Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

রমজানের শেষ দশকের ইবাদত ও দোয়া

রমজানের শেষ দশকের ইবাদত ও দোয়া
রমজানের শেষ দশকের ইবাদত ও দোয়া, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শুরু হয়েছে রমজানের শেষ দশক শুরু হয়েছে, তৃতীয় দশক। এ দশক নাজাতের। তৃতীয় দশকে আল্লাহতায়ালা বান্দার জন্য নাজাতের ফায়সালা করেন। তাই এ দশকে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো।’ -সহিহ বোখারি: ২০১৭

অন্য হাদিসে আছে, হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন, এবং বলতেন তোমরা রমজানের শেষ দশকে শবে কদর তালাশ করো। -সহিহ বোখারি: ২০২০

একে তো মহামন্বিত মাস রমজান তার ওপর মহিমান্বিত রাতের উপহার। শেষ দশ দিনের যেকোনো একদিন লাইলাতুল কদর। যে রাত এক হাজার মাসের থেকেও উত্তম। অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত এক হাজার মাসের থেকেও উত্তম।

শবে কদর লাভের প্রত্যাশায় ধর্মপ্রাণ মানুষ ইতিকাফে বসবেন। ইতিকাফে সহজে পালনযোগ্য কিছু আমল হলো- খুশু-খুজুর সঙ্গে প্রতি ওয়াক্ত নামাজ প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা। মাগরিব ও এশার নামাজের পর অতিরিক্ত ২/৪ রাকাত নফল নামাজ আদায় করা। প্রতিরাত্রে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু দান-সদকা করা। ঘুমানোর আগে অন্তত সে সব সূরা মুখস্ত আছে, তা একবার করে তেলাওয়াত করা।

দোয়া কবুলের জন্য যেকোনো সময় এ দোয়া পাঠ করা-

اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلاً

উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়াল হামদু লিল্লাহি কাসিরা ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও-ওয়া আসিলা।

অর্থ: আল্লাহ মহান, অতি মহান, আল্লাহতায়ালার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা এবং সকাল-সন্ধ্যা আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। -সহিহ মুসলিম

আমাদের ইবাদতসমূহ আরও সুন্দর এবং আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য প্রতি নামাজ শেষে এই দোয়া পাঠ করা যায়-

اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبادَتِكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আ ইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার স্মরণ, তোমার কৃতজ্ঞতা এবং তোমার সুন্দর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করো। -সুনানে আবু দাউদ: ১/২১৩

দুই সিজদার মাঝে এ দোয়া পাঠ করা

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَاهْدِنِي، وَاجْبُرْنِي، وَعَافِنِي، وَارْزُقْنِي، وَارْفَعْنِي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগ ফিরলি, ওয়ার হামনি, ওয়াহদিনি, ওয়াজ বুরনি, ওয়া আফিনি, ওয়ার-ঝুকনি, ওয়ার ফা’নি অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমায় মাফ করো, আমাকে রহম করো, আমাকে হেদায়েত দান করো, আমাকে রিজিক দাও এবং আমাকে শান্তি দান করো। -সহিহ মুসলিম: ৭৭

তাশহুদ শেষে এই দোয়া পাঠ করা

اَللَّهُـمَّ إِنيِّ أَعوُذُ بِكَ مِنْ عَذاَبِ جَهَنَّمَ،وَمِنْ عَذاَبِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْـنَةِ الْمَحْياَ وَالْمَماَتِ وَمِنْ فِتْـنَةِ الْمَسيِحِ الدَّجاَّلِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবি জাহান্নাম ওয়া আউজুবিকা মিন আজাবিল কাবার ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহয়া ওয়াল মামাত ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতি মাসিহিদ দাজ্জাল। -সহিহ মুসলিম: ৯৪০

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জাহান্নামের আজাব থেকে মুক্তি দান করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দান করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবন মৃত্যুর কঠিন ফিতনা থেকে মুক্তি দান করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাসিহি দাজ্জালের ফিতনা থেকে মুক্তি দান করুন।

আম্মাজান হজরত আয়েশা (রা.) নবী করিম (সা.) কে জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লাইলাতুল কদর লাভ করি, তাহলে কি দোয়া করবো? নবী করিম (সা.) বলেন, বলবে,

ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌّ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨِّﺎ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।’ -আহমদ: ৬/১৮২

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল। ক্ষমা পছন্দ করো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।

এ ছাড়া নামাজ শেষ করে ছোট ছোট কিছু ফজিলতপূর্ণ জিকির করা। যেমন- সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার, আল্লাহু আকবার ৩৩ বার, ১ বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। প্রত্যেকবার ফরজ নামাজ আদায় করে আয়তুল কুরসি পাঠ করা।

সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় (সন্ধ্যায বলতে আসর থেকে মাগরিবের মধ্যে যেকোনো সময়ে) ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ (سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ) পাঠ করলে কিয়ামতের দিন নিয়মিত পাঠকারীর চেয়ে বেশি সওয়াব নিয়ে আর কেউ উপস্থিত হতে পারবে না। -সহিহ মুসলিম: ৬৫৯৯

যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ (سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ) প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ (সগিরা) গোনাহ থাকলেও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। -সহিহ বোখারি: ৭/১৬৮

জান্নাত প্রার্থনা করা ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া করা-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল জান্নাতা ওয়া আউজুবিকা মিনান্নার।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জান্নাত প্রার্থনা করে, জান্নাত আল্লাহর কাছে দোয়া করে, হে আল্লাহ! তাকে জান্নাত দান করো। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে, জাহান্নাম আল্লাহর কাছে দোয়া করে, হে আল্লাহ! তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দাও।’ -সুনানে তিরমিজি: ২৫৭২

প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার নিচের জিকির করা

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থ: একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক ইলাহ নেই, তার কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তারই, সমস্ত প্রশংসাও তার, আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।’

আপনার মতামত লিখুন :

হাজিদের ভিড়ে জাগ্রত থাকে মসজিদে আয়েশা

হাজিদের ভিড়ে জাগ্রত থাকে মসজিদে আয়েশা
মসজিদে হারামে নামাজ আদায়, নফল তাওয়াফ ও সুযোগ বুঝে নফল উমরা আদায় করছেন হাজিরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: হজপালন শেষে মক্কায় অবস্থানরত হাজিরা মক্কার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন, ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে হারামে আদায়, নফল তাওয়াফ ও সুযোগ বুঝে নফল উমরা আদায় করে কাটাচ্ছেন।

মক্কায় অবস্থানরত হাজিরা উমরার নিয়ত করলে তাদের ইহরাম বাধার জন্য যেতে হয় আয়েশা মসজিদে। সেখানে যেয়ে (ইহরাম আগেও পড়া যায় মসজিদে আয়েশাতে যেয়েও অনেকে পরিধান করেন) দুই রাকাত নামাজ পড়ে তালবিয়া (লাব্বাইক .... ) পড়ে কাবা শরিফে এসে উমরার সব নিয়মনীতি পালন করেন।

মসজিদটি মক্কার তানঈম এলাকায় অবস্থিত। এটাকে মসজিদে তানঈমও বলা হয়। হেরেম এলাকার বাইরে এটি মক্কা থেকে সর্বাধিক নিকটবর্তী স্থান। মক্কা থেকে ৬ কিলোমিটার উত্তরে মক্কা-মদিনা রোডে আল হিজরা এলাকায় অবস্থিত এই মসজিদ। রাতদিন ২৪ ঘণ্টা এখানে মুসল্লিদের উপস্থিতি থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566392961853.jpg

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) এখান থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে উমরা করেছিলেন। পরে সেখানে একটি বিশাল মসজিদ গড়ে উঠে। মসজিদটি ইসলামি শিল্পনৈপুণ্যের এক অনুপম নিদর্শন।

বিদায় হজের সময় হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.)কে তার ভাই হজরত আবদুর রহমান (রা.)-এর সঙ্গে হারামের বাইরে এখান থেকে উমরার ইহরাম বাঁধার জন্য পাঠিয়েছিলেন।

এ কারণে এখান থেকে মক্কাবাসীরা উমরার জন্য এখান থেকে ইহরাম বেঁধে থাকেন। বিদেশি হাজিরা এখান থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে থাকেন। অবশ্য এটা নিয়ে ইসলামি স্কলারদের মাঝে বিতর্ক আছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566392972633.jpg

মক্কা থেকে এখানে আসতে বাস ভাড়া ৩ রিয়াল, আর ট্যাক্সি ভাড়া ৫ রিয়াল। সারাক্ষণ নফল উমরার ইহরামের জন্য আসা হাজিদের ভিড় থাকে মসজিদটিতে। বিশাল এই মসজিদের দু’টি মিনার ও একটি গম্বুজ অনেক দূর থেকে দেখা যায়। মসজিদটি খেজুর গাছ দ্বারা পরিবেষ্টিত। মসজিদের সামনে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য বিশাল জায়গা রয়েছে। রয়েছেন অজু ও নারীদের নামাজের জন্য আলাদা ব্যবস্থা।

হজ বা উমরাপালন করতে যারা বিমানযোগে সৌদি আরব আসেন তারা নিজ দেশ থেকে কিংবা নির্দিষ্ট মিকাত থেকে নিয়ত করেন। কিন্তু হজের পর উমরা করতে চাইলে উত্তম হলো- নির্দিষ্ট মিকাতে যেয়ে উমরার নিয়ত করা। এজন্য তায়েফ, রাবেক, মদিনা, আস-সাইরুল খাবির, আস-সাদিয়াত যেতে পারেন। এসব জায়গা থেকে আসার পথে মিকাত পড়বে। সেখান যথা নিয়মে উমরার নিয়ত করে উমরা আদায় করতে পারেন।

ইসলামি স্কলারদের অভিমত হচ্ছে, হজে গিয়ে বেশি বেশি তাওয়াফ করা। এটি সুন্নত এবং সবচেয়ে উত্তম কাজ। কাজেই যারা মক্কায় অবস্থান করেন, তারা বেশি করে তাওয়াফ করবেন এবং আল্লাহর ঘরে গিয়ে বেশি করে নফল নামাজ আদায় করবেন।

আরও পড়ুন: হজপালনে শীর্ষ ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ চতুর্থ

আরও পড়ুন: হজ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা

বাংলাদেশি আলেমরা উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন মসজিদে নববীতে

বাংলাদেশি আলেমরা উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন মসজিদে নববীতে
ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে আসা হজযাত্রীদের হজপালন বিষয়ে ধর্মীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে আসা ৫৮ আলেমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মদিনার মসজিদে নববী কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ৫৮ সদস্যের ওলামা-মাশায়েখ দল হজপালন শেষে মদিনার মসজিদে নববী পরিদর্শনে গেলে তারা এ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় মসজিদে নববীর প্রধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল খুদায়েরি বলেন, অতীতে বাংলাদেশের এতো বড় আলেম প্রতিনিধি দল সৌদি আরব বিশেষ করে মদিনায় আসেনি। একসঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের কাছে পেয়ে তারা গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566315408680.jpg

এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৌদি আরবের সঙ্গেও তিনি সুসম্পর্ক বজায় রাখছেন। তিনি আরও বলেন, মুসলিম বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের নেতৃত্বকে সমর্থন জানাবে বাংলাদেশ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566315426944.jpg

পরে বাংলাদেশের আলেম ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারকে সালাম ও দরুদ পেশ এবং রিয়াজুল জান্নাতে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেন মসজিদে নববী কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, হজযাত্রীদের পরামর্শ দিতে ৫৮ সদস্যের ওলামা-মাশায়েখের একটি দল রাষ্ট্রীয় খরচে সৌদি আরব অবস্থান করছেন। ২১ আগস্ট তাদের দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র