Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নৈতিক অবক্ষয়রোধে ৭ দফা সুপারিশ কওমি ফোরামের

নৈতিক অবক্ষয়রোধে ৭ দফা সুপারিশ কওমি ফোরামের
নৈতিক অবক্ষয়রোধে ৭ দফা সুপারিশ পেশ করেছে কওমি ফোরাম, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিদিনই নারী নির্যাতনের খবর প্রকাশ পাচ্ছে মিডিয়ায়। অবস্থা অনেকটা এমন, নারীরা কোথাও নিরাপদ নয়। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, শিক্ষাঙ্গনে নারী নির্যাতনের খবর। শিক্ষাঙ্গন হচ্ছে সভ্যতা ও নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার স্থান। যেখানে মানুষ আচার-ব্যবহার, সভ্যতা ও নৈতিকতা শিখে। সেখানেই যদি এগুলোর অবক্ষয় ঘটে, তাহলে এই সমাজ মানুষের সমাজ হিসেবে কী করে টিকে থাকবে? যারা জ্ঞানের আলোর বিচ্ছুরণে ভূমিকা রাখবেন তারাই যদি অন্ধকার জগতে বাস করেন তাহলে সভ্য ও আলোকিত মানুষ কী করে সৃষ্টি হবে?

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে কওমি ফোরামের আহবানে ‘শিক্ষাঙ্গনে অনৈতিকতারোধে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এমন উদ্বেগ জানিয়েছেন।

সেমিনারে ঢাকার মসজিদের ইমাম, খতিব, মুফাসসিরে কোরআন, সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কওমি ফোরামের সমন্বয়ক মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন- মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা হাসান জামিল, মুফতি এনায়েতুল্লাহ, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মুফতি তোফায়েল গাজালী, মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা ইয়াকুব উসমানি, মুফতি দ্বীন মুহাম্মদ, মাওলানা মাহবুব নবাবগঞ্জী, মুফতি আবুল কালাম তৈয়্যবি, মুফতি রিজওয়ান রফিকী, মাওলানা ইনআমুল হক আইয়ুবী, মুফতি আখতার হাফেজ্জী, মাওলানা আবুল বাশার রিজওয়ান, মাওলানা ফরহাত আশরাফী, মাওলানা আজহারুল ইসলাম আজমি, মুফতি আব্দুর রহিম আল মাদানি, মুফতি খালিদ সাইফুল্লাহ্ নুমানি, মাওলানা আনোয়ার আনসারী, মুফতি আবসার সিদ্দিকি, মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফি ও মুফতি মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

সেমিনার থেকে শিক্ষাঙ্গনে নৈতিক অবক্ষয়রোধে ৭ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়। সুপারিশগুলো হলো-

১. নারীদের জন্য পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে। যেখানে পাঠদান এবং পাঠগ্রহণসহ যাবতীয় কার্যক্রম নারীরা পরিচালনা করবেন।

২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করতে হবে। অর্থাৎ শিক্ষিত ও শিক্ষানুরাগী এবং শিক্ষার মূল্য অনুধাবন করতে সক্ষম এমন ব্যক্তিরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

৩. শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনার মূলোৎপাটন করতে হবে। শিক্ষার জন্য নিবেদিত প্রাণ, মেধাবী ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত এমন লোকদেরকেই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

কওমি ফোরামের সেমিনার, ছবি: বার্তা২৪.কম
নৈতিক অবক্ষয়রোধে ৭ দফা সুপারিশ পেশ করেছে কওমি ফোরাম, ছবি: বার্তা২৪.কম

৪. যারা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে অর্থাৎ শিক্ষকতার মেজাজ নেই, কেবল জীবিকা নির্বাহের খাতিরে এ পেশায় আত্মনিয়োগ করেছে, তাদেরকে শিক্ষকতা থেকে দূরে সরিয়ে দিতে হবে।

৫. ছাত্র, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সমস্যা সরাসরি সরকার প্রধানকে অবহিত করা যায় এমন কোনো পথ খুলতে হবে। প্রয়োজনে এজন্য প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে কোনো সেল গঠন করা যেতে পারে।

৬. শহরকেন্দ্রিক গণপরিবহনগুলো দুই দরজা বিশিষ্ট হতে হবে। সামনের দরজা দিয়ে কেবল নারীরা আরোহণ ও অবতরণ করবেন। পেছনের দরজা বরাদ্দ থাকবে পুরুষদের জন্য। প্রয়োজনে গণপরিবহনের মধ্যখানে পার্টিশনের ব্যবস্থা করে নেওয়া যেতে পারে। যাতে নারীদের চলাফেরা নির্বিঘ্ন ও নিষ্কণ্টক হয়।

৭. আল্লাহতায়ালার ফরজ বিধান পর্দার প্রতি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করতে হবে। ধর্ম ও নৈতিকতার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে শিক্ষার সকল স্তরে। যৌন উত্তেজনা ও উম্মাদনা সৃষ্টিকারী সমস্ত আয়োজন যথা অশ্লীল নাটক, সিনেমা, ম্যাগাজিন ও ওয়েবসাইট ইত্যাদি বন্ধ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র