Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, রাজনীতিতে ডাকসু নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন হলে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এর একটি প্রভাব পড়ত। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও তাহলে ডাকসুর নির্বাচনের উদ্যোগ নিত। তাই আমি কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানাই।

শনিবার (০৬ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলরের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্রামে একটা কথা আছে গরীবের বউ সবার ভাবী। রাজনীতিটাও তেমন। যে ইচ্ছা রাজনীতিতে যখন খুশী আসতে পারে। এখন একজন সরকারি কর্মকর্তা চাকরি শেষে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে। শুধু তাই না  শিক্ষকসহ অনেকেই চাকরি জীবন শেষে রাজনীতিতে যোগ দেয়। ব্যবসায়ীরাও রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে। এই কারণেই রাজনীতির কোন উন্নতি হচ্ছে না।

তিনি বলেন, স্কুল না হয় বাদই দিলাম। অন্তত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন মানুষ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে চলেফেরা করবে না, রাজনীতি বুঝবে না। তাহলে কিভাবে রাজনীতি করবে। এখন অনেককে আবার জনগণ স্যার বলে না ডাকলে মাইন্ড করে। এভাবে কি রাজনীতির উন্নতি হবে।

এ সময় আব্দুল হামিদ সমাবর্তনে উপস্থিত গ্র্যাজুয়েটদের সামনে মজা করে বলেন, ‘সম্প্রতি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশে এসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিয়ম অনুযায়ী তার বঙ্গভবনেও আসার কথা ছিল। আমিও সেই জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। একদিন আগে আমি আমার বউরে কইছিলাম প্রিয়াঙ্কা দেখা করতে আসতাছে। পরে শুনছি সে (স্বারাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী) নাকি প্রধানমন্ত্রীরে ফোন কইরা বলছে, প্রিয়াঙ্কা বঙ্গভবনে না আসলে কি হয় না। এরপর তার বঙ্গভবনে আসা ক্যানসেল হইল। এরপর পত্রিকায় দেখলাম, সে নাকি নিক নামের এক গায়ককে বিয়ে করছে। নিক তো প্রিয়াঙ্কার চাইতে ১০ বছরের ছোট। সে যদি বিয়ের জন্য ১০ বছর ছোট কাউরে পছন্দ করতে পারে, তাইলে ইচ্ছা করলে তো সে ৩০ থেরে ৩৫ বছর উপরেও উঠতে পারত। তাইলে তো আর তারে সাত সাগর পাড়ি দিয়া আমেরিকা যাওয়া লাগত না।’  

আপনার মতামত লিখুন :

আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে ডাকসু ভিপি

আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে ডাকসু ভিপি
আকতারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মিছিলে স্লোগান দেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের গেটে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আকতারকে মারধরের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মিছিলের ভিপি নুরুল হক নুরকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, ক্যাম্পাসে হবে না‘, ‘আকতারের উপর হামলা কেন? প্রশাসন জবাব চাই’- বলে ভিপি নিজেই স্লোগান দিচ্ছেন।

মারধরের শিকার আকতার হোসেন বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলাম। ডাকসুর নেতাকর্মীরাও সমর্থন দিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অপরাজেয় বাংলায় সমাবেশ শেষে হঠাৎ রেজিস্ট্রার ভবনের দিকে যান।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877842612.gif

‘সেখানে গিয়ে রাব্বানী ভাই (ডাকসু ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) আমাকে বললেন, তারা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেবে। গেটের তালা খুলতে বললেন। তখন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অপরাগতা প্রকাশ করে। একপর্যায়ে তারা মেয়েদের উপর চড়াও হলে আমি সামনে দাঁড়িয়ে বাধা দিই।’

‘তখন আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবং তালা ভেঙে ফেলে। পরে সেখান থেকে সরে আমি মল চত্বরে আসলে ছাত্রলীগের রাব্বি নামক এক কর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন আমার ওপর হামলা ও মারধর করেন। আমার সহপাঠীরা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।’

এদিকে আকতারের উপর হামলা হয়নি বলে দাবি করে গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আমরা অধিভুক্ত ইস্যুর স্থায়ী সমাধানের জন্য সমাবেশ শেষে উপাচার্য কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়েছি। সেখানে গেট আটকানো দেখে আমরা তাদের সরিয়ে দিয়ে প্রবেশ করেছি। হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

জাবির অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

জাবির অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের
অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবিতে জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের মিছিল/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজকে অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ, স্বেচ্ছাচারিতামূলক আখ্যা দিয়ে তা বন্ধের দাবিতে মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বেলা ১২টায় উন্নয়ন কাজ বন্ধের দাবিতে মিছিল করে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়ে সমাজ বিজ্ঞান, অমর একুশ, শহীদ মিনার, প্রশাসনিক ভবন ও বটতলা হয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে যেয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার বলেন, ‘অনেকে কৌশলে আমাদেরকে উন্নয়ন বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছে। কিন্তু স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা হল নির্মাণে কাউকে বাঁধা দিচ্ছি না। হল নির্মাণ হোক কিন্তু সেটা পরিকল্পিতভাবে।’

অধ্যাপক মানস চৌধুরী বলেন, ‘এই কাজ চলছে এক হাজার ৪০০ কোটি টাকার ম্যাজিকে। এর সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৃতি ধ্বংস করার প্রসঙ্গটা গত ২০ বছর থেকে চলে আসছে। ৬০০ একরের ক্যাম্পাসে এভাবে এক জায়গায় কেন এতগুলো হল তৈরি করা হচ্ছে? এই মাস্টারপ্ল্যান টাকা খাওয়ার পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।’

এদিকে উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা বিবেচনা করেই মহাপরিকল্পনা করা হয়েছে। হয় উন্নয়ন কাজ চলমান রাখব, অথবা চেয়ার ছেড়ে দিয়ে চলে যাব।’

এর আগে গত ৩০ জুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজের জন্য পাঁচটি হল নির্মাণের কাজের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

এরপর উন্নয়ন কাজকে অপরিকল্পিত আখ্যা দিয়ে আন্দোলনে নামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে সংহতি জানায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখা ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। পরে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে অপরিকল্পিত হল নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন নামেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র