Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় ভোট

দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় ভোট
ছবি: সংগৃহীত
কলকাতা ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চলছে দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। রাজ্যে এই পর্বে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) চলছে ভোট গ্রহণ। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।  

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে জলপাইগুড়ি তৃণমূলের, দার্জিলিং বিজেপির এবং রায়গঞ্জ সিপিএমের দখলে ছিল। এই তিন কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে দার্জিলিং কেন্দ্রের দিকেই। কারণ সাম্প্রতিককালে পাহাড়ে অশান্তি এবং প্রথমবারা বিমল গুরুংকে ছাড়া পাহাড়ে ভোট হচ্ছে। এই বিমল গুরুংই এক সময় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সাথে ছিলেন এবং এক সময় যাকে বলা হতো পাহাড়ের সুপ্রিমো।

বিমলপন্থীরা এবার সমর্থন করছে বিজেপিকে। যদিও গুরুং প্রশাসনের ভয়ে পাহাড়ে নেই। পাশাপাশি পাহাড় থেকে বিনয় তামাংপন্থী মোর্চা নেতা অমর সিং রাই এবার তৃণমূলের টিকিটে লড়ছেন। দার্জিলিং দখলে তৃণমূল মরিয়া।

দার্জিলিং আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারন হবে। প্রার্থীতালিকা দীর্ঘ হওয়ায় দার্জিলিংয়ে এক হাজার ৮৯৯টি বুথে দু’টি করে ইভিএম থাকবে। পাহাড় ও সমতল মিলিয়ে এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৬ লাখ ৫৬৪ জন। মোট ভোটকর্মী ৭০৬৫ জন। এর মধ্যে মহিলা ভোটকর্মী ৩০০ জন। এই কেন্দ্রটিতে ৭৭০০ কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী থাকছে। এখানকার ৮০ শতাংশ বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বছর দু’য়েক আগে পাহাড়ের উত্তপ্ত পরিবেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই কেন্দ্রের উপর নির্বাচন কমিশনের আলাদা নজর রয়েছে। তবে বিমল গুরুং এলাকায় ঢুকতে না পারায় বিজেপি এই কেন্দ্র কতটা দখলে রাখতে পারে, সেটাই দেখার। ভৌগোলিক কারণেও দার্জিলিংয়ের উপর বিশেষ নজর রয়েছে নির্বাচনে কমিশনের।

এর পাশ্বর্বর্তী জেলা জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৬৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে ৩৫৪টি স্পর্শকাতর বুথ। মোট ১২ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। এই কেন্দ্রে মোট ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৮৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এই কেন্দ্রে রয়েছে মোট চার হাজার ৪০০ কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী।

তবে সব থেকে বেশি নির্বাচনী উত্তাপ রয়েছে রায়গঞ্জে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে চতুরমুখী লড়াই হচ্ছে। সিপিএমের মহম্মদ সেলিম তার আসন ধরে রাখতে যেমন মরিয়া, তেমনি কংগ্রেসের দীপা দাশমুন্সি আসন পুনরুদ্ধার করতে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে রাজি নন। সে কারণেই এই নির্বাচনে বাম কংগ্রেসের জোট হয়নি। একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে। এরই মধ্যে তৃণমূল আসনটি নিজেদের দখলে আনতে কোমর বেঁধে নেমেছে তারাও। তাদের প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তার সমর্থন করেই বাংলাদেশি তারকা ফেরদৌস আহমেদ সমস্যায় পড়েন। বিজেপির প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরী। চারটি দলের রাজনৈতিক লড়াইয়ে জমজমাট রায়গঞ্জ।

রায়গঞ্জ কেন্দ্রে মোট প্রার্থী ১৪ জন। মোট ভোটার ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৮ জন। সাত হাজার ৭০৯ জন ভোটকর্মী ১৬২৩টি বুথে ভোটগ্রহণের কাজে নিযুক্ত রয়েছে। রয়েছে ১৭টি মহিলা পরিচালিত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র। থাকছে দুই হাজার ১২৯টি ইভিএম। থাকছে মোট ছয় হাজার ৪০০ কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী। এছাড়া তিন কেন্দ্রে ওয়েবকাস্টিং, সিসিটিভি, ভিডিওগ্রাফির ব্যবস্থা থাকছে। আছে মাইক্রো অবজারভার।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র