Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ল্যাটিনোরা দলে দলে ইসলামে ঝুঁকছে

ল্যাটিনোরা দলে দলে ইসলামে ঝুঁকছে
ল্যাটিনোরা দলে দলে ইসলামে ঝুঁকছে, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া ধর্মের অন্যতম হচ্ছে ইসলাম। আমেরিকায় ইতোমধ্যে ইসলাম দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মের স্থান দখল করেছে। সেখানে বর্তমানে ল্যাটিনোরা বড় সংখ্যায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন।

ইসলামের মানবিক আচরণ, ধর্মীয় সহনশীলতা, অপরকে সম্মান দেওয়ার ঐতিহ্য এবং লিঙ্গবৈষম্যহীনতা ইত্যাদি ইসলামে এভাবে প্রবেশ করার প্রধান কারণ। কিছুদিন আগে পিউ রিসার্চ সেন্টার ‘পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের ভবিষ্যদ’ বিষয়ে একটি গবেষণা করে।

গবেষণায় ল্যাটিন যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ১৯টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই গবেষণায় বলা হয়েছিল, ল্যাটিন অঞ্চলে এভাবে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে ওই অঞ্চলে তাদের মোট সংখ্যা হবে ১০ লাখের বেশি।

ল্যাটিন আমেরিকা এবং আইবেরিয়ান উপদ্বীপের বিভিন্ন গোষ্ঠীর বংশোদ্ভূত যেসব লোক যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে তাদেরকে ল্যাটিনো বলা হয়।

আমেরিকার জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যা মানুষ ল্যাটিনো। স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউটের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত যেমন ব্রুাজিলিয়ান, স্প্যানিশ ভাষাভাষীদের জন্য ল্যাটিনো শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে যেসব গোষ্ঠীর মধ্যে ইসলাম দ্রুতগতিতে প্রচার হচ্ছে, ল্যাটিনো সেগুলোর অন্যতম।

বর্তমানে আমেরিকার ক্যাথলিক ধর্মগোষ্ঠীর মধ্যে ৩৪ শতাংশ লোক ল্যাটিনো জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীটি মূলত অভিবাসী গ্রুপ। আর তারা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্রে ঠিক কতজন ল্যাটিনো এবং ল্যাটিনা মুসলমান রয়েছে তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। কারণ তাদের নিয়ে কখনও কোনো সরকারি সমীক্ষা হয়নি, গবেষণাও করা হয়নি। অনেকের ধারণা, এ সংখ্যা দেড় লাখ থেকে ২ লাখ পর্যন্ত হতে পারে।

ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাদের ৯০ শতাংশই ধর্মান্তরিত মুসলিম এবং এদের অধিকাংশই নারী। ফলে ল্যাটিনো মুসলমানরা এখন ইসলামের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধমান জাতিগত গ্রুপে পরিণত হয়েছে।

-দ্য সিয়াসাত ডেইলি অবলম্বনে

আপনার মতামত লিখুন :

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ
আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়, ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে আরও ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্ট কিংবা প্রতিস্থাপনের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২২ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে।

হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের জন্য ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে হজ অফিসের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং তা অনলাইনে নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে লিখিত আবেদনে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সুপারিশ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিস্থাপনযোগ্য হজযাত্রীর গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুজনিত কারণে হজপালন করতে পারবেন না মর্মে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর লিখিত আবেদন এবং উপযুক্ত চিকিৎসকের সনদ দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

প্রতিস্থাপন প্রাপ্তির জন্য এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না মর্মে তিনশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে। হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হজ নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছর দুই দফায় ৫ শতাংশ করে ১০ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও ৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দেওয়া হলো।

হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর হজপালনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হজযাত্রীরা যাওয়া শুরু করেছেন। রোববার (২১ জুলাই) সকাল আটটা পর্যন্ত সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬২ জন হজযাত্রী পৌঁছেছেন।

এসব হজযাত্রীদের মধ্যে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ জন আকাশপথে, ৮ হাজার ৭১০ জন সড়কপথে ও ৬ হাজার ৩ জন নৌপথে সৌদি আরব পৌঁছেছেন।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ১৮৬টি দেশ থেকে হজযাত্রী আসবেন হজপালনের জন্য।

বিভিন্ন দেশের মুসলিম জনসংখ্যার হার অনুপাতে সৌদি আরব হজপালনকারীদের জন্য কোটা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। তাদের দেওয়া কোটা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে হজ পালনেচ্ছুদের হজে আসতে হয়। সাধারণত ১০ লাখ লোকের জন্য ১ হাজার কোটা বরাদ্দের একটি নিয়ম তারা অনুসরণ করে।

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। ইতোমধ্যে ৭২ হাজার ৭৪৬ জন সৌদি আরব গিয়ে পৌঁছেছেন।

সৌদি গেজেটের এক খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীসহ ৩ লাখেরও বেশি মানুষ এ পর্যন্ত হজপালনের অনুমতি পেয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা নিবন্ধিত হয়েছেন।

হজযাত্রীরা নিরাপদ ও স্বস্তির সঙ্গে হজপালন করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র