Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

'যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন ভারতের অবদান ইতিহাসে লেখা থাকবে'

'যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন ভারতের অবদান ইতিহাসে লেখা থাকবে'
ছবি: বার্তা২৪
কলকাতা ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

'বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কোনোদিন ভুলবার নয়, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন ভারতের অবদান ইতিহাসে লেখা থাকবে', শনিবার কলকাতা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথাই বললেন সফররত বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

কলকাতায় দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধনের পরদিন শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে পৌঁছে প্রথমেই কাশ্মীরে পুলওয়ামায় নিহত সেনা স্মৃতি বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'ঢাকা প্রেসক্লাবে সপ্তাহে দুই-তিন বার যেতে হয়। কলকাতা প্রেসক্লাবে আসার সুপ্ত ইচ্ছা ছিল। সেই ইচ্ছা পূরণ হলো। আমি সাড়ে তিন ঘণ্টা ভ্রমণ করে শান্তিনিকেতন থেকে আসছি। আপনাদের আতিথেয়তায় আমার ক্লান্তি চলে গেছে।'

বক্তব্যের শুরুতেই মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, 'বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কোনোদিন ভুলবার নয়। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন ভারতের অবদান ইতিহাসে লেখা থাকবে।' এরপরই তিনি সম্প্রতি কাশ্মীরে নিহত সেনাসদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গভীর শোকবার্তার কথা উল্লেখ করেন।

'ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক চিরদিনের’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'এই সম্পর্ক চির অটুট থাকবে। এই সম্পর্ক নিয়ে আমাদের দুই দেশের এখনো পথচলা। এই পথচলার মধ্যেই আমাদের দ্বিপক্ষীয় সংস্কৃতির আদান–প্রদান হয়। সংস্কৃতি অঙ্গন উজ্জীবিত হয়। দুই দেশের উদ্যোগে আমাদের সৌহার্দ্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কাজে সাংবাদিকদের বড় ভূমিকা আছে, আর তা আপনারা পালন করে চলেছেন।'

এরপর হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হন। জঙ্গিবাদ বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'জঙ্গি সমস্যা আজ দুই দেশে বড় সমস্যা। দু’দেশের সরকার তা কঠোর হাতে মোকাবিলা করছে। দু’দেশের সরকারের সমন্বিত সহযোগিতায়ই পালিয়ে থাকা জঙ্গিরা ধরা পড়ছে।'

কবে থেকে বাংলাদেশি টিভি চ্যানেলগুলো কলকাতায় দেখা যাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমরা তো চাই এখানে দেখানো হোক। কিন্তু এখানকার ক্যাবল অপারেটররা প্রতি চ্যানেলে পাঁচ কোটি টাকা চাইছে অথচ আমরা ভারতীয় চ্যানেলগুলো থেকে মাত্র দুই লাখ টাকা নেই। খুব শিগগিরই বাংলাদেশের সরকারি চ্যানেল বিটিভি এখানে দেখা যাবে। বাকিগুলো নিয়েও কথা চলছে। আপনাদের মাধ্যমে এখানকার ক্যাবল অপারেটরদের বলতে চাই, টাকার অঙ্কটা কমান, তাহলেই বেসরকারি চ্যানেলগুলো আসতে পারবে।'

জাল টাকা প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, 'অবশ্যই জাল কারেন্সি যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। এর মোকাবিলা আমরাও করছি। রুপি বা টাকার পাশাপাশি এখন ডলারও জাল হবার খবর রয়েছে। দুই দেশ এ নিয়ে সতর্ক আছে। চেষ্টা করছি যাতে অচিরেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।'

বিভিন্ন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রীর বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে দেয়া উত্তর সাংবাদিকদের কাছে প্রশংসিত হয়। কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সোমবার ড. হাছান মাহমুদের দেশে ফেরার কথা।

এর আগে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ শুক্রবার বিকেলে কলকাতায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন করেন ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার বেকার হোস্টেল, শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা জেলায় এ সপ্তাহেই মৌসুমি বায়ু ঢুকতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে। ফলে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।  পাশাপাশি চাষবাসের জন্য এখনই ভারী বৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট উদ্বেগে রেখেছে। অবশ্য প্রাক বর্ষার বৃষ্টি ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে। আগামী দুই তিনদিন এই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। পাশাপাশি আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন, এই নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ছাড়াও মধ্য ভারতে বর্ষা টেনে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এবারে দেশে বর্ষা বেশ ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের আট দিন পর কেরল উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে বর্ষা ঢুকেছে। তারপরও মৌসুমি বায়ু বিশেষ সক্রিয় নয়। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা বড় অংশে পুরোদমে বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। স্বাভাবিক নিয়মে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে গোটা দেশ বর্ষার আওতায় এসে যায়। জুন মাসে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি হলে তা বর্ষাকালের বাকি তিন মাসে পূরণ করা সমস্যা হয়ে দাড়াবে।

মৌসুমি উত্তর রেখা বৃহস্পতিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের খুব কাছে চলে এসেছে। বঙ্গোপসাগরে এই অংশের সংলগ্ন এলাকার দক্ষিণবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে। শুক্রবার নাগাদ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টি বাড়বে। ওড়িশা ও অন্ধ্র তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টি পাবে। পশ্চিমবঙ্গসহ বিহার, ঝাড়খণ্ডও বৃষ্টি হবে।

 

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ
পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে নির্বাচিত এমপি সানি দেওল

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড তারকা সানি দেওল। এমপি পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ ঘিরে শুরু হয়েছে জটিলতা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, অভিনেতা সানির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে । তবে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সানি দেওলের জেতা আসনও হারাতে হতে পারে।    


 
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মনুযায়ী, এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লক্ষ রুপি পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। সেখানে সানি দেওল নিজের নির্বাচনী প্রচারে ৮৬ লক্ষ রুপি  খরচ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি কমিটির কাছে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এমনকি, জয়ী প্রার্থীকে বরখাস্ত করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের হাতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561032884410.jpg

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণার অনেক পরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে অভিনেতা সানি দেওলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি। নির্বাচনের অন্তিম পর্যায়ে এসে নাম ঘোষণার ফলে সানির জয় নিয়ে সন্দিহান ছিলেন দেশের বহু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তাঁদেরকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল।  আগে ঐ আসনে বিজেপির আসনে ভোটে জিতেছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ বিনোদ খান্না। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে নতুন মুখ দরকার ছিল বিজেপির। এই আসনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সানি দেওলের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র