকা মেয়েরাও এর থেকে রেহাই পায়নি।'

এ বিষয়ে জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, 'আমরা রূপগঞ্জ থানায় এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। এছাড়াও আগামীকাল প্রক্টর অফিস ও পরিবহন পুলের প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে যাবেন এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।'

আপনার মতামত লিখুন :

শাবিপ্রবিতে ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট

শাবিপ্রবিতে ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট
ছবি: বার্তা২৪

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) প্রশাসনিক ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে এই বাজেট ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

গতবারের তুলনায় এ বছরের বাজেট ৭.১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত বরাদ্দ দাঁড়ায় ১৩৩ কোটি ৯৬ লাখ। এবছর গবেষণা খাতে ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারের বাজেটে গবেষণা খাতে অনুদান দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা, যা গতবার ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা ছিল।

লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরের মোট ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেটের মধ্যে বেতন, ভাতা ও পেনশন খাতে ৮৬ কোটি ৪৮ লাখ, যা মূল বাজেটের ৬১.৮৯ শতাংশ, এটি গতবার ছিল ৯৩ কোটি ৫ লাখ। এছাড়া সরবরাহ, সেবা ও মেরামত খাতে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ, বিশেষ মূলধন অনুদান ৩ কোটি ৪২ লাখ এবং অন্যান্য অনুদান বাবদ ১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ বাবদ ১০ লাখ, সেমিনার ও কনফারেন্সে ৫০ লাখ টাকা, পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয় ১২ কোটি ১০ লাখ, মেরামত ও সংরক্ষণ বাবদ ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ও কম্পিউটার সফটওয়্যার ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এসময় উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের লাইব্রেরিকে আধুনিকায়ন করা হবে আর তার জন্য ২০ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে রাখা হয়েছে। এই অর্থবছরে ২টি বাস, ১টি মাইক্রোবাস ও ১টি অ্যাম্বুলেন্স ক্রয় করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতের পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন জার্নাল, সাস্ট স্টাডিজ, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, বিভিন্ন কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটি অফিসগুলোকে ই-অফিসের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। বাজেট ঘোষণায় আরো উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, হিসাব পরিচালক আ ন ম জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।

বেরোবির প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের তালা

বেরোবির প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের তালা
৪ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছেন বেরোবির কর্মচারীরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

তিন বছর আট মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ চার দফা দাবি আদায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছেন আন্দোলনরত কর্মচারীরা। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমেরর পাশাপাশি একাডেমিক কার্যক্রমেও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির তৃতীয় দিন সকালে প্রশাসনিক ভবনের দুই গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ নামে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের একটি সংগঠন।

কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় কর্মচারীবান্ধব পদোন্নতি/আপগ্রেডেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন, ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান, ১০ম গ্রেড প্রাপ্ত ২৫ জন কর্মকর্তাকে পদমর্যাদা প্রদান ও মাস্টার রোল কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা অতিকষ্টে চাকরি করছি। কোনো রহস্যজনক কারণে কয়েকজনকে ৪৪ মাস যাবৎ বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি। ২৮৮ জনকে বকেয়া বেতন ভাতা দেওয়া হলেও ৫৮ জন কর্মচারীর বেতন ভাতা আটকে রাখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।’

অন্যদিকে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মাহবুবার রহমান বলেন, 'আমরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন কোনো সহযোগিতা বা আলোচনার ইঙ্গিত না দেওয়ায় আজ বাধ্য হয়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছি। দাবি আদায়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যহত থাকবে।'

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র