Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

৫ম দফার ভোট শুরু, ভাগ্য নির্ধারণ রাহুল, সোনিয়া, রাজনাথের

৫ম দফার ভোট শুরু, ভাগ্য নির্ধারণ রাহুল, সোনিয়া, রাজনাথের
ছবি: সংগৃহীত
কলকাতা ডেস্ক
বার্তা২৪.কম
কলকাতা


  • Font increase
  • Font Decrease

আঁটসাঁট নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সোমবার (৬ মে) লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় ভারতের সাতটি রাজ্যের ৫১টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাত আসন বনগাঁ, বারাকপুর, উলবেরিয়া, হুগলি, শ্রীরামপুর, হাওড়া ও আরামবাগে ভোট চলছে।

এছাড়া ভারতের উত্তরপ্রদেশের ১৪টি, রাজস্থানের ১২টি, মধ্যপ্রদেশের সাতটি, বিহারের পাঁচটি, ঝাড়খন্ডের চারটি ও জম্মু-কাশ্মীরের দু’টি আসনে ভোট শুরু হয়েছে। এই সাত রাজ্যের মোট ৫১টি আসনে ৬৭৪ জন প্রার্থীর ভাগ্য গণনা হবে।

এর মধ্যে সবার চোখ থাকবে উত্তরপ্রদেশের আমেঠির প্রার্থী কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি, রায়বরেলি কেন্দ্রের কংগ্রেস জোট ইউপিএ চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী, লখনউ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রমুখ। পাশাপাশি আজই ভাগ্য নির্ধারণ হবে কেন্দ্রর ক্রীড়ামন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর ও সমাজবাদী পার্টির পুনম সিনহার।

এছাড়া পঞ্চম দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় সাত কেন্দ্রে ভোট শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলছে বনগাঁ, বারাকপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, হুগলি, শ্রীরামপুর ও আরামবাগ কেন্দ্রে। এই সাত কেন্দ্রে ভোট অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাই এখন চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের সামনে। অপরদিকে ক্ষমতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও মমতার সামনে। রাজ্যে ভোটে মূল লড়াই হবে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, বামদল ও কংগ্রেসের মধ্যে।

মোট ১৩ লাখ ২৯০টি পোলিং বুথে জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ৫২৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী। এদিন সকাল ৭টা থেকেই সাত কেন্দ্রে ভোট শুরু হয়ে গেছে। ভোট চলবে বিকেল পাঁচটা অব্দী।

সাতটি রাজ্যের মোট ৫১টি কেন্দ্রে প্রায় নয় কোটি ভোটার আজ ভোট দিচ্ছেন। ২০১৪ সালে এই ৫১টি আসনের মধ্যে ৪০টিতে জয় পেয়েছিল কেন্দ্রের বর্তমান শাসক দল বিজেপি। কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র দু’টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল সাতটি।

২৩ মে জানা যাবে পঞ্চম দফার ৫১টি আসনে ফলাফলের দিন কী উঠে আসে। অপরদিকে সোমবারই ষষ্ঠদফার প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জনসভা আছে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দোপাধ্যায়েরও।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র