Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভারতে বায়ুদূষণে ১২ লাখের মৃত্যু, মানতে নারাজ মন্ত্রী

ভারতে বায়ুদূষণে ১২ লাখের মৃত্যু, মানতে নারাজ মন্ত্রী
ভারতে বায়ুদূষণ, ছবি: সংগৃহীত
কলকাতা ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতে বায়ুদূষণের কারণে শুধু ২০১৭ সালেই ১২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গ্রিনপিস।

এর আগে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি জাকার্তায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। তাতে বিশ্বের দূষণ মানচিত্রে ভারতকেই প্রথমস্থান দেওয়া হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ১০টি শহরের মধ্যে সাতটিই রয়েছে ভারতে। সেখানে দিল্লিকে বিশ্বের দূষিত শহরগুলির তালিকার একেবারে শীর্ষে রাখা হয়েছিল।

এরপর মৃত্যুর রিপোর্ট সামনে এল। যদিও, ২০১৭ সালেই ১২ লাখ মানুষের মৃত্যুর রিপোর্ট মানতে রাজি নন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ওই রিপোর্টের গ্রহণ যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়াতেই এই ধরনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।

চলতি সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে এবারও দিল্লির চাঁদনি চক কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন হর্ষ বর্ধন। দিল্লিতে বায়ুদূষণের মাত্রা কমাতে আপ (আম আদমি পার্টি) সরকার যে ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে, সেটিকে সমর্থন জানিয়েই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, 'বায়ুদূষণ কমাতে আমরা সার্বিকভাবে চেষ্টা করছি। ঠিকই কিন্তু রিপোর্টে যে মৃত্যুর পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি একমত নই। মানছি বায়ুদূষণ শরীরের উপর প্রভাব ফেলে। তবে ২০১৭ সালে, ভারতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলা এবং উদ্বেগের পরিবেশ সৃষ্টি করার সঙ্গে আমি একমত হতে পারছি না।'

তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংস্থা গ্রিনপিস তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, ২০১৭ সালে ভারতে প্রায় ১২ লাখ মানুষের দূষণের কারণে মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে এগিয়ে দিল্লি। তবে মন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের দাবি, দিল্লির সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারও জোর কদমে প্রচার অভিযান চালিয়ে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী বলেন, 'কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ৬০টি দলকে পাঠিয়ে দিল্লির বায়ুদূষণের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও অন্তত দুবার কেন্দ্র সরকার উদ্যোগে লাগাতার ১৫ থেকে ২০ দিন দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

কলকাতায় নিহত ২ বাংলাদেশির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেবে রাত ২টায়

কলকাতায় নিহত ২ বাংলাদেশির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেবে রাত ২টায়
নিহত দুই বাংলাদেশির পাসপোর্টের ছবি

কলকাতায় গাড়িচাপায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ সড়ক পথে অ্যাম্বুলেন্সে করে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রওনা দেবে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইকবাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে সড়ক পথে মরদেহ দুটি ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক দপ্তরের সাথেই যোগাযোগ করে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এ বিষয়ে সব রকম সহযোগিতা করছে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় গাড়িচাপায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, ঘাতক গ্রেফতার

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে কলকাতার শেক্সপিয়র সরণিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হন। তারা হলেন— মহম্মদ মইনুল আলম (৩৬) ও ফারহানা ইসলাম তানিয়া (৩০)। প্রথম জনের বাড়ি বাংলাদেশের ঝিনাইদহে। অন্য জনের বাড়ি ঢাকার মোহাম্মদপুরে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) ঘাতক গাড়ির চালককে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র