Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

জমে উঠেছে দাদাগিরি সিজন আট

জমে উঠেছে দাদাগিরি সিজন আট
জি বাংলার দাদাগিরি অনুষ্ঠানে সৌরভ গাঙ্গুলি ও তার টিম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
কলকাতা


  • Font increase
  • Font Decrease

২২ গজের রণাঙ্গন থেকে শুরু করে ছোটপর্দায় দাদাগিরির মত তুখোড় সঞ্চালনা একমাত্র করতে পারেন  দাদা। যিনি সাত থেকে সাতানব্বই আপামর বাঙালির দাদা। সেই সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় টানা ১০ বছর ধরে পরপর সাতটি সিজন সুপার হিট। এবার চলতি বছরের ৩ আগষ্ট থেকে জি বাংলার পর্দায় প্রতিবারের মতোই শনি আর রোববার সময় রাত দশটায় হচ্ছে 'দাদাগিরি' সিজন আট।

সৌরভের কথায়, এবারের 'দাদাগিরি' বদলে দেবে আগামী দিনগুলো। তাই এবারের সিজনের ট্যাগলাইন 'দিন বদলের পালা'। মানুষ কীভাবে তার নিজের কাজ দিয়ে বদলে দিতে পারে নিজের এবং সবার জীবন, সেটাই দেখাবে এবারের 'দাদাগিরি'। যদিও ক্যামেরার পেছনে, পর্দার নেপথ্যে থাকেন আরেক দাদা। সফল রিয়েলিটি শো পরিচালক শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।

মাত্র দুটি এপিসোড হয়েছে। তাতেই জমে উঠেছে শো। দাদার কথায়, টানা ছয়মাস ধরে চলবে সিজন আট। এবারে দুটি নতুন বিভাগ থাকছে খেলায়। 'ক্যাপ্টেন স্কোয়াড' আর 'দুসরা'। দাদার কথায়, ক্রিকেটের মাঠে দুসরা খুব শক্ত হলেও দাদাগিরি মঞ্চে 'দুসরা' সহজ, 'গুগলি'র থেকে। অংশগ্রহণকারীদের কথা ভেবেই এই পরিবর্তন। তবে দাদার পছন্দ 'গুগলি'। একই সঙ্গে দাদার দাবি, 'শো-এর মধ্যে মজার উপকরণ প্রচুর।

এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে দাদা বলেন, যারা এই শোতে একবার আসেন তারা এতটাই জনপ্রিয় হয়ে যান যে, গ্রামে বা পাড়ায় ফিরে রীতিমতো দাদাগিরি দেখান। এক শিক্ষক গতবারের সিজনে খেলতে এসেছিলেন। কলেজে পড়াতে গিয়ে তাজমহলের অবস্থান ভুল বলেছিলেন। তাই নিয়ে তাঁকে ভীষণ খ্যাপাত কলেজের ছাত্ররা। তিনি দাদাগিরিতে শো জিতে, শোতে দাড়িয়ে কলেজের ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ঠাট্টার ছলে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এবার আসিস সামনে আর একটাও কথা বলবি না। কারণ, আমি কিন্তু দাদাগিরিতে সব প্রশ্নের ঠিক উত্তর দিয়ে জিতে ফিরছি।’

এই দাদাগিরি অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হওয়ার পর শো যেমনি সুপার হিট তেমনি শো সঞ্চালনা করাটা বেশ উপভোগ করেন দাদা। সাংবাদিকদের সামনে এমটাই বললেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক তথা কলকাতার মহারাজা সৌরভ গাঙ্গুলি।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র