Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মসজিদে শিশুদের প্রবেশ প্রসঙ্গে ইসলাম কী বলে?

মসজিদে শিশুদের প্রবেশ প্রসঙ্গে ইসলাম কী বলে?
মসজিদে শিশুদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ইসলাম সমর্থন করে না, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি রাজধানী উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে লাল ব্যানারে শিশু কিংবা বাচ্চাদের নিয়ে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সর্বত্র প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে লাগিয়ে রাখা এ নোটিশটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ লোকজনই এ সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ করেছেন। তারা বলছেন, এমন সিদ্ধান্ত প্রকাশের পূর্বে ‘মসজিদে বাচ্চাদের প্রবেশ বা বাচ্চাদের নিয়ে মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে ইসলামের বিধান’ সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বলে মতামত দিচ্ছেন।

বিশিষ্ট আলেম ও শিক্ষাবিদ ড. আফম খালিদ হোসাইন সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফর করে এসেছেন। মালয়েশিয়া সফরে তিনি দেশটির বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেন। মালয়েশিয়া সফরের টুকরো অভিজ্ঞতা তিনি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

সে প্রেক্ষিতে তিনি মালয়েশিয়ার মসজিদে শিশু-বাচ্চাদের প্রবেশ বিষয়ে সেখানকার মুসলমানদের দৃষ্টিভঙ্গী শেয়ার করেছেন ফেসবুকে।

তিনি লিখেছেন, ‘মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্বিবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার সাঁটানো আছে। যেখানে লেখা আছে, সম্মানিত মা-বাবা ও অভিভাবকবৃন্দ! মসজিদের জামাতে শরিক করানোর ক্ষেত্রে বাচ্চাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করুন। ইসলাম এটাকে উৎসাহ জুগিয়েছে। নামাজের ওয়াক্ত ও অন্যান্য সময় একে অপরকে সম্মান করার এবং সৌজন্য বজায় রাখার শিক্ষা ইসলাম আমাদের প্রদান করে। অতএব আমাদের প্রত্যাশা মসজিদে আপনার শিশুর আচরণ পর্যবেক্ষণে আপনি সচেতন থাকবেন। একান্ত সহযোগিতার জন্য আমরা শোকরিয়া আদায় করি।’

এবার আলোচনা করা যাক মসজিদে শিশুদের প্রবেশ প্রসঙ্গে। মুসনাদে আহমাদের হাদিস। একবার হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামাতের একটা সিজদা খুব দীর্ঘায়িত করলেন। এতোই দীর্ঘায়িত করলেন যে, সাহাবারা (রা.) ভাবলেন হয়তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সমস্যা হয়েছে, অথবা তার উপর অহি নাজিল হচ্ছে। তাই তিনি সিজদা থেকে উঠতে পারছেন না।

নামাজ শেষে সাহাবারা দীর্ঘ নামাজের বিষযে প্রশ্ন করতে লাগলেন। কেউ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কি তখন কোনো সমস্যা হচ্ছিল?”

আবার কেউ বললো, 'জিবরাঈল কি তখন আপনার ওপর অহি নিয়ে এসেছিলো?’

মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্বিবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার সাঁটানো আছে
মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্বিবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের দেয়ালে দেয়ালে সাঁটানো আছে, ছবি: সংগৃহীত

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘এরকম কিছুই হয়নি আমার। আসলে, আমি যখন সিজদায় ছিলাম তখন আমার নাতী হাসান আমার কাঁধে চেপে বসেছিলো। ওর মনের আশা পূরণ হওয়ার আগে ওকে ঘাঁড় থেকে নামাতে মন চাইছিলো না আমার।’

নবী করিম (সা.) যখন নামাজ পড়ছিলেন, তখন তার দৌহিত্র হাসান গিয়ে ঘাঁড়ে চেপে বসলো। এতে করে কিন্তু নবী করিম সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোটেও বিরক্ত হননি। নামাজ শেষ করে হাসানকে ধমক দেননি। হাসানের পিতা হজরত আলী (রা.) কে শাসিয়ে দেননি তাকে মসজিদে আনার জন্য। এমনকি, হাসান ঘাঁড়ে চেপে বসায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামাজেও মনোযোগে বিঘ্ন ঘটেনি। তিনি পরেরদিন মসজিদের লিখে দেননি, ‘মসজিদে বাচ্চা নিয়ে প্রবেশ নিষেধ।’

অধুনা আমাদের দেশে একদল মুরব্বি মুসল্লির আবির্ভাব ঘটেছে। তারা মসজিদে বাচ্চাদের একেবারে সহ্যই করতে পারেন না। মসজিদে বাচ্চা দেখলেই তারা রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে যান। এই যে, উত্তরার মসজিদে তো ব্যানার-ফেস্টুন টানিয়ে বলা হলো, মসজিদে বাচ্চা নিয়ে আসবেন না।

মসজিদে বাচ্চা এলে তাদের নামাজের ডিস্টার্ব হয়। এরা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাইতেও বড় নামাজি কিনা!!

ভাবতে অবাক লাগে, কোন মানসিকতা নিয়ে তারা মসজিদ কমিটির সদস্য হয়? যারা মসজিদের আবেদন সম্পর্কে কিছুই জানে না। যারা মসজিদের কাউকে প্রবেশে বাঁধা দেয় তাদের সম্পর্কে কোরআনে কঠোর হুমকি এসেছে। সেই প্রেক্ষাপট আর এই প্রেক্ষাপট হয়তো এক না, কিন্তু বিষয়টা কোনোভাবেই ইসলাম সম্মত নয়।

আমাদের তরুণ প্রজন্ম এমনিতেই রসাতলে যাচ্ছে দিন দিন। চারদিকের ফেতনার জালে বন্দী হয়ে তারা দূরে সরে যাচ্ছে দ্বীন থেকে। সেখানে ভষিব্যৎ প্রজন্মকে মসজিদে আনা নিষেধ করা নিতান্তই বোকামি, মূর্খতা।

আমদের সমাজের অনেকেই শিশুদের মসজিদে নিয়ে যাই। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের এটি একটি চোখ জুড়ানো দৃশ্য। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে শিশুদের আল্লাহর ঘরের সঙ্গে পরিচয় করানো ও নামাজের জন্য অভ্যস্ত বানানো একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কেননা শিশুকালে যে জিনিসে অভ্যাস হয়, পরে তা করা সহজ হয়, নচেৎ তা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্যই হাদিস শরিফে এসেছে, ‘তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের সাত বছর বয়স থেকেই নামাজের নির্দেশ দাও। আর যখন ১০ বছর বয়সে উপনীত হবে, তখন তাদের নামাজে অবহেলায় শাস্তি প্রদান করো।’ -আবু দাউদ: ৪৯৫

তবে শিশুদের মসজিদে নেওয়ার বিষয়ে শরিয়ত কর্তৃক কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে, সেগুলো রক্ষার মাধ্যমে এ বিষয়ে কিছু অনিয়ম থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি। যেমন একেবারে অবুঝ শিশুকে মসজিদে আনা নিষেধ। যারা মসজিদের সম্মান ও নামাজের গুরুত্বের জ্ঞান রাখে না, তাদের মসজিদে আনার অনুমতি নেই। কেননা এতে সাধারণত মুসল্লিদের নামাজে বিঘ্ন ঘটে।

বুঝ হয়েছে, এমন নাবালেগ শিশুদের ব্যাপারে বিধান হলো, যদি শিশু একজন হয়, তাহলে তাকে বড়দের কাতারেই সমানভাবে দাঁড় করাবে। এ ক্ষেত্রে বড়দের নামাজের কোনো অসুবিধা হবে না। একাধিক শিশু হলে সাবালকদের পেছনে পৃথক কাতারে দাঁড় করানো সুন্নত। তবে হারিয়ে যাওয়া বা দুষ্টুমি করার আশঙ্কা হলে, বড়দের কাতারেও দাঁড়াতে পারবে।

অনেকের এ ধারণা রয়েছে যে নাবালেগ শিশুদের বড়দের কাতারের মধ্যে দাঁড় করালে পেছনের মুসল্লিদের নামাজ হয় না বা নামাজ ত্রুটিযুক্ত হয়, আসলে ব্যাপারটি সে ধরনের নয়। বরং যদিও জামাতের কাতারের সাধারণ নিয়ম ও সুন্নত হলো- প্রাপ্তবয়স্করা সামনে দাঁড়াবে ও অপ্রাপ্তবয়স্করা পেছনে থাকবে। কিন্তু এর ব্যতিক্রম হলে নামাজ অশুদ্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এ জন্য শিশু একা হলে বা পেছনে দুষ্টুমির শঙ্কা হলে বড়দের কাতারে সমানভাবে দাঁড় করানোই উত্তম।

আপনার মতামত লিখুন :

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

আগামীতে হজ কার্যক্রম আরও সহজ করা হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

আগামীতে হজ কার্যক্রম আরও সহজ করা হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
সবার মাঝে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: এবারের হজের ভুল-ক্রটি সংশোধন করে আগামীতে হজ কার্যক্রম আরও সহজ করা হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাতে মক্কায় সৌদি সরকারের দক্ষিণ এশিয়া হজ সেবা সংস্থা মোয়াসসাসার সঙ্গে হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর মতবিনিময় ও নৈশভোজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আগামীতে হাজিদের আরও সুবিধা নিশ্চিতের জন্য বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত হাবসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দেশে ফিরে আলোচনা অব্যাহত রাখা হবে। কোনো অবস্থাতেই হাজিদের কষ্ট হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলেও জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।'

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোয়াসসাসা চেয়ারম্যান ড. রাফাত ইসমাইল বদর। তিনি বাংলাদেশি হাজিদের সুবিধায় সৌদি আরব সরকারের নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, 'হাজিদের সুবিধা দেওয়ার ধারা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। হাজিদের আল্লাহর মেহমান উল্লেখ করে ড. রাফাত বলেন, ই-ভিসা সিস্টেম ও মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের মতো সুযোগ-সুবিধা আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, এটা নিয়ে কাজ চলছে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566052174957.jpg

হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি এম শাহাদত হোসাইন তসলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় হজ এজেন্সিগুলোর মালিক, প্রতিনিধি ও ধর্মীয় পরামর্শক হিসেবে হজে আসা বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম-উলামারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মোয়াসসাসার ডিরেক্টর জেনারেল ওমর সিরাজ আকবর নিজেকে বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করে বলেন, 'আমি গর্ববোধ করি বাংলাদেশি হাজিদের সেবা দিতে পেরে।'

সৌদি আরব ধর্ম মন্ত্রণালয়ের (দক্ষিণ এশিয়া) জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল আজিজ ফাহাদ রাহমা, হাব মহাসচিব ফারুক আহমদ সরদারসহ হাব নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হাবের পক্ষ থেকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও মোয়াসসারার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে পৌঁছার পর বিমান বন্দর থেকে হোটেল, হোটেল থেকে হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গা মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা ও কংকর নিক্ষেপের স্থান জামারার হাজিদের থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতের ব্যবস্থা করে মোয়াসসাসা অফিস। মোয়াসসাসার অধীনে প্রায় শতাধিক মুয়াল্লিম রয়েছে। এই মুয়াল্লিমদের মাধ্যমে সৌদি আরবে হাজিদের বিভিন্ন সেবা দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র