Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

শেষ দফার ভোটে কলকাতায় আসছেন বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল

শেষ দফার ভোটে কলকাতায় আসছেন বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল
ভারতের নির্বাচন কমিশন ভবন, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের ১৭ তম লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফার ভোট আগামী ১৯মে। বৃহত্তম গণতন্ত্রের তথা লোকতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসবে, বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধিদের নির্বাচন দেখার সমস্ত ব্যবস্থা করেছেন ভারতের নির্বাচন কমিশন৷

রাজ্যের ঈদ বা দুর্গাপূজো দেখতে হামেশাই বাংলাদেশ থেকে হাজির হন প্রচুর মানুষ। তবে চাক্ষুষ ভোট দেখতে এই প্রথম উদ্যোগী বাংলাদেশ। কীভাবে চলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া? কীভাবেইবা হয় আয়োজন। কেমনে সাধন হয় এত বড় কর্মযজ্ঞ। সেই সমস্তই খতিয়ে দেখতেই রাজ্যে আসছেন ওই প্রতিনিধিরা৷

এর আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে এই ইচ্ছের কথা জানিয়ে আবেদন করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সেই আবেদনে সাড়া দেয়।

১৯ মে শেষ দফার ভোট দেখতে এ রাজ্যেই আসছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। তবে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে তারা কোথাও যাবেন না। বিশেষ করে ওইদিন গোটা কলকাতার ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জায়গায় ভোট প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখবেন তারা। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের ভোট দেখানোর ব্যবস্থা করবে চিফ ইলেকটোরাল অফিসার অর্থাৎ সিইও দফতর।

সম্প্রতি বাংলাদেশের শেষ হওয়া জাতীয় নির্বাচনে কয়েকটি বুথে ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু ভারতের গোটা ভোট প্রক্রিয়া ইভিএম-এ হয়। তাই ভারতের ভোটপর্ব খুঁটিয়ে দেখতে চায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল৷ হাতে কলমে ভারতের ভোট প্রক্রিয়া দেখার পর নিজেদের দেশে তা পর্যালোচনা করে সেই মতো ভবিষ্যতে ব্যবস্থা নিতে পারে বাংলাদেশ৷ সে কারণেই তারা আসছেন। এমনই জানা গেছে ভারতের নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র