Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

মোবাইল অ্যাপই সজাগ করবে বাজ পড়ার আগে

মোবাইল অ্যাপই সজাগ করবে বাজ পড়ার আগে
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এবার মোবাইল ফোনের নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে বজ্রপাতের পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর। এর জন্য দেশজুড়ে প্রথম পর্যায়ে যে ৪৮টি সেন্সর(লাইটনিং লোকেশন নেটওয়ার্ক) বসানো হয়েছে, তার তিনটি বসেছে পশ্চিমবঙ্গে। কলকাতা, বীরভুম ও দার্জিলিং -এ ওই তিনটি সেন্সর বসানো হয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় ভারতে আরও যে ৩৫টি বসানো হবে, তার মধ্যেও দুই-তিনটি বসবে পশ্চিমবঙ্গেই। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে সব এলাকায় বজ্রপাতের প্রবণতা বেশি, সেখানে ওই সেন্সর বসানো হচ্ছে।

এই কাজ করছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা পুনের ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল মেটিরিওলজি। তারাই দামিনী নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। গুগল স্টোর থেকে স্মার্টফোনে এটি ডাউনলোড করা যাবে। যে এলাকায় সেন্সর বসানো হয়েছে, তার ৪০ কিলোমিটার ব্যাসের মধ্যে ওই অ্যাপ থেকে ৫ থেকে ১৫ মিনিট আগে বাজ পড়ার সতর্কতা জারি করা হবে। ঠিক কোন বাড়িতে বা পাড়ায় বাজ পড়বে, তা জানা না গেলেও ওই বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা দামিনীর বার্তা জেনে সম্ভাব্য বজ্রাঘাত থেকে বাঁচার জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন বলে আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন।

এখনও ভারতে ঘূর্ণিঝড়ে যত মানুষের মৃত্যু হয়, তার থেকে অনেক বেশি মানুষ মারা যান বজ্রপাতে। গত বছরও সারা দেশে বাজ পড়ে দু’হাজারের বেশি মানুষ মারা যান। দেশের যে সব এলাকায় বজ্রপাত বেশি হয়, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্যতম। গত বছর থেকে দেশে বজ্রপাতের নির্দিষ্ট পূর্বাভাস আরও ভালোভাবে দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশজুড়ে সেন্সর যন্ত্র বসানোও শুরু হয়। অ্যাপ চালু করা হয়। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়ে কালবৈশাখীর মরশুমে বজ্রপাত তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। সেই সময়ও এসে গিয়েছে। এই সময় দামিনী অ্যাপ যথেষ্ট সহযোগি হবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র