Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন হাজার, মৃত ৮

পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন হাজার, মৃত ৮
কলকাতা করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
কলকাতা


  • Font increase
  • Font Decrease

জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ও রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গবাসী বৃষ্টির জন্য হাপিত্যেশ করছিলেন। তখনও ১১ কোটির বাস পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ছয়শোর মতো। জোরালো বৃষ্টি শুরু হয়েছে আগস্ট থেকে। আর তাতেই কেল্লাফতে। বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। এক মাসেরও কম সময়ে সংখ্যাটা ৬০০ ছাড়িয়ে একলাফে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন হাজারের বেশি। শনিবার (১০ আগষ্ট) রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যূ হয়েছে আটজন। কিছুদিন আগেও যা ছিল না। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবরটি জানা গিয়েছে।

তবে এই তিন হাজার আক্রান্তের বেশির ভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত উত্তর ২৪পরগনা জেলার হাবড়া অঞ্চলে। মৃতদের তালিকাতেও হাবড়ার বাসিন্দারাই রয়েছেন। এতে হাবড়া নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ যে বাড়ছে, তাতে দ্বিধা নেই। পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করতে পেরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী হাবড়ার পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় খোজখবর নিচ্ছেন। তাঁর নির্দেশে পরিস্থিতির মোকাবিলায় এলাকায় বাড়তি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টা নিয়ে ১৪ আগস্ট রাজ্যের প্রশাসন ভবন নবান্নে ডেঙ্গু নিয়ে মুখ্যসচিব মলয় দের নেতৃত্বাধীন সরকারের সর্বোচ্চ কমিটি বৈঠকে বসবে। দপ্তরের পদস্থ কর্তারাও আশবাদী, যে হাবড়ার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আগামী কদিনের মধ্যেই কমতে শুরু করবে। কারণ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সেখানে ডেঙ্গু তার ভয়াবহ চেহারা যা দেখানোর ইতিমধ্যেই দেখিয়ে দিয়েছে। এর বাইরে আর মহামারী আকার ধারণ করতে পারবে না। ফলে আশাবাদী আর আক্রান্তে সংখ্যা বাড়বে না।

রাজ্য দপ্তর সূত্রের খবর, রাজ্যে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে কমবেশি দুই হাজার জনই উত্তর ২৪পরগনার হাবড়ার বাসিন্দা। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে তারপরই আছে দক্ষিণ ২৪পরগনা। সেখানে মোট আক্রান্ত প্রায় তিনশো। তিন নম্বরে আছে হাওড়া জেলা।

কলকাতা করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের কথা মতে, ‘বৃষ্টি বাড়লে এবং পানি জমলে ডেঙ্গু বাড়বে। সরকারের সমালোচনা হবে। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্যকর্তাদের তারই মধ্যে কাজ করে যেতে হবে। এতে নতুনত্ব কোনো নেই। একটা এডিস মশার ডিম তিনবছর অব্দী একটিভ থাকতে পারে। পানি স্পর্শ পেলেই ডিমগুলো জীবিত হয়ে ওঠে।

তবে সব এডিস মশা ডেঙ্গু বহনকারী নয়। যেসব মশা রোগ বহন করে সেই সব এডিস মশার ডিম, লার্ভায় পরিণত হলেই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তবে আমরা কোনো সময় বলিনি ডেঙ্গু নির্মুল করেতে পেরেছি। আমরা বলেছি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে আনতে পেরেছি। রাজ্যের তিনটি জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে তা কয়েকদিনের মধ্যেই নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে।’ 

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র