Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমানের অবদান সোনালী হরফে লেখা থাকবে

প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমানের অবদান সোনালী হরফে লেখা থাকবে
প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান স্মরণে আয়োজিত কনফারেন্সে বক্তব্য রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ইসলাম ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান (রহ.) ছিলেন একজন হক্কানি আলেমেদ্বীন। তিনি আমৃত্যু খেলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন। ইসলামের জন্য তার অবদান সোনালী হরফে লেখা থাকবে।

শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে গুলিস্তান কাজী বশির মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক আমির প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান (রহ.)-এর স্মরণে অনুষ্ঠিত জাতীয় কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি শায়খুল হাদিস আল্লামা আশরাফ আলী এসব কথা বলেন।

আমিরে মজলিস শায়খুল হাদিস আল্লামা ইসমাঈল নূপুরীর কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মুফতি মাহফুজুল হক।

দলের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ ও মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি।

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, বেফাকের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরুদ্দীন আহমদ কামরান, মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামীদ, বেফাকের মহাপরিচালক মাওলানা যোবায়ের আহমদ চৌধুরী, সিলেট দরগাহ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম ডি জাকির হোসেন, প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান (রহ.)-এর সাহেবজাদা মাওলানা সামিউর রহমান মুসা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/13/1563032517075.jpg

কনফারেন্সে আরও বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমি, মাওলানা আলী উসমান, সাবেক মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমি, মাওলানা আব্দুল আজিজ, মুফতি শরাফত হোসাইন, বেফাকের যুগ্ম-মহাসচিব মুফতি নুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, ড. জি এম মেহেরুল্লাহ, মাওলানা এনামুল হক মূসা, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুল হক, সহ-বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহসিনুল হাসান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ আব্দুর রহীম, ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন খান ও ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আতাউল্লাহ হোসাইনি প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তার বক্তব্যে বলেন, আলেম-ওলামারা যদি সরকারকে সহযোগিতা করে তাহলে দেশ আরও সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমরা ইসলামকে হৃদয়ে ধারণ করি। তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের ভূমিকার ভূয়সি প্রসংশা করেন। তিনি আরও বলেন, প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান সারাজীবন ইসলামকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় নিয়োজিত ছিলেন।

ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমানের আদর্শ আমাদের ধারণ করতে হবে। আমাদের সৌভাগ্য এই যে, আমরা একজন প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান পেয়েছিলাম। তার শেষ রাতে জায়নামাজের কান্নার আমল আমাদের ধারণ করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, দেশে খুন-ধর্ষণ নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলছে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সরকারকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি ভারতে গণহারে মুসলমানদের নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে আমিরে মজলিস শাইখুল হাদিস আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী বলেন, প্রিন্সিপাল (রহ.) আমাদের মাঝে নেই কিন্তু তার আদর্শ বেঁচে আছে। সারা দেশের সকল কর্মীকে এ আদর্শ ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, সারা পৃথিবীতে আজ আশান্তির দাবানল জ্বলছে। বিশ্ব মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

হাজিদের ভিড়ে জাগ্রত থাকে মসজিদে আয়েশা

হাজিদের ভিড়ে জাগ্রত থাকে মসজিদে আয়েশা
মসজিদে হারামে নামাজ আদায়, নফল তাওয়াফ ও সুযোগ বুঝে নফল উমরা আদায় করছেন হাজিরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: হজপালন শেষে মক্কায় অবস্থানরত হাজিরা মক্কার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে হারামে আদায়, নফল তাওয়াফ ও সুযোগ বুঝে নফল উমরা আদায় করে কাটাচ্ছেন।

মক্কায় অবস্থানরত হাজিরা উমরার নিয়ত করলে তাদের ইহরাম বাধার জন্য যেতে হয় আয়েশা মসজিদে। সেখানে যেয়ে (ইহরাম আগেও পড়া যায় মসজিদে আয়েশাতে যেয়েও অনেকে পরিধান করেন) দুই রাকাত নামাজ পড়ে তালবিয়া (লাব্বাইক .... ) পড়ে কাবা শরিফে এসে উমরার সব নিয়মনীতি পালন করেন।

মসজিদটি মক্কার তানঈম এলাকায় অবস্থিত। এটাকে মসজিদে তানঈমও বলা হয়। হেরেম এলাকার বাইরে এটি মক্কা থেকে সর্বাধিক নিকটবর্তী স্থান। মক্কা থেকে ৬ কিলোমিটার উত্তরে মক্কা-মদিনা রোডে আল হিজরা এলাকায় অবস্থিত এই মসজিদ। রাতদিন ২৪ ঘণ্টা এখানে মুসল্লিদের উপস্থিতি থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566392961853.jpg

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) এখান থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে উমরা করেছিলেন। পরে সেখানে একটি বিশাল মসজিদ গড়ে উঠে। মসজিদটি ইসলামি শিল্পনৈপুণ্যের এক অনুপম নিদর্শন।

বিদায় হজের সময় হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.)কে তার ভাই হজরত আবদুর রহমান (রা.)-এর সঙ্গে হারামের বাইরে এখান থেকে উমরার ইহরাম বাঁধার জন্য পাঠিয়েছিলেন।

এ কারণে এখান থেকে মক্কাবাসীরা উমরার জন্য এখান থেকে ইহরাম বেঁধে থাকেন। বিদেশি হাজিরা এখান থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে থাকেন। অবশ্য এটা নিয়ে ইসলামি স্কলারদের মাঝে বিতর্ক আছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566392972633.jpg

মক্কা থেকে এখানে আসতে বাস ভাড়া ৩ রিয়াল, আর ট্যাক্সি ভাড়া ৫ রিয়াল। সারাক্ষণ নফল উমরার ইহরামের জন্য আসা হাজিদের ভিড় থাকে মসজিদটিতে। বিশাল এই মসজিদের দু’টি মিনার ও একটি গম্বুজ অনেক দূর থেকে দেখা যায়। মসজিদটি খেজুর গাছ দ্বারা পরিবেষ্টিত। মসজিদের সামনে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য বিশাল জায়গা রয়েছে। রয়েছেন অজু ও নারীদের নামাজের জন্য আলাদা ব্যবস্থা।

হজ বা উমরাপালন করতে যারা বিমানযোগে সৌদি আরব আসেন তারা নিজ দেশ থেকে কিংবা নির্দিষ্ট মিকাত থেকে নিয়ত করেন। কিন্তু হজের পর উমরা করতে চাইলে উত্তম হলো- নির্দিষ্ট মিকাতে যেয়ে উমরার নিয়ত করা। এজন্য তায়েফ, রাবেক, মদিনা, আস-সাইরুল খাবির, আস-সাদিয়াত যেতে পারেন। এসব জায়গা থেকে আসার পথে মিকাত পড়বে। সেখান যথা নিয়মে উমরার নিয়ত করে উমরা আদায় করতে পারেন।

ইসলামি স্কলারদের অভিমত হচ্ছে, হজে গিয়ে বেশি বেশি তাওয়াফ করা। এটি সুন্নত এবং সবচেয়ে উত্তম কাজ। কাজেই যারা মক্কায় অবস্থান করেন, তারা বেশি করে তাওয়াফ করবেন এবং আল্লাহর ঘরে গিয়ে বেশি করে নফল নামাজ আদায় করবেন।

আরও পড়ুন: হজপালনে শীর্ষ ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ চতুর্থ

আরও পড়ুন: হজ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা

বাংলাদেশি আলেমরা উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন মসজিদে নববীতে

বাংলাদেশি আলেমরা উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন মসজিদে নববীতে
ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে আসা হজযাত্রীদের হজপালন বিষয়ে ধর্মীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে আসা ৫৮ আলেমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মদিনার মসজিদে নববী কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ৫৮ সদস্যের ওলামা-মাশায়েখ দল হজপালন শেষে মদিনার মসজিদে নববী পরিদর্শনে গেলে তারা এ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় মসজিদে নববীর প্রধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল খুদায়েরি বলেন, অতীতে বাংলাদেশের এতো বড় আলেম প্রতিনিধি দল সৌদি আরব বিশেষ করে মদিনায় আসেনি। একসঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের কাছে পেয়ে তারা গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566315408680.jpg

এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৌদি আরবের সঙ্গেও তিনি সুসম্পর্ক বজায় রাখছেন। তিনি আরও বলেন, মুসলিম বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের নেতৃত্বকে সমর্থন জানাবে বাংলাদেশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566315426944.jpg

পরে বাংলাদেশের আলেম ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারকে সালাম ও দরুদ পেশ এবং রিয়াজুল জান্নাতে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেন মসজিদে নববী কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, হজযাত্রীদের পরামর্শ দিতে ৫৮ সদস্যের ওলামা-মাশায়েখের একটি দল রাষ্ট্রীয় খরচে সৌদি আরব অবস্থান করছেন। ২১ আগস্ট তাদের দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র