Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইসলামকে বিদআতমুক্ত রাখতে হবে: মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা

ইসলামকে বিদআতমুক্ত রাখতে হবে: মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ, ছবি: বার্তা২৪.কম
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বাস ও আমল তথা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে দ্বীন ইসলামের বিকৃতির বিষয়টিকেই আল্লাহর রাসূল (সা.) বিদআত নামে অভিহিত করেছেন। বিদআত এমন এক ব্যাধি যা মুসলিম উম্মাহকে দ্বীনের মূল চেতনা থেকে ধীরে ধীরে সরিয়ে দেয়। বাংলাদেশে বিভিন্ন পথ ও পদ্ধতিতে ইসলাম সম্প্রসারিত হওয়ায় এবং ইসলামি জ্ঞানের স্বল্পতা হেতু এ অঞ্চলের মুসলিমদের মধ্যে জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে বিভিন্ন বিদআত অনুপ্রবেশ করেছে এবং দিন দিন এর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধারা চলতে থাকলে দ্বীন ও শরীয়ত এক সময় বিদআতের বেড়াজালে এমনভাবে আবদ্ধ হয়ে পড়বে যে, বিদআতের আগাছা থেকে দ্বীন ও শরীয়তের মূল রূপ অনুধাবন করা কষ্টকর হয়ে পড়বে এবং ধীরে ধীরে ইসলাম মৌলিকত্ব হারিয়ে একটি কুসংস্কারাচ্ছন্ন লোকাচারে পর্যবসিত হবে।

শনিবার (২৫ মে) বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার কর্তৃক প্রকাশিত ‘বিদআত’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মাওলানা শহীদুল ইসলাম।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিদআত গ্রন্থের লেখক প্রফেসর ড. আহমদ আলীসহ বিপুল সংখ্যক লেখক, ইসলামি স্কলার, সাংবাদিক ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা রুহুল আমীন সাদী, মুফতি এনায়েতুল্লাহ, মাওলানা মুহিউদ্দীন কাসেমি, মাওলানা মুনীরুল ইসলাম, মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব, মাওলানা মিরাজ রহমান, মাওলানা এহসান সিরাজ, মাওলানা ইহসানুল হক, মাওলানা আবদুস সাত্তার আইনী, মাওলানা মানযূরুল হক, হাম্মাদ রাগিব, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ সিরাজ, মাওলানা ইলয়াস হুসাইন ও মাওলানা আবদুল গাফফার প্রমুখ।

সভায় বক্তারা ইসলামি জীবনাদর্শ যাতে বিকৃতি ও পরিবর্তনের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে তার মূল সৌন্দর্য্য নিয়ে স্বরূপে দীপ্তিমান থাকে সে জন্য প্রয়োজন প্রচলিত বিদআতসমূহ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/25/1558797392303.jpg

তারা বলেন, বিদআত হলো- আগাছা, ইসলামকে আগাছামুক্ত রাখা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

‘বিদআত’ বইটির লেখক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমদ আলী। আট খণ্ডে সমাপ্য এ সিরিজের ১ম ও ২য় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে আজ।

২০৮ পৃষ্ঠা, ডবল ডিমাই, ৭০ গ্রাম অফসেট কাগজে মুদ্রিত এবং চাররঙ্গা প্রচ্ছদ ও বোর্ডবাধাই বিদআত ১ম খণ্ডের মুদ্রিত মূল্য ৩০০ টাকা। ১ম খণ্ডে আলোচিত হয়েছে- বিদআতের পরিচয়, প্রকরণ, পর্যায়, বিদআত নিন্দনীয় হওয়ার কারণ, বিদআত প্রচলনের অনুষঙ্গ, বিদআত চেনার মানদণ্ড, বিদআতীদের বৈশিষ্ট্য ও তাদের চেনার উপায়, বিদআতিদের পরিণতি ও শাস্তি ইত্যাদি।

২য় খণ্ডের পৃষ্ঠা সংখ্যা ৫৯২, ৭০ গ্রাম অফসেট কাগজে মুদ্রিত এবং চার কালারের প্রচ্ছদ ও বোর্ডবাধাই গ্রন্থটির মুদ্রিত মূল্য ৬০০ টাকা। ২য় খণ্ডে আকিদা-বিশ্বাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিদআত নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এগারটি অধ্যায়ে বিভক্ত এ খণ্ডে জ্ঞানের উৎস, আল্লাহতায়ালার জাত ও তাওহিদ, সালাত তথা রাসূলুল্লাহ (সা.) ও অন্যান্য নবী-রাসূল, কোরআন ও অন্যান্য কিতাব, ফেরেশতা, পরকাল, তাকদির, ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম, সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সম্পর্কিত বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণা ও সংশ্লিষ্ট বিদআত তুলে ধরা হয়েছে।

দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদ, অফসেট পেপার ও ঝকঝকে ছাপায় প্রকাশিত বিদআত সিরিজের এ খণ্ড দু’টি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব জ্ঞানপিপাসু পাঠক বিশেষ করে প্রত্যেক শিক্ষিত মুসলিম ব্যক্তির পড়া প্রয়োজন। তাছাড়া ইসলামি গবেষক, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, উৎসাহী পাঠকসহ সকলের সংগ্রহে রাখার মতো।

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র