Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

কলকাতায় পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ

কলকাতায় পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ
নানা আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করছে কলকাতার বাঙালিরা, ছবি: বার্তা২৪.কম
কলকাতা করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করল কলকাতার বাঙালিরা। রবিবার বাংলাদেশে নববর্ষ পালন হলেও কলকাতায় পালন করা হয় সোমবার।

 

পশ্চিমবাংলার বর্ষ পঞ্জিকা অনুযায়ী সোমবারই ছিল পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরকে বরণ করতে কলকাতার পরিবেশ ছিল আনন্দ মুখর। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে, বিভিন্ন ভাষাভাষির মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করে। ১৪২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে বরণ করে নেয় ১৪২৬কে।

পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে সম্প্রীতির ডাক নিয়ে শুরু হয় বাংলা নতুন বছর। নববর্ষ ১৪২৬-কে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই তাই নানা অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রায় মেতে উঠে কলকাতা থেকে শুরু করে রাজ্যের সব জেলা।

কলকাতায় সকাল ৮টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করল কলকাতার বাঙালিরাথেকে ভাষাও চেতনা সমিতিসহ আরও কয়েকটি সংগঠনের মিছিল রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত যায়। এই মিছিলের মূল বক্তব্য ছিল ‘ধর্ম যার যার, দেশ সবার’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/15/1555329109804.JPG

 

যাদবপুরের গাঙ্গুলিবাগান থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আরও একটি শোভাযাত্রা বের হয়। বাংলার নববর্ষ উদযাপন কমিটি এই শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিল। নাটক, গান-সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মেতে ছিল যাদবপুর।

নববর্ষ উপলক্ষে বিকাল চারটায় কলেজ স্কোয়ারে নববর্ষ জুলুস সংগঠনের তত্ত্বাবধানে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শ্রীরামপুর গান্ধী ময়দানেও বাংলাদেশের মতো করে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বিকেল চারটায়। নববর্ষ উপলক্ষে টুইট করে সমস্ত রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন তিনি সকালেই কালীঘাটে পুজো দেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/15/1555329842235.JPG

কলকাতার স্থানীয়রা জানায়, বাঙালির বিশেষ উৎসব পহেলা বৈশাখ, বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন। এ যুগে পশ্চিমবঙ্গবাসী দিনটাকে ঠিক তেমনভাবে উদযাপন করে না। তবে আগে এ দিনটি পালন করা হত বাঙালির ঘরে ঘরে। শুভেচ্ছা বিনিময়, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার খাওয়া এই ছিল উদযাপনরীতি।

তবে, এখন কলকাতার বুকে বাঙালির নববর্ষ একবারে ফিকে যায়নি। বর্ণাঢ্য না হলেও শোভাযাত্রা সোমবার বের হয় কলকাতার রাজপথে।

এখনও মধ্যবিত্ত বাঙালি দু-হাত জড়ো করে বলেন, শুভ নববর্ষ...।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র