Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ছাত্র সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে ডাকসু নির্বাচন দিতে হবে

ছাত্র সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে ডাকসু নির্বাচন দিতে হবে
সব ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণে ডাকসু নির্বাচন দিতে হবে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ডাকসু নির্বাচনে সব ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঢাবি কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হলে বহুল প্রত্যাশিত ডাকসু নির্বাচন সাধারণ ছাত্রদের নিকট অর্থবহ ও গ্রহণযোগ্য হবে না। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন (১৯৯১) প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুরু করে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গঠনমূলক রাজনীতি করে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, ঢাবি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক ও যোগাযোগের পরও ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমরাসহ অনেক ছাত্র সংগঠন এখন পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাইনি। আমরা আশাবাদী, ঢাবি কর্তৃপক্ষ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ করতে ডাকসু নির্বাচনে ইশা ছাত্র আন্দোলনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেবে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাইফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে ছাত্রনেতারা আরও বলেন, ২৮ বছর পর আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে মার্চ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। নির্বাচন আয়োজন ইতিবাচক এবং এই নির্বাচন দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও জাতীয় নেতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশাবাদী। ডাকসু নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতো দেশের ছাত্র সমাজের কাছে আগ্রহ ও উৎসবের জায়গা। এই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে সব ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণে ডাকসু নির্বাচন দেওয়া সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন :

শাবিপ্রবিতে ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট

শাবিপ্রবিতে ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট
ছবি: বার্তা২৪

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) প্রশাসনিক ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে এই বাজেট ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

গতবারের তুলনায় এ বছরের বাজেট ৭.১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত বরাদ্দ দাঁড়ায় ১৩৩ কোটি ৯৬ লাখ। এবছর গবেষণা খাতে ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারের বাজেটে গবেষণা খাতে অনুদান দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা, যা গতবার ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা ছিল।

লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরের মোট ১৩৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বাজেটের মধ্যে বেতন, ভাতা ও পেনশন খাতে ৮৬ কোটি ৪৮ লাখ, যা মূল বাজেটের ৬১.৮৯ শতাংশ, এটি গতবার ছিল ৯৩ কোটি ৫ লাখ। এছাড়া সরবরাহ, সেবা ও মেরামত খাতে ৩০ কোটি ৭৯ লাখ, বিশেষ মূলধন অনুদান ৩ কোটি ৪২ লাখ এবং অন্যান্য অনুদান বাবদ ১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ বাবদ ১০ লাখ, সেমিনার ও কনফারেন্সে ৫০ লাখ টাকা, পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয় ১২ কোটি ১০ লাখ, মেরামত ও সংরক্ষণ বাবদ ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ও কম্পিউটার সফটওয়্যার ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এসময় উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের লাইব্রেরিকে আধুনিকায়ন করা হবে আর তার জন্য ২০ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে রাখা হয়েছে। এই অর্থবছরে ২টি বাস, ১টি মাইক্রোবাস ও ১টি অ্যাম্বুলেন্স ক্রয় করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতের পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন জার্নাল, সাস্ট স্টাডিজ, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, বিভিন্ন কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটি অফিসগুলোকে ই-অফিসের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। বাজেট ঘোষণায় আরো উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, হিসাব পরিচালক আ ন ম জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।

বেরোবির প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের তালা

বেরোবির প্রশাসনিক ভবনে কর্মচারীদের তালা
৪ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছেন বেরোবির কর্মচারীরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

তিন বছর আট মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ চার দফা দাবি আদায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছেন আন্দোলনরত কর্মচারীরা। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমেরর পাশাপাশি একাডেমিক কার্যক্রমেও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির তৃতীয় দিন সকালে প্রশাসনিক ভবনের দুই গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ নামে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের একটি সংগঠন।

কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় কর্মচারীবান্ধব পদোন্নতি/আপগ্রেডেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন, ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান, ১০ম গ্রেড প্রাপ্ত ২৫ জন কর্মকর্তাকে পদমর্যাদা প্রদান ও মাস্টার রোল কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমরা অতিকষ্টে চাকরি করছি। কোনো রহস্যজনক কারণে কয়েকজনকে ৪৪ মাস যাবৎ বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি। ২৮৮ জনকে বকেয়া বেতন ভাতা দেওয়া হলেও ৫৮ জন কর্মচারীর বেতন ভাতা আটকে রাখা হয়েছে।’

এ বিষয়ে কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।’

অন্যদিকে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মাহবুবার রহমান বলেন, 'আমরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন কোনো সহযোগিতা বা আলোচনার ইঙ্গিত না দেওয়ায় আজ বাধ্য হয়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছি। দাবি আদায়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যহত থাকবে।'

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র