Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

তোমাদের জন্য প্রার্থনা ও ভালোবাসা

তোমাদের জন্য প্রার্থনা ও ভালোবাসা
ছবি: সংগৃহীত
ড. মাহফুজ পারভেজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এইসব অমলিন মুখ এখন বিশ্ব শান্তির প্রতীক। বিশ্বের প্রতিটি শান্তিকামী মানুষের মুখ ভাসছে এইসব বিদেহী মানুষের মুখচ্ছবিতে। সন্ত্রাস, ঘৃণা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক আইকন এখন এইসব মুখগুলো।

মুখগুলো বয়সী প্রবীণের। নিষ্পাপ শিশুর। লাজুক তরুণীর। নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে প্রার্থনারত মানুষর মধ্যে যে ৫০ জন ঘাতকের নির্মম বুলেটে প্রাণ দিয়েছেন, মুখগুলো শুধু তাদেরই নয়, মুখগুলো হিংসার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো প্রতিটি মানবিক মানুষের।

বিনা উসকানি ও প্ররোচনায় শান্তিপূর্ণভাবে প্রার্থনারত যে মানুষগুলোকে হত্যা করেছে বর্ণবাদ, ঘৃণা ও হিংসার অপশক্তি, সে মানুষগুলো তাদের জীবন দিয়ে এনেছেন শান্তির সুবাতাস। তাদের মৃত্যুর মাত্র ছয় দিনের মাথায় নিউজিল্যান্ড সে দেশে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করেছে। বিশ্বের আরও বহু দেশ অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার কথা ভাবছে। এইসব মানুষ নিজের জীবন দিয়ে অনাগতকালের বহু মানুষের সম্ভাব্য মৃত্যু ঠেকিয়ে দিয়েছেন। সন্ত্রাস ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে জ্বলন্ত-নিরব প্রতিবাদ এই মুখগুলো।

এই মুখগুলো বদলে দিয়েছে আধুনিক দুনিয়ার চিন্তা ও চেতনা। সন্ত্রাসের কথিত অভিযোগ করে মুসলিমদের অভিযুক্ত করার অন্যায় প্রবণতাকে নস্যাৎ করে দিয়েছেন তারা নিজের জীবন দিয়ে। ইসলাম যে শান্তির ধর্ম, সে বাণী আজ পৃথিবীর কেন্দ্র ও প্রান্তে-প্রান্তে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়েছে এইসব মানুষের আত্মদানের আবহে।

নিউজিল্যান্ড ও বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মানুষ দলে দলে এসে সমবেত হয়েছেন এদের সমর্থনে। মসজিদের পাশে দাঁড়িয়ে গেছেন। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পুষ্পাঞ্জলিতে ভরিয়ে দিয়েছেন মৃত্যদের স্মৃতিচিহ্ন। তাদের মতো হেজাব পড়েছেন। প্রার্থনা করছেন। আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিচ্ছেন। সেজদায় লুটিয়ে পড়ছেন ভূমিতলে।

কেবল সরকার প্রধান বা কর্তাব্যক্তিরাই নন, সাধারণ মানুষের অন্তর কেঁদে উঠেছে এইসব নিহত মানুষের জন্য। এদের অম্লান মুখচ্ছবির দিকে তাকিয়ে অশ্রুসিক্ত হচ্ছে সারা দুনিয়া। মৃত্যরাও কখনও কখনও জীবিতের চেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাব বিস্তারী হতে পারেন, প্রমাণ দিলেই নিউজিল্যান্ডের এইসব নিহত মুখগুলো।

তাদের মৃত্যুর পর আজ প্রথম শুক্রবার (২২ মার্চ) এসেছে ভীষন অন্য রকম ভাবে। মুসলমানদের পবিত্র দিন এই শুক্রবারটি পৃথিবীর ইতিহাসে শুধু মুসলমানদেরই নয়। এই শুক্রবার সকল শান্তিকামী মানুষের। এই শুক্রবারে পশ্চিমা বিশ্বের মিডিয়ার সবগুলো মাধ্যমে ভাসছে আজানের ধ্বনি, পবিত্র কোরআনের সুরেলা সুর। সকলের পথ যেন এই শুক্রবারে এসে মিলেছে সেই মসজিদে, যেখানে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল শান্তিতে প্রার্থনারত এইসব মুখের মানুষগুলোকে।

এই শুক্রবারে বিশ্বের সকল প্রার্থনাগাহ আপ্লূত হবে এইসব মানুষের জন্য প্রার্থনার বাণীতে। এই শুক্রবারে প্রতিটি হৃদয় ভেসে যাবে এইসব মানুষের জন্য অপরিসীম ভালোবাসায়। শান্তির জন্য নিবেদিত ধর্ম ইসলামের প্রকৃত মর্মবাণী উচ্চারিত হবে পৃথিবীর সর্বত্র। ঘৃণা ও হিংসার বিরুদ্ধে উচ্চকিত হবে শান্তির ধ্বনি।

সন্ত্রাস, ঘৃণা, জঙ্গিবাদের জন্য একতরফা ও অন্যায় ভাবে যে মুসলিমদের অভিযুক্ত করা হতো, তারা জীবন দিয়ে প্রমাণ করলেন শান্তি ও কল্যাণের আদর্শ। প্রতিষ্ঠা করলেন এই সত্য যে, তারাই শান্তির বার্তাবহ, কল্যাণের অনুগামী। ক্ষমা করে দিয়ে জানালেন মানবিকতার বার্তা। পৃথিবীকে দেখালেন অনুপম ত্যাগের আদর্শ। এইসব মুখচ্ছবি হতাশ, সংক্ষুব্ধ, আত্মঘাতী পৃথিবীর সামনে রাখলেন প্রাণময়তার দৃষ্টান্ত। জীবনের মতো মরণেও তারা তৃপ্তি আর হাসিতে জানিয়ে দিলেন কল্যাণকর পৃথিবীর আহ্বান।

এই শুক্রবারে, প্রতিটি দিনে, সন্ত্রাস ও ঘৃণার কাছে শান্তি ও কল্যাণের বাণী উচ্চকিত করে জীবনদানকারী এইসব শুদ্ধতম মানুষের জন্য আমাদের প্রার্থনা। এইসব নিষ্কলুষ মানুষের জন্য আমাদের হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা। তোমাদের জীবন দান আগামীর দিনগুলোকে সুন্দর ও শান্তির পৃথিবী গড়ার আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলজ্বল করবে কাল-মহাকালে, প্রজন্ম-প্রজন্মান্তরে, ইতিহাসের পাতায় পাতায়।   

ড. মাহফুজ পারভেজ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র