Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিনামূল্যে ইমাম প্রশিক্ষণের সুযোগ

বিনামূল্যে ইমাম প্রশিক্ষণের সুযোগ
ইমামদের প্রশিক্ষণের দৃশ্য, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

২০ বছর থেকে ৫০ বছর বয়সী সুস্থ-সবল দেহের অধিকারী ইমাম, সহকারী ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর পরিচালক মুহাম্মদ জালাল আহমদ কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রশিক্ষনের তথ্য জানা গেছে।

৪৫ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে ইমাম, সহকারী ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদনকারীকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিজ জেলার কার্যালয়ে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ হাতে লিখিত আবেদনত্র দাখিল করতে হবে। ডাকযোগে কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। ২৮ জুলাই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে প্রাথমিক বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ আগস্ট ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির চূড়ান্ত বাছাই শেষে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর কেন্দ্রে ভর্তি হতে হবে।

ভর্তির সময় ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত ফরমে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে। সেই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কিংবা ওয়ার্ড কমিশনার কর্তৃক ইমামতির পক্ষে প্রদত্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনকারীকে ন্যূনতম দাখিল অথবা সমমান মাদরাসা পরীক্ষায় পাস হতে হবে। হাফেজ ও কারিদের বাংলা ভাষায় ভালো জ্ঞান থাকলে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য।

চূড়ান্ত বাছাইয়ের সময় সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মূলকপি, সনদ না পেয়ে থাকলে নিজ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত মূল প্রশংসাপত্র কমিটির নিকট উপস্থাপন করতে হবে।

বিভাগীয় অথবা জেলা কার্যালয় কর্তৃক ইমামতিতে নিয়োজিত আছেন তা নিশ্চিত হয়ে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হওয়ার পর চূড়ান্ত বাছাই হওয়া সাপেক্ষে মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছ ৪৫ দিনের ছুটির প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। প্রশিক্ষণ চলাকালে হোস্টেল অবস্থান হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইমামদের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এক কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি দরখাস্তের সঙ্গে জমা দিতে হবে এবং দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ও এক কপি স্ট্যাম্প সাইজ ছবি সংশ্লিষ্ট ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে চূড়ান্ত ভর্তির সময় দিতে হবে। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর কোনো কেন্দ্র সরাসরি আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে না। অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র বাতিলযোগ্য। মৌসুম উপযোগী প্রয়োজনীয় পোষাক ও মশারীসহ বিঙ্গানাপত্র সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

বিনামূল্যে ভর্তির ফরম সরবরাহ করা হয় এবং ভর্তি হওয়ার জন্য কোনো ফি বা বিনিময় দিতে হয় না। তবে ইমামদের কল্যাণে গঠিত ইমাম ও মুয়াজ্জিন কলাণ ট্রাস্টে মাসিক ১০ টাকা ফি দিয়ে ট্রাস্টের (কমপক্ষে ৬ মাস) সদসা হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ
আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়, ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে আরও ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্ট কিংবা প্রতিস্থাপনের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২২ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে।

হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের জন্য ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে হজ অফিসের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং তা অনলাইনে নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে লিখিত আবেদনে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সুপারিশ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিস্থাপনযোগ্য হজযাত্রীর গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুজনিত কারণে হজপালন করতে পারবেন না মর্মে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর লিখিত আবেদন এবং উপযুক্ত চিকিৎসকের সনদ দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

প্রতিস্থাপন প্রাপ্তির জন্য এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না মর্মে তিনশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে। হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হজ নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছর দুই দফায় ৫ শতাংশ করে ১০ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও ৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দেওয়া হলো।

হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর হজপালনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হজযাত্রীরা যাওয়া শুরু করেছেন। রোববার (২১ জুলাই) সকাল আটটা পর্যন্ত সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬২ জন হজযাত্রী পৌঁছেছেন।

এসব হজযাত্রীদের মধ্যে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ জন আকাশপথে, ৮ হাজার ৭১০ জন সড়কপথে ও ৬ হাজার ৩ জন নৌপথে সৌদি আরব পৌঁছেছেন।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ১৮৬টি দেশ থেকে হজযাত্রী আসবেন হজপালনের জন্য।

বিভিন্ন দেশের মুসলিম জনসংখ্যার হার অনুপাতে সৌদি আরব হজপালনকারীদের জন্য কোটা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। তাদের দেওয়া কোটা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে হজ পালনেচ্ছুদের হজে আসতে হয়। সাধারণত ১০ লাখ লোকের জন্য ১ হাজার কোটা বরাদ্দের একটি নিয়ম তারা অনুসরণ করে।

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। ইতোমধ্যে ৭২ হাজার ৭৪৬ জন সৌদি আরব গিয়ে পৌঁছেছেন।

সৌদি গেজেটের এক খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীসহ ৩ লাখেরও বেশি মানুষ এ পর্যন্ত হজপালনের অনুমতি পেয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা নিবন্ধিত হয়েছেন।

হজযাত্রীরা নিরাপদ ও স্বস্তির সঙ্গে হজপালন করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র