Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

মির্জাপুর শাহী মসজিদ: দেশের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন

মির্জাপুর শাহী মসজিদ: দেশের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন
মির্জাপুর শাহী মসজিদ, পঞ্চগড়, ছবি: বার্তা২৪.কম
মোহাম্মদ রনি মিয়াজী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পঞ্চগড়
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মুঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত পঞ্চগড় জেলার একমাত্র ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মসজিদ। ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি দেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্পের একটি অন্যতম উপাদান। মসজিদের অবস্থান দেশের সর্ব উত্তরের প্রান্তিক জেলা পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে। মির্জাপুর শাহী মসজিদের প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ঐতিহাসিকদের মতে, এ মসজিদের বয়স সাড়ে ৩শ’ বছরের বেশি।

অনেকের ধারণা মসজিদটি ষোড়শ শতকের শেষের দিকে নির্মিত। অনেকেই অনুমানে করেন এ মসজিদটি ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে (সম্ভাব্য) নির্মিত হয়েছে। কারণ মির্জাপুর শাহী মসজিদটি ঢাকা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত মসজিদের সঙ্গে ব্যাপক শৈলীর সাদৃশ্য খুজে পাওয়া যায় এ থেকে ধারণা করা হয় ঢাকা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত মসজিদের সম-সাময়িককালে এ মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। তবে মসজিদের দেয়াল থেকে কিছু উদ্ধারকৃত শিলালিপি থেকে অনুমান করা হয় ১৬৫৬ সালের দিকে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদটি। ভারত সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার শাসনামলে শাহী মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়।

তবে স্থানীয়রা মনে করেন, মির্জাপুর গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা মালিক উদ্দীন শাহী মসজিদ নির্মাণের এই মহান কাজটি করেছেন। তবে দোস্ত মোহাম্মদ শাহী মসজিদ নির্মাণের শেষ কাজটি সমাপ্ত করেন বলে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে।
দেশের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন

তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মির্জাপুর শাহী মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট, প্রস্থ ২৫ ফুট। এক সাড়িতে মসজিদের নির্মাণ শৈলীর নিপূণতা ও কারুকাজ থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত দর্শনার্থীদের বিশেষ করে আকৃষ্ট করে। মসজিদের মধ্যবর্তী দরজার উপরিভাগে নির্মাণ সম্পর্কে পারস্য ভাষায় লিখিত একটি ফলক রয়েছে, সে ফলকের ভাষা ও লিপি থেকে ধারণা পাওয়া যায় মোঘল সম্রাট শাহ আলমের রাজত্বকালে এট নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।

মোগল স্থাপত্য রীতির বৈশিষ্ট্যে ভরপুর সুসজ্জিত মির্জাপুর শাহী মসজিদের গম্বুজের শীর্ষবিন্দু ক্রমহ্রাসমান বেল্ট দ্বারা যুক্ত। মসজিদের দেওয়ালের টেরাকোট ফুল এবং লতাপাতার বিভিন্ন খোদাই করা নকশা আছে যা সহজেই আকৃষ্ট করে পর্যটকদের। এ মসজিদের গম্বুজের চার কোণায় চারটি মিনার আছে৷ সামনের দেয়ালের দরজার দু'পাশে গম্বুজের সাথে মিল রেখে দু’টি মিনার দৃশ্যমান। মসজিদের দেয়ালে ব্যবহার করা ইটসমূহ চিক্কন, রক্তবর্ণ ও বিভিন্নভাবে অলঙ্কৃত এবং দেয়ালের চারপাশ ইসলামি টেরাকোটা ফুল ও লতাপাতার নকশায় পরিপূর্ণ। বিশেষ করে মসজিদের মধ্যবর্তী দরজায় ফারসি লিপিখচিত মুদ্রার কালো ফলক, ফলকের লিপি ও ভাষা থেকে অনুমান করা যায় এ মসজিদটি মুগল সম্রাট শাহ আলমের শাসনমালে নির্মিত।
দেশের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন

মসজিদটির তিনটি বড় দরজা আছে, মসজিদের দেয়ালে কারুকার্য ও বিভিন্ন আকৃতির নকশা করা। মসজিদের ভেতরের দেয়ালে খোদাই করা কারুকার্য বিভিন্ন রঙের এবং বিভিন্ন ফুল, লতাপাতাসহ কোরআনের সংবলিত ক্যালিওগ্রাফি তুলির ছোঁয়ায় সজ্জিত করা যা মনোমুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের।

ঐতিহ্যবাহী মির্জাপুর শাহী মসজিদের সামনে একটি উন্মুক্ত খোলা জায়গা রয়েছে। এক পাশে সুসজ্জিত পাকা তোরণসহ মসজিদের উভয় পাশে নকশা ও খাঁজ করা স্তম্ভ রয়েছে। স্তম্ভেরগুলো মাঝে চ্যাপ্টা গম্বুজ, তোরণকে আরও সুন্দর করে তুলেছে। আর সুসজ্জিত গম্বুজের ওপরে মুদ্রা আকৃতির চূড়া দর্শনার্থীদের মাঝে আরও আকৃষ্ট করে। প্রাচীন এ মসজিদটি কয়েকশ বছর বয়স হলেও কোনো ক্ষতি হয়নি ফলে মসজিদের ইটের গাঁথুনি, দেয়াল, প্লাস্টার ও নকশাসহ সব কারুকাজ শক্ত ও মজবুতভাবে দাঁড়িয়ে আছে।

মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে জানান, অনেকদিন আগে প্রবল এক ভূমিকম্পে মসজিদটির বেশকিছু অংশ ভেঙে যায়। তখন মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা মালিক উদ্দীন মসজিদটি পুনঃসংস্কারের জন্য সুদূর ইরান থেকে কারিগর নিয়ে আসেন। সেই কারিগর তখন শাহী মসজিদটি সংস্কার করেন। তখন থেকে আর কোনো প্রকার সংস্কারের কাজ করা হয়নি।

শাহী মসজিদের নকশা খচিত কারুকাজ দেখার জন্য দেশি-বিদেশী পর্যটক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ ভিড় করেন প্রতিদিন।
দেশের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন

এ বিষয়ে মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মামুনুর রশিদ মামুন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘শাহী মসজিদ আমাদের ঐতিহ্য, স্থানীয় জনগণের দেখাশুনার পাশাপাশি যদি সরকারের সুদৃষ্টি থাকে, তাহলে প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মসজিদটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে আমি মনে করি।’

আটোয়ারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তহিদুল ইসলাম জানান, 'শাহী মসজিদটি আমাদের অতি প্রাচীন। মসজিদটি কালের ঐতিহ্য হওয়ায় দেশ-বিদেশ থেকে বহু মানুষ দেখতে আসেন। মসজিদ সংষ্কার ও সৌদর্য ধরে রাখে বহুবিধ কাজ করে যাচ্ছি আমরা।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ‘মির্জাপুর শাহী মসজিদটি পঞ্চগড়ে এক অন্যতম নিদর্শন। মসজিদ সংরক্ষণ ও সংষ্কার করার বিষয়ে আমরা আরও নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

একসঙ্গে ৫৮ জনের জানাজা!

একসঙ্গে ৫৮ জনের জানাজা!
জানাজার নামাজের জন্য মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: শুক্রবার (১৬ আগস্ট) মসজিদে হারামে ফজরের নামাজের পর দুইবারে ৫৮ জনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদে হারামের এত সংখ্যক মানুষের নামাজে জানাজা একসঙ্গে আদায়ের ঘটনা আর ঘটেনি। ৫৮ জনের মধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন হাজি রয়েছেন।

মসজিদে হারামে প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজ শেষে ‘আস সালাতু আলাল আমওয়াতি ইয়ারহামু কুমুল্লাহ', অথবা 'আস সালাতু আলাল আমওয়াতি ওয়াল আতফালি ইয়ারহামু কুমুল্লাহ' বলে জানাজার নামাজের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

চলতি হজ মৌসুমে ফরজ নামাজের পর একবার জানাজা শেষে দ্বিতীয়বার ঘোষণা দিয়ে আবার জানাজার নামাজ পড়া হচ্ছে। এটা নিয়ে এক ধরণের কৌতূহল কাজ করছে। এ বিষয়ে খোজ নিয়ে জানা গেছে, জানাজার জন্য আসা লাশের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে দুইবার জানাজা পড়তে হচ্ছে। শুক্রবার ফজরের নামাজের পরও দু'বার ঘোষণা দিয়ে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566023261620.jpg

 

হজযাত্রী এবং মক্কার আশপাশের এলাকার স্থানীয় সৌদি নাগরিক কিংবা কোনা প্রবাসী মারা গেলে তাদের জানাজা মসজিদে হারামে অনুষ্ঠিত হয়। হজযাত্রীরা ফরজ নামাজের পর সঙ্গে সঙ্গে সুন্নত নামাজ শুরু না করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন জানাজার জন্য, এটাই রীতি।

হজপালন করতে এসে কোনো হজযাত্রী হোটেল, বাড়ি কিংবা রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অথবা হাসপাতালে মারা গেলে তার মরদেহ দেশে পাঠানো হয় না। তবে লাশ দেশে না পাঠালেও মৃত্যুবরণকারী হাজির মৃত্যুর সনদ যথাসময়ে তাদের পরিবার বা তাদের প্রতিনিধি কিংবা এজেন্সির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরদেহের গোসল করানো, কাফন পরানো, জানাজা পড়ানো ও দাফন করাসহ যাবতীয় কাজ নির্দিষ্ট বিভাগ করে থাকে। মক্কার রুশাইফায় রয়েছে লাশের গোসল ও কাফন পরানোর ব্যবস্থা। হজপালনকারীদের লাশ বহন করার জন্য সরকারি গাড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশের এখানে কোনো কিছু করতে হয় না।

মসজিদে হারামে জানাজার জন্য লাশ গাড়িতে করে কাবা শরিফের দক্ষিণে নবী করিম (সা.)-এর জন্মস্থানের পাশে বাবে ইসমাইলের কাছে রাখা হয়। ফরজ নামাজের পর ইমাম সাহেব লাশ রাখার স্থানে এসে জানাজার নামাজ পড়ান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566023327139.jpg

 

আরবদের মাঝে লাশ বহরকারী খাটিয়া কাঁধে নেওয়ার আগ্রহ অনেক। এটা তাদের একটি বিশেষ গুণ। এটাকে তারা সৌভাগ্য মনে করে। এজন্য লাশ পরিচিত হওয়া জরুরি নয়।

পবিত্র হাদিসের ভাষ্যমতে, জানাজার নামাজ আদায় করলে উহুদ পর্বত সমান সওয়াব ব্যক্তির আমলনামায় যোগ হয়। জানাজার নামাজ আদায় করা- ‘ফরজে কেফায়া।’ অর্থাৎ সমাজের কিছু মানুষ তা আদায় করলে সবাই দায়িত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন। আর কেউ যদি এই কাজ না করেন, তাহলে সবাই পাপের ভাগীদার।

ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে ‘জানাজার নামাজ’ বলে যে ইবাদতটি পরিচিত, আরব দেশের জনগণ সেটিকে ‘সালাত আলাল মাইয়্যেত’ বা মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া বলে থাকেন। জানাজার নামাজ মূলতঃ মৃত ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা।

এক হাদিসের মর্মার্থ হলো- জানাজা মুসলমানের অন্যতম হক। এতে অংশ নিলে পরকালের কল্যাণ লাভের সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানের অধিকার সংরক্ষণের মতো মহৎ একটি কর্ম সম্পাদিত হয়।

 

আরও পড়ুন, হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু

হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু

হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু
দেশে ফিরতে এয়াপোর্টে যাচ্ছেন হাজিরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: শুরু হচ্ছে হজের ফিরতি ফ্লাইট। শনিবার (১৭ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া হজের ফিরতি ফ্লাইট চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের হাজিরা দেশে ফিরবেন। এবার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫২ জন বাংলাদেশি হজপালনের জন্য সৌদি আরব এসেছেন। হজপালনে এসে সৌদি আরবে শনিবার পর্যন্ত ৮১ জন ইন্তেকাল করেছেন।

৪১৯ জন হাজি নিয়ে সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে জেদ্দা ছেড়ে যাবে বিমানের বিজি৩৫২০ ফ্লাইট। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৪০মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে। প্রথম দিন তিনটি ফিরতি ফ্লাইট রয়েছে।

আরও পড়ুন: ২৬ বছরের জমানো টাকায় হজ!

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনসের ৩৬৫টি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন বাংলাদেশি হাজিরা। জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হাজিদের সেবা দিতে কাজ শুরু করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566019669426.jpg

প্রত্যেক হাজি বিনা মূল্যে সর্বাধিক দুটি ব্যাগে ৪৬ কেজি মালামাল আনতে পারবেন। বিজনেস ক্লাসের জন্য সর্বাধিক দুটি ব্যাগে ৫৬ কেজি মালামাল বহন করতে পারবেন। কেবিন ব্যাগেজে ৭ কেজি মালামাল সঙ্গে রাখতে পারবেন। তবে কোনোভাবেই প্রতি পিস ব্যাগের ওজন ২৩ কেজি এবং বিজনেস ক্লাসে ২৮ কেজির বেশি হতে পারবে না।

আরও পড়ুন: হাজিরা মক্কা ছাড়তে শুরু করেছেন

বাংলাদেশের যাত্রীরা ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে এবং সৌদির যাত্রীরা জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে ৫ লিটার জমজমের পানি বিনা মূল্যে নিতে পারবেন। সুতরাং মক্কা কিংবা জেদ্দা থেকে জমজমের পানি সংগ্রহের কোনো প্রয়োজন নেই। বিমানে পানির জন্য প্রত্যেককে একটি করে টোকেন দেওয়া হবে। পরে ওই টোকেন দেখিয়ে জমজমের পানি সংগ্রহ করতে হবে বিমান বন্দরের নিদিষ্ট কাউন্টার থেকে।

পবিত্র হজপালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে আসার সময় ৬০ হাজার হাজি মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভের আওতায় ঢাকায় প্রি-ডিপারচার এরাইভাল সুবিধা পেয়েছেন এবং তাদের লাগেজ নিজ নিজ হোটেলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু ফিরতি ফ্লাইট মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভের আওতায় না থাকায় হাজিদেরকে তাদের লাগেজ নিজ দায়িত্বে বহন করতে হবে।

আরও পড়ুন: হজের খুতবা দেওয়া হয় যে মসজিদ থেকে

লাগেজসহ মক্কা থেকে হাজিদের জেদ্দা বিমান বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছে মক্কা বাংলাদেশ হজ মিশন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র