Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী অমর পাল আর নেই

বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী অমর পাল আর নেই
সঙ্গীতশিল্পী অমর পাল/ছবি: সংগৃহীত
কলকাতা ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

থেমে গেল সুর। শেষ হয়ে গেল আরও একটি অধ্যায়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী অমর পাল।

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৯৭ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি শিল্পী।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সঙ্গীত চর্চায় নিমগ্ন ছিলেন। জানা গেছে, শনিবার সকালেও শিক্ষার্থীদের তালিম দিয়েছেন অমর পাল। রেয়াজের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। বিকেলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

অমর পাল শুধু গায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রবাদপ্রতিম সুরকার। জন্ম হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২ মে, বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

সত্যজিৎ রায়ের ছবিতেও কাজ করেছিলেন তিনি। হীরক রাজার দেশে ছবিটির ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’ গানটি খুবই জনপ্রিয়। লোকগানের প্রতিও তিনি প্রবল আগ্রহী ছিলেন। চিরকালই লোকগীতি নিয়ে গবেষণা করে গেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা
এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক

সাবেক রাষ্ট্রপতি  ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

রোববার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আজ সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর৷ কোচবিহারের বাসিন্দা মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আমার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল।

প্রয়াত এরশাদ বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন ৷  তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।

শোকবার্তায় মূখ্যমন্ত্রী এরশাদের পরিবার-পরিজন ও  অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়
বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল দেয়া হয় এই মেলায়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কলকাতায় সম্পন্ন হলো তিন দিনব্যাপী ৩১তম ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার।

রোববার (১৪ জুলাই) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত মেলায় ভিন্ন স্বাদের পর্যটনের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছিলো বাংলাদেশ।   

দেশটির মিনিস্ট্রি অফ সিভিল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজমের ডেপুটি সেক্রেটারি অঞ্জনা খান মজলিস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, এখানকার বেশিরভাগ মানুষ বাংলাদেশ সম্বন্ধে সেভাবে জানেন না। বাংলাদেশে দর্শনীয় স্থান কি কি আছে বা কোথায় কোথায় ঘোরা যায়, সেই বিষয়গুলো আমারা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের কালচার যেমন ভাষা আন্দোলন, নববর্ষ উদযাপন এমনকি আমাদের ইলিশ এসব বিষয়ে কলকাতার মানুষ আগ্রহ বোধ করছে। জানার পর প্ল্যানিং করছে কি ভাবে আসবে বাংলাদেশে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102301190.jpg
বাংলাদেশকে আরও কাছে থেকে জানতে অনেকে ঘুরতে আসতে চেয়েছেন 

 

এখানে ১২ জন ট্যুর অপারেটর এসেছে আমরা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি। পাশাপাশি এখানকার বেশিরভাগ মানুষের শেকড় বাংলাদেশে, ফলে অনেকের পৈতৃক ভিটে আছে দেশে। তারা বাংলাদেশকে যেমন দেখতে চায় সঙ্গে নিজেদের জন্মস্থানও দেখতে চায়। সেই ভাবেই আমাদের প্যাকেজগুলো করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে অনেকে। ভালো লাগছে, বেশ সাড়া পাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বাংলাদেশের প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছিল দিনাজপুরের বিখ্যাত কান্তজীর মন্দিরের আদলে। প্যাভিলিয়নে ১১টি বেসরকারি স্টল ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল স্থান পেয়েছিল। পর্যটন মেলায় কলকাতাবাসীর কাছে আকর্ষণীয় বিষয় হলো একই ভাষায়, একই গন্ধে বিদেশ ভ্রমণ। বুকিংও পেয়েছে প্রচুর। পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে ভারতে আসার পর  নতুন প্রজন্মকে সেই স্বাদ পাওয়ানোর ইচ্ছা অনেকের থাকলেও, সহযোগিতা পাচ্ছিলো না। সেই সুবিধা করে দিল বাংলাদেশ থেকে আসা ট্যুর কোম্পানিগুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102319331.jpg
বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয় কলকাতাবাসীর কাছে 

 

শুক্রবার (১২ জুলাই) মেলা শুরু হয়ে শেষ হয় রোববার (১৪ জুলাই)। এবারের মেলায় ৪৩০টি স্টলে ভারতের ২৮টি রাজ্য এবং ১৪টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। কলকাতাবাসীর কাছে বাংলাদেশ এক আবেগের বিষয়। সে কারণেই বাংলাদেশ সম্বন্ধে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খোজ খবর নিচ্ছেন অনেকেই। অনেকে প্লানও করে নিয়েছে এবার পুজোর ছুটির ডেসটিনেশন বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র