Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গর্ভধারণ ইবাদতের মতোই সওয়াবের কাজ

গর্ভধারণ ইবাদতের মতোই সওয়াবের কাজ
হে আমার পালনবকর্তা! আমার গর্ভে যা রয়েছে, আমি তাকে তোমার নামে উৎসর্গ করলাম সবার কাছ থেকে মুক্ত রেখে। -সূরা আলে ইমরান: ৩৫
তাযকিরা খাতুন রিনি
অতিথি লেখক
ইসলাম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলাম ধর্মে ভ্রূণ নষ্ট নিষিদ্ধ কাজ, এটা মানব হত্যার শামিল। গর্ভে থাকা ভ্রূণ একটি পরিপূর্ণ মানুষের অধিকারপ্রাপ্ত। এ ভ্রূণের ক্ষতি করার অধিকার কারো নেই। কোরআনে কারিমে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, ‘কেউ যদি মনে করেন আগত শিশুকে লালন-পালন করা তার পক্ষে হয়ত সম্ভব হবে না এবং ওই ভয়ে ভ্রূণকে মেরে ফেলে, তাহলে তা মহাপাপ বলে বিবেচিত হবে।’

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়। এ প্রক্রিয়ার সূচনা হয় মায়ের গর্ভে। মাতৃগর্ভ থেকেই শিশুর খাদ্য ও পুষ্টির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হয়। গর্ভবতী মায়ের সুস্থতার পাশাপাশি মাতৃগর্ভে থাকা শিশুকে ভালো ও সুস্থ রাখতে মায়ের যথোপযুক্ত পরিচর্যা দরকার। একজন গর্ভবতী মা তার শরীরের মধ্যে ধারণ করছেন আরেকজন ক্ষুদ্রাকৃতির মানুষ। পেটের ভেতর ছোট্ট এ মানুষটির বেড়ে ওঠার জন্য স্বাভাবিক পরিবেশ ও পরিস্থিতি দরকার। এর মধ্যে খাদ্য, আলো, বাতাস, বিশ্রাম ও সময়মতো ডাক্তারের পরামর্শ অন্যতম।

ইসলাম ধর্মে এ বিষয়ে নানা ধরণের দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামি নীতিমালায় গর্ভবতী নারী ও গর্ভে থাকা ভ্রূণের যত্ম ও পরিচর্যাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মায়ের গর্ভে প্রাণ সঞ্চারের পর থেকে ভ্রূণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। গর্ভের শিশু মায়ের শরীর থেকে তার প্রয়োজনীয় খাবার সংগ্রহ করে। এ কারণে গর্ভবতী মায়ের শরীরে সব ধরণের পুষ্টি উৎপাদনের চাহিদা বেড়ে যায়। তখন প্রতিদিন অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। সন্তান গর্ভে থাকলে মায়ের প্রয়োজন অনুসারে বাড়তি খাবার খেতে হয়। গর্ভবতী মা যদি সুষম খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ না করেন, তাহলে গর্ভস্থ শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। মায়ের অপুষ্টির জন্য সাধারণত দুর্বল শিশু জন্মগ্রহণ করে এবং জন্মের সময় শিশুর ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়। ফলে শিশু নানা ধরনের রোগের সম্মুখীন হয়।

সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে মা ও বাবা উভয়ের ভূমিকা থাকলেও বাস্তবতা হলো- গর্ভস্থ শিশুকে পৃথিবীতে সুস্থ অবস্থায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকাই প্রধান। শিশুকে সুস্থভাবে পৃথিবীতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকার প্রতি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়েছে ইসলাম।

সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তান গর্ভে ধারণ করাকে ইবাদত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, গর্ভবতী নারী ওই ব্যক্তির মতো যে সারাদিন রোজা রাখেন এবং রাত জেগে ইবাদত করেন। ইসলাম ধর্মে শহীদের মর্যাদা হচ্ছে সবার ওপরে। ইসলামি বর্ণনায় এসেছে, সন্তান পেটে থাকা অবস্থায় বা প্রসবের সময় এমনকি শিশুকে দুধ দেওয়ার কারণে কোনো নারী মারা গেলে তিনি শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবেন। গর্ভবতী নারীকে যুদ্ধের ময়দানে জান-মাল দিয়ে সত্যের জন্য জিহাদকারী ব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

গর্ভবতী নারীর জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। স্বামীসহ পরিবারের সব সদস্যের পক্ষ থেকে মানসিক সমর্থন এ সময় খুবই জরুরি। গর্ভবতী নারী যদি বুঝতে পারেন সবাই তার পাশে রয়েছে এবং মায়া-মমতায় আগলে রেখেছে তাহলে এই সময়ের কষ্ট সহ্য করা তার জন্য সহজ হয়। মায়ের মানসিক প্রশান্তি গর্ভের সন্তানের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আসলে গর্ভে সন্তান আসার পর একজন নারী শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে নানা জটিলতার সম্মুখীন হয়। বমি থেকে শুরু করে মাথা ও কোমর ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে আরও নানা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

কোরআনে কারিমের সূরা লোকমানের ১৪ নম্বর আয়াতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে।’

প্রত্যেক মা যে তার সন্তানকে পৃথিবীতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে কত কষ্ট করেন তা এই আয়াতে আল্লাহতায়ালা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এই আয়াতে মায়ের প্রতি মানসিক সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। মায়ের গর্ভে সন্তানের ভ্রূণ সৃষ্টিতে পিতা-মাতা দু’জনেরই ভূমিকা থাকলেও এরপর নয় মাসের গর্ভধারণ এবং ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুকে দুই বছর দুধ খাওয়ানোর দায়িত্ব মাকেই পালন করতে হয়।

যখন একটি শিশু সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় থাকে তখন মা তাকে বুকের দুধ পান করিয়ে, প্রাণের সব মায়া-মমতা ঢেলে সন্তানকে একটু একটু করে বড় করে তোলেন। নবজাতককে জন্ম দিতে এবং এরপর দু’বছর তাকে দুধ খাওয়াতে গিয়ে মায়ের অসহনীয় কষ্ট হয় এবং তিনি এজন্য দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়েন। সূরা লোকমানের ১৪ নম্বর আয়াতে এ বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

গর্ভধারণের পর থেকে সন্তান প্রসব পর্যন্ত একজন নারীর জন্য নানা ধরণের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রয়োজন। গর্ভবতী নারীর জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি।

মনে রাখতে হবে, একটি শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন তার বয়স নয় মাস অতিক্রম করেছে। এ কারণেই ইসলাম ধর্ম ভ্রূণকে মানুষের মর্যাদা দিয়েছে এবং শিশু যখন ভ্রূণ অবস্থায় মায়ের গর্ভে থাকে, তখন থেকেই শিশুর যত্ন নিতে বলেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো

আরও ৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা চায় হজ এজেন্সিগুলো
কাবা প্রাঙ্গণে হজযাত্রীদের একাংশ, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। জাতীয় হজ ও ওমরা নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যু বা মারাত্মক অসুস্থতাজনিত কারণে নিবন্ধিত কেউ হজে যেতে না পারলে তার পরিবর্তে অন্য কাউকে হজে পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমতি দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে এজেন্সিকে ওই হজযাত্রীর অসুস্থতার পক্ষে চিকিৎসকের সনদপত্র অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সনদপত্র জমা দিতে হবে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

তবে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট অনেকেই বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন, নীতিমালায় যাই থাকুক, রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে হজ এজেন্সিগুলোকে বাড়তি কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যেমন নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার পরও কিছু এজেন্সি দাবি করছেন আরও ৫ শতাংশ সুবিধার।

চলতি হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে এজেন্সিগুলোকে প্রতি ১০ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে তা নির্ধারিত সময়ের জন্য হওয়ার কারণে কিছু এজেন্সি তখন এই সুবিধা নিতে পারেনি। এখন এজেন্সিগুলো আরেক দফায় এই সুযোগ চায়। প্রতিস্থাপনের সুবধিা না পাওয়ার কারণে অনেক এজেন্সি এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করে তাসরিয়ার অনুমোদন নিতে পারছে না। এ জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ও গত কয়েক দিন কয়েক দফায় এজেন্সিগুলোকে তলব করে তাদের সর্বশেষ অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ প্রায় ৪০টি এজেন্সিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ডেকেছিল।

এ বিষয়ে হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেছেন, আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছি। মন্ত্রণালয় দুই দফায় আমাদের হজযাত্রীদের ১০ শতাংশ করে রিপ্লেমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। এখন যারা হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যাপারে তথ্য দিতে পারছে না তাদেরকে ডেকে প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, রিপ্লেমেন্টের জন্য নতুন করে অনুরোধ করার কিছু নেই। আমরা আগেই অনুরোধ করে রেখেছি সেটি বিবেচনায় রেখে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা আশা করি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এজেন্সি মালিক রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার বিষয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আসলে আগের বছর ১৫ শতাংশের বেশি রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়েছে তিন দফায়। এবারও দুই দফায় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময় নির্ধারিত থাকা কারণে পরে যাদের রিপ্লেসমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। এ ছাড়া দেখা গেছে, অনেকে শতকরা হারে সে সংখ্যায় রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা পেয়েছে তার প্রকৃত রিপ্লেসযোগ্য হজযাত্রীর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ফলে সে আরেক দফায় সুবিধার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তাদের দাবি, যারা হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছেন তাদেরই তো রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হবে। এতে কোটা খালি থাকা বা সরকারের লাভ-লোকসানের কিছু নেই। বরং কোনো এজেন্সি তার হজযাত্রী পাঠাতে না পারলে তার বাড়ি ভাড়ার টাকা এমনকি বিমানের টিকিটের টাকাসহ ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর ওই সব হজযাত্রীর কোটাও খালি যাবে। ফলে সব কিছু বিবেচনা করে সর্বশেষ রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য এবার সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তার কারণে হজ ফ্লাইট নিয়ে কোনো ঝামেলা এখন পর্যন্ত হয়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হজযাত্রীদের নামে বিমানের টিকিট নিশ্চিত করাসহ হজ অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা নিশ্চিত করার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই দফায় দফায় এজেন্সিগুলোকে ডেকে তাদের সর্বশেষ তথ্য জানছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এখনও কিছু এজেন্সির সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া ও তাসরিয়ার ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তথ্য না থাকায় প্রকৃত অবস্থা জেনে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি মিলে এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী যাওয়ার কথা। ৫৯৮টি বেসরকারি এজেন্সি এ বছর হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন করছে। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজপালনের জন্য সৌদিতে যাওয়া বাংলাদেশি মধ্যে চার পুরুষ ও একজন নারী ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র