Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কলকাতার প্রতিটি শপিংমলে মাদার কেয়ার কক্ষ রাখতেই হবে

কলকাতার প্রতিটি শপিংমলে মাদার কেয়ার কক্ষ রাখতেই হবে
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্ক এলাকার নামকরা একটি শপিং মলে এক মহিলা তাঁর শিশুকে স্তন্যপান করাতে গেলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এই নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভের মুখে পড়ে ওই শপিং মলের কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সরব হন সমাজকর্মীরা। ফের এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাইছে না মুখ্যমন্ত্রীসহ কলকাতা পৌরসভা প্রশাসন। তাই কলকাতা পৌরসভা বাধ্যতামূলক করল শহরের প্রতিটি শপিং মল এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলিতে শিশুদের পরিচর্যার জন্য পৃথক ঘরে ‘মাদার কেয়ার’ কক্ষ রাখতেই হবে। কলকাতা পৌরভবনে মেয়র পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে স্থির হয়েছে, যে শপিং মলগুলিতে কোলের শিশুদের পরিচর্যার জন্য পৃথক কক্ষ রয়েছে, সেগুলিকে অনুমোদন দেওয়া হবে। বাকী বর্তমানে থাকা অনেক শপিং মলে এমন মাদার কেয়ার কক্ষ নেই। সেগুলির মলের কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, যত সম্ভব তাড়াতাড়ি ওই কক্ষ তৈরি করতে। এছাড়া নতুন শপিং মল বা বাণিজ্যিক ভবনের নির্মাণ নকশায় এই কক্ষ রাখতেই হবে। কোনোরকম টালবাহানা করা যাবে না। শুধু পৃথক কক্ষ তৈরি নয় পৌরসভা থেকে কক্ষের পরিমাপও নির্ধারিত করা হয়েছে, ছয় ফুট বাই আট ফুট। 

এ বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, মাদার কেয়ার কক্ষ তৈরি করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শহরে প্রতিটি শপিং মল তৈরি হলে, এই মাদার কেয়ার কক্ষ থাকতে হবে। এছাড়াও শহরের সুলভ কমপ্লেক্স (শৌচাগার) -গুলোতেও এ ধরনের কক্ষ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন সমাজকর্মীরা। তাঁদের কথায়, কলকাতা পৌরসভার এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত যুগোপযোগী।

একজন মা-কে শপিং মলের কর্তা-কর্মীরা যা খুশি বলবেন, তা চলতে পারে না। সাধারণ মানুষও তা মেনে নেয় না। যার অন্যতম প্রমাণ দক্ষিণ কলকাতার ওই শপিং মল কর্তৃপক্ষের বিতর্কের মুখে পড়া। এর আগে সমাজকর্মীদের দাবি অনুযায়ী  বিমানবন্দরে স্তন্যপান করানোর জন্য আলাদা জায়গা তৈরি হয়েছে। এবার শপিং মলেও বাধ্যতামূলক ভাবে দুধপান করানোর কক্ষের পরিকল্পনা হলো। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এ ব্যাপারে অনেক আগেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গত দুইমাস ধরে আলোচনার পর এই মাদার কেয়ার কক্ষ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত হলো।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা
এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক

সাবেক রাষ্ট্রপতি  ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

রোববার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আজ সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর৷ কোচবিহারের বাসিন্দা মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আমার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল।

প্রয়াত এরশাদ বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন ৷  তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।

শোকবার্তায় মূখ্যমন্ত্রী এরশাদের পরিবার-পরিজন ও  অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়
বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল দেয়া হয় এই মেলায়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কলকাতায় সম্পন্ন হলো তিন দিনব্যাপী ৩১তম ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার।

রোববার (১৪ জুলাই) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত মেলায় ভিন্ন স্বাদের পর্যটনের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছিলো বাংলাদেশ।   

দেশটির মিনিস্ট্রি অফ সিভিল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজমের ডেপুটি সেক্রেটারি অঞ্জনা খান মজলিস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, এখানকার বেশিরভাগ মানুষ বাংলাদেশ সম্বন্ধে সেভাবে জানেন না। বাংলাদেশে দর্শনীয় স্থান কি কি আছে বা কোথায় কোথায় ঘোরা যায়, সেই বিষয়গুলো আমারা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের কালচার যেমন ভাষা আন্দোলন, নববর্ষ উদযাপন এমনকি আমাদের ইলিশ এসব বিষয়ে কলকাতার মানুষ আগ্রহ বোধ করছে। জানার পর প্ল্যানিং করছে কি ভাবে আসবে বাংলাদেশে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102301190.jpg
বাংলাদেশকে আরও কাছে থেকে জানতে অনেকে ঘুরতে আসতে চেয়েছেন 

 

এখানে ১২ জন ট্যুর অপারেটর এসেছে আমরা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি। পাশাপাশি এখানকার বেশিরভাগ মানুষের শেকড় বাংলাদেশে, ফলে অনেকের পৈতৃক ভিটে আছে দেশে। তারা বাংলাদেশকে যেমন দেখতে চায় সঙ্গে নিজেদের জন্মস্থানও দেখতে চায়। সেই ভাবেই আমাদের প্যাকেজগুলো করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে অনেকে। ভালো লাগছে, বেশ সাড়া পাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বাংলাদেশের প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছিল দিনাজপুরের বিখ্যাত কান্তজীর মন্দিরের আদলে। প্যাভিলিয়নে ১১টি বেসরকারি স্টল ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল স্থান পেয়েছিল। পর্যটন মেলায় কলকাতাবাসীর কাছে আকর্ষণীয় বিষয় হলো একই ভাষায়, একই গন্ধে বিদেশ ভ্রমণ। বুকিংও পেয়েছে প্রচুর। পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে ভারতে আসার পর  নতুন প্রজন্মকে সেই স্বাদ পাওয়ানোর ইচ্ছা অনেকের থাকলেও, সহযোগিতা পাচ্ছিলো না। সেই সুবিধা করে দিল বাংলাদেশ থেকে আসা ট্যুর কোম্পানিগুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102319331.jpg
বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয় কলকাতাবাসীর কাছে 

 

শুক্রবার (১২ জুলাই) মেলা শুরু হয়ে শেষ হয় রোববার (১৪ জুলাই)। এবারের মেলায় ৪৩০টি স্টলে ভারতের ২৮টি রাজ্য এবং ১৪টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। কলকাতাবাসীর কাছে বাংলাদেশ এক আবেগের বিষয়। সে কারণেই বাংলাদেশ সম্বন্ধে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খোজ খবর নিচ্ছেন অনেকেই। অনেকে প্লানও করে নিয়েছে এবার পুজোর ছুটির ডেসটিনেশন বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র