Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম

যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম
কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা মুসলমানদের কার্পণ্য থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন, ছবি: সংগৃহীত
মাওলানা আবদুল জাব্বার
অতিথি লেখক
ইসলাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সূরা তাগাবুনের ১৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো, শুনো, আনুগত্য করো এবং ব্যয় করো (আল্লাহর পথে)। এটা তোমাদের জন্যে কল্যাণকর এবং যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম। ’

সর্বাবস্থায়, সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালাকে ভয় করা মুমিনদের জন্য অপরিহার্য বিষয়। কারণ আল্লাহতায়ালার ভয় মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে। আল্লাহর কথা শোনা ও তার নির্দেশ মান্য করাও অপরিহার্য। আল্লাহর নানা নির্দেশের মধ্যে এ নির্দেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে মানুষ তার পথে দান-খয়রাত করবে। এ বিষয়টি আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য অন্যতম প্রধান পরীক্ষা। অবশ্য আল্লাহর রাস্তায় দান-খয়রাতের কারণে মানুষ নিজেই লাভবান হয়।

আয়াতে এটাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যারা কার্পণ্য ও লোভ এড়িয়ে চলতে পারে তারাই সফল। মানুষের সফলতার পথে প্রধান দু’টি বাধা হলো- কার্পণ্য ও লোভ। যারা এ দুই মানসিক রোগ থেকে মুক্ত থেকে আল্লাহর পথে দান-খয়রাত করতে পারে তাদের সৌভাগ্য অনিবার্য।

অনেক বুজুর্গদের জীবনে দেখা গেছে, তারা সর্বদা আল্লাহতায়ালার দরবারে মোনাজাত করতেন এই বলে, হে আল্লাহ! আমার মনকে কার্পণ্য থেকে রক্ষা করুন।

ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো- মনের লোভ ও কার্পণ্য মানবজীবনের সবচেয়ে বড় বিপদ। তাই এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে।

আর এর উপায় স্বয়ং আল্লাহতায়ালা দেখিয়ে দিয়েছেন সূরা তাগাবুনের ১৭ নম্বর আয়াতে। ওই আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান করো, তিনি তোমাদের জন্যে তা দ্বিগুণ করে দেবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ গুণগ্রাহী ও সহনশীল।

বর্ণিত আয়াত ছাড়াও পবিত্র কোরআনে বার বার এ জাতীয় বর্ণনা দেখা গেছে যেখানে আল্লাহতায়ালাকে কর্জে হাসানা বা উত্তম ঋণ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আল্লাহতায়ালা সমগ্র বিশ্বজগতের মালিক। সব নেয়ামত ও সৃষ্টিকুলের মালিক তিনি। অথচ তিনি আমাদের কাছে ঋণ চাইছেন! বস্তুত এ ঋণের বিনিময়ে আরও বেশি প্রতিদান দেওয়া ও ক্ষমা করার এবং কৃতজ্ঞতার ঘোষণা দিচ্ছেন। আসলে আল্লাহতায়ালা কোনো কিছুর মুখাপেক্ষী নন। বরং আমাদেরকে করুণা করতে তিনি নিজ সম্পদ থেকেই ঋণ চাইছেন। এটা মুমিনদের প্রতি তার অশেষ ভালোবাসার প্রকাশ। আমাদের কাছে কি আছে বা আমরা কিসের মালিক যে মহান আল্লাহকে ঋণ দেবো? আর কিসের বিনিময়ে আমরা এতসব মহাপুরস্কার পাবো? আসলে এসব হচ্ছে দানের মহাগুরুত্ব এবং বান্দাদের প্রতি আল্লাহর অশেষ দয়া ও করুণারই প্রকাশ।

আপনার মতামত লিখুন :

হজযাত্রায় যেসব জিনিস সঙ্গে নিতে হবে

হজযাত্রায় যেসব জিনিস সঙ্গে নিতে হবে
আশকোনা হজক্যাম্প, ছবি: সৈয়দ মেহেদী, বার্তা২৪.কম

পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে ৪ জুলাই হজ ফ্লাইট শুরু হবে। এবার যারা হজব্রত পালনে যাচ্ছেন, তাদের প্রস্তুতি নিতে হবে এখনই।

স্বাস্থ্যপরীক্ষা, টিকা দেওয়া, স্বাস্থ্যসনদ সংগ্রহসহ হজের জন্য প্রয়োজনীয় মালপত্র সংগ্রহ করার পাশাপাশি হজ পালনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে। সরকারি-বেসরকারিভাবে হজ প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে হজ বিষয়ক প্রয়োজনীয় বইপুস্তক কিংবা এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে সাহায্য নিতে পারেন।

সারাজীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের সময় একেবারে ঘনিয়ে এসেছে। সরকারি-বেসরকারি যেভাবেই আপনি হজে যান না কেন, হজ অফিস থেকে আপনাকে অবগত করবে। আপনিও খবর রাখার চেষ্টা করবেন। নানা কারণে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালন ভালো। তবে কখনও কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতারণার ফাঁদে পড়তে হয় কাজেই সজাগ থাকতে হবে এজেন্সি নির্বাচনের ক্ষেত্রে।

যেহেতু হজ ফ্লাইট খুব নিকটে তাই, আপনার ফ্লাইটের সময়সূচি আগেভাগেই নিশ্চিতভাবে জেনে নেবেন। ফ্লাইটের অন্তত এক সপ্তাহ আগে নিম্নের সামগ্রীগুলো সংগ্রহ করুন-

১. গলায় ঝুলিয়ে ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ। যাতে পাসপোর্ট, টিকেট, হজের বই ও প্রয়োজনীয় জিনিস রাখা যায়।

২. ভিসার কপি। কারণ, সৌদি সরকার হজযাত্রীদের জন্য ই-ভিসা চালু করেছে। এই ভিসা পাসপোর্টের সঙ্গে লাগানো থাকে না। কাগজে প্রিন্ট করে দেয়। ফলে হজযাত্রীদের এটি আলাদা সংরক্ষণ করতে হয়। আগে পাসপোর্টের সঙ্গে ভিসা লাগানো থাকত বলে আলাদা করে ভিসা সংরক্ষণের প্রয়োজন হতো না। বিমানের টিকিট, প্রয়োজনীয় রিয়াল বা ডলার। চার-পাঁচ হাজার টাকা যা দিয়ে হজপালন শেষে বাংলাদেশ বিমানবন্দর থেকে বাড়িতে যাওয়া যায়। ছবি ও ঠিকানা সম্বলিত পাসপোর্টের প্রথম দুই পৃষ্ঠা, ভিসা ওটিকিটের ফটোকপি করে দুই তিন জায়গায় রাখুন। অনেক সময় প্রয়োজন হয়।

৩. ইহরামের কাপড় ২/৩ সেট। একটু মোটা হলে সতর ঢাকতে সুবিধা হয়। ইহরামের কাপড় সাদা ও সুতি হওয়া ভালো। আড়াই হাত বহরের আড়াই গজের পিস নিচে পরার জন্য, আর তিন গজের পিস গায়ের চাদরের মতো ব্যবহারের জন্য। একটি হাজীবেল্ট রিয়াল রাখার জন্য।

৪. মেয়েরা বোরকা, সেলোয়ার, কামিজ ও ব্যবহারের কাপড় প্রয়োজন অনুযায়ী নেবেন। মার্জিত ঢিলে-ঢালা বোরকা ব্যবহার করবেন। সাদা বোরকা জরুরি নয় বরং তা তাড়াতাড়ি ময়লা হয়। মিনায় পর্দা করার জন্য বড় চাদর ও গায়ে দেওয়ার পাতলা কাঁথা নেবেন। যদি হোটেলে থাকেন তাহলে কাঁথা নেওয়ার দরকার নেই। হোটেল থেকে কম্বল সরবরাহ করবে।

. লুঙ্গি, গেঞ্জি, পায়জামা, পাঞ্জাবী, টুপি, গামছা ও রুমাল প্রয়োজন অনুযায়ী নিন।

৬. বিছানার চাদর, মেছওয়াক, পেস্ট ও ব্রাশ, গুড়া সাবান, গোসলের সাবান, শ্যাম্পু, ছোট ছাতা। আরামদায়ক ও মজবুত সেন্ডেল ২/৩ জোড়া, জুতার ব্যাগ, কিছু সুতলি, কয়েক গজ নাইলনের রশি, সাদা কাগজ, কলম ও ডায়রি।

. প্লেট, গ্লাস, চামচ ও দস্তরখান, সুগন্ধিমুক্ত তেল ও ভেসলিন নিন।

৮. তায়াম্মুমের জন্য মাটি নিন।

৯. রেজারসহ ব্লেড ৫টি, নেইল কাটার, ছোট চাকু, ছোট আয়না ও কেচি, সুচ, সুতা, সেফটিপিন নিন। লৌহজাত দ্রব্যাদি মনে করে বিমানে বড় ব্যাগে দেবেন, সঙ্গে রাখবেন না।

১০. নির্ভরযোগ্য কোনো আলেম ও মুফতির লিখিত হজের কিতাব, ফাজায়েলে হজ, মুন্তাখাব হাদিস ও মুনাজাতে মকবুল সঙ্গে রাখুন।

১১. একটি হাওয়াই বালিশ ও শীত হলে শীতের কাপড় নিন।

১২. একটি বড় দামী ও মজবুত ট্রলিব্যাগ ব্যাগ ও প্লেনের কেবিন বক্সে ঢোকার উপযোগী হাত ব্যাগ এবং মিনায় ব্যবহারের জন্য একটি ছোট (পিঠে ব্যবহার উপযোগী) ব্যাগ নিন।

১৩. মাথাব্যথা, ঠাণ্ডা, জ্বর,কাশি, বমি, পেটখারাপ, আমাশয় ও ডায়াবেটিকের ঔষধ। এ ছাড়া খাওয়ার স্যালাইন, এন্টিবায়োটিক, গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট, ইনসুলিন এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ সঙ্গে নিন।

১৪. মোবাইল চার্জার, মাল্টিপ্ল্যাগ ও জামা আয়রনের ছোট একটি ইস্ত্রিও সঙ্গে নিতে পারেন।

১৫. অল্প কিছু শুকনা খাবার ও পছন্দের কোনো বিস্কুট ইত্যাদি নিতে পারেন।

১৬. লাগেজের ওপরে নাম ঠিকানা ইংরেজিতে লিখুন। কি কি লিখতে হবে এজেন্সির কাছ থেকে জেনে নেবেন। সাধারণত নাম ঠিকানা ও পাসপোর্ট নম্বর লেখা হয়।

উপরোল্লেখিত তালিকা একটি ধারণামাত্র। এসব কিছু আপনি আপনার প্রয়োজন, অভ্যাস ও রুচিমাফিক কমবেশ করতে পারেন। মনে রাখবে মক্কা-মদিনায় এসব কিছুই পাওয়া যায়। প্রয়োজনে সেখান থেকেও ক্রয় করতে পারেন।

এসব জিনিসি বড় লাগেজে দিয়ে দিয়ে হাতব্যাগে এক সেট ইহরামের কাপড়, মেয়েদেরও এক সেট কাপড়, কিছু শুকনা খাবার, গামছা, মেসওয়াক, কলম, টিসু ও জরুরি ঔষুধ রাখবেন। অনেক সময় লাগেজ পেতে বিলম্ব হয়, তাই এই বাড়তি সতর্কতা।

দুঃখ-কষ্ট দিয়ে আল্লাহ গোনাহ মাফ করেন

দুঃখ-কষ্ট দিয়ে আল্লাহ গোনাহ মাফ করেন
আল্লাহতায়ালা ক্ষমাশীল এবং তওবা কবুলকারী, ছবি: সংগৃহীত

এখনকার সময়ে গোনাহ করা একেবারেই সহজ। ধরুন, আপনি নির্জনে বসে আছেন, হাতে মোবাইল। বসে বসে অশ্লীল কিছু দেখে ফেললেন তখন গোনাহ হয়ে গেল। অফিসের বসে কাছে বকা না খেতে মিথ্যা বললেন কিংবা ধোঁকাবাজি করলেন অথবা কোনো আমানত নষ্ট করলেন তখন গোনাহ হয়ে গেল।

বন্ধুদেরকে হাসাতে মিথ্যা বললেন, কারো কাছে ভালো সাজতে অপরের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিলেন। এভাবেই নিয়মিত আমাদের ভালো আমল থেকে বদ আমল বেশি হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হরো- গোনাহ হয়ে গেলে আপনি কী করবেন? ক্ষমার কোনো পথ আছে? হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আছে। কারণ আল্লাহতায়ালা ক্ষমাশীল এবং তওবা কবুলকারী।

ইসলামের শিক্ষা হলো- কোনো মুসলমান যখন গোনাহ করে ফেলে তখন তার প্রথম কাজ হলো তওবা করা, প্রত্যাবর্তন করা, ফিরে আসা। এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা যদি পাপাচার করতে, এমনকি তোমাদের পাপ আকাশের সীমা পর্যন্ত পৌঁছে যেত, অতঃপর তোমরা তওবা করতে, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের তওবা কবুল করবেন।’ -সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪২৪৮

গোনাহ করে ফেললে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। এ বিষয়ে সূরা হুদের ১১৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তুমি নামাজ আদায় করো দিবসের দুই প্রান্তে এবং রাতের প্রথম অংশে। নিশ্চয়ই ভালো কাজ মন্দ কাজকে মিটিয়ে দেয়। এটি উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য উপদেশ।’

‘ওই ব্যক্তি জীবিত বা মৃত থাকা অবস্থায় কোনো মুমিন তার জন্য দোয়া করলে তার গোনাহ ক্ষমা হয়। মুমিনদের জন্য দোয়া করা নবীদের সুন্নত ছিল। নবী নূহ (আ.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, ‘হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং ধ্বংস ছাড়া আপনি জালিমদের আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।’ -সূরা নূহ: ২৮

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা হজরত আব্বাস (রা.) বলেন, বনু সাঈদার নেতা সাদ ইবনে উবাদা (রা.)-এর মা মারা গেলেন। তখন তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। অতঃপর নবী (সা.)-এর কাছে এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা আমার অনুপস্থিতিতে মারা গেছেন। এখন আমি যদি তার পক্ষ থেকে সদকা করি, তবে তা কি তার কোনো উপকারে আসবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ। হজরত সাদ (রা.) বললেন, ‘তাহলে আপনাকে সাক্ষী করে আমি আমার মিখরাফের বাগানটি তার উদ্দেশ্যে সদকা করলাম। -সহিহ বোখারি: ২৭৬২

দুনিয়া জীবনে অশান্তি-দুঃখ-কষ্ট দিয়েও গোনাহ ক্ষমা করা হয়।

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুসলিম ব্যক্তির ওপর যে সব বিপদ-আপদ আসে এর দ্বারা আল্লাহ তার পাপ দূর করে দেন। এমনকি যে কাঁটা তার শরীরে ফুটে এর দ্বারাও। -সহিহ বোখারি: ৫৬৪০

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যদি কেউ গোনাহ করে ফেলে, তারপর পবিত্রতা অর্জন করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। -তিরমিজি: ৩২৭৬

আমাদের সবার দ্বারাই গোনাহ হচ্ছে। কারো কম, কারো বেশি। আল্লাহতায়ালা সূরা জুমারের ৫৩ নম্বর আয়াতে বলেছেন, ‘সব আদম সন্তান পাপী।’

আমরা গোনাহ করলেও আল্লাহতায়ালা আমাদের আশার বাণী শুনিয়ে বলেছেন, ‘বলুন! হে আমার গোলামেরা, যারা নিজেদের ওপর জুলুম করছ, তোমার আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ -সূরা জুমা: ৫৩

আসুন, গোনাহ হয়ে গেলে হতাশ না হয়ে পবিত্রতা অর্জন করে, দুই রাকাত নামাজ আদায় করে তওবা করে ফিরে আসি, ক্ষমা প্রার্থনা করি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র