Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মিন্দানাওয়ের মুসলমানরা স্বায়ত্তশাসন পেতে গণভোট দিলেন

মিন্দানাওয়ের মুসলমানরা স্বায়ত্তশাসন পেতে গণভোট দিলেন
ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন মিন্দানাওয়ের মুসলমানরা, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন আইনের আলোকে ফিলিপাইনের মুসলিম অধুষ্যিত মিন্দানাও অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে সোমবার (২১ জানুয়ারি) গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ গণভোটে অংশ নিয়েছেন অন্তত ৩০ লাখ মানুষ। হ্যাঁ ভোট জয়ী হলে এ অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরা স্বায়ত্তশাসন পাবেন। ফলে মানুষের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে। নিজস্ব পার্লামেন্ট ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা পাবেন তারা।

পাঁচ বছর আগে মিন্দানাওয়ে মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট-এমআইএলএফের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করে তৎকালীন ফিলিপাইন সরকার। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় সশস্ত্র গোষ্ঠী মনে করা হয় এমআইএলএফকে।

স্বাধীনতার দাবিতে মিন্দানাওয়ে চার দশক ধরে তারা লড়াই চালায়। এতে অন্তত দেড় লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। শান্তি চুক্তির আলোকে ২০১৮ সালে ‘বাংসামোরো অর্গানিক ল’ নামে একটি বিল পাস হয় ফিলিপাইনের পার্লামেন্টে। এ বিলের পক্ষে-বিপক্ষেই এ গণভোট হলো।

মিন্দানাওয়ে স্বায়ত্তশাসনে সমর্থন রয়েছে খ্রিস্টানদেরও। হ্যাঁ ভোট জয়ী হলে নিজস্ব পার্লামেন্ট পাবেন মরো জনগণ। থাকবে বাজেট প্রণয়নের ক্ষমতা এবং নিজস্ব পুলিশ বাহিনী।

ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে এক ভোটার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের বিশ্বাস এ গণভোট জনজীবনে শান্তি বয়ে আনবে। দশকের পর দশক যে সংঘাতময় অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি তার সমাধান এ ভোট। সেজন্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছি।

তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের ধর্ম শান্তির কথা বলে; আশা করছি এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং মারাবির নিজ পিতৃভিটায় ফিরতে পারব।

মিন্দানাও ফিলিপাইনের সবচেয়ে অনুন্নত এলাকা। যদিও এখানে রয়েছে নিকেলের খনি। শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটে অংশ নিতে স্থানীয় জনগণকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট দুতার্তে ও এমআইএলএফ।

মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট নেতা মোহাকার ইকবাল গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের প্রধান কাজ হলো মানুষের চাওয়া-পাওয়ার সমন্বয় বজায় রাখা, আমরা যা অর্জন করেছি তা আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করতে পারব।

মরো বিদ্রোহীদের চেয়ারম্যান আলহাজ ইবরাহিম মুরাদ বারবার বলে আসছেন, আইএসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রায় আধা ডজন সংগঠনকে নিষ্ক্রিয় করার সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা হবে একটি অর্থবহ মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। গত জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট দুতার্তে যখন বাংসামারো নামে নতুন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গড়ার আইনে সই করেন, তখন আলহাজ ইবরাহিম বলেন, আমরা মোটামুটি নিশ্চিত করে বলতে পারি, এসব বিচ্ছিন্ন সংগঠন তৈরি হয়েছে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে হতাশার ফলে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ
আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়, ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে আরও ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্ট কিংবা প্রতিস্থাপনের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২২ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে।

হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের জন্য ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে হজ অফিসের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং তা অনলাইনে নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে লিখিত আবেদনে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সুপারিশ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিস্থাপনযোগ্য হজযাত্রীর গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুজনিত কারণে হজপালন করতে পারবেন না মর্মে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর লিখিত আবেদন এবং উপযুক্ত চিকিৎসকের সনদ দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

প্রতিস্থাপন প্রাপ্তির জন্য এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না মর্মে তিনশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে। হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হজ নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছর দুই দফায় ৫ শতাংশ করে ১০ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও ৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দেওয়া হলো।

হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
৫ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর হজপালনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হজযাত্রীরা যাওয়া শুরু করেছেন। রোববার (২১ জুলাই) সকাল আটটা পর্যন্ত সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬২ জন হজযাত্রী পৌঁছেছেন।

এসব হজযাত্রীদের মধ্যে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ জন আকাশপথে, ৮ হাজার ৭১০ জন সড়কপথে ও ৬ হাজার ৩ জন নৌপথে সৌদি আরব পৌঁছেছেন।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ১৮৬টি দেশ থেকে হজযাত্রী আসবেন হজপালনের জন্য।

বিভিন্ন দেশের মুসলিম জনসংখ্যার হার অনুপাতে সৌদি আরব হজপালনকারীদের জন্য কোটা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। তাদের দেওয়া কোটা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে হজ পালনেচ্ছুদের হজে আসতে হয়। সাধারণত ১০ লাখ লোকের জন্য ১ হাজার কোটা বরাদ্দের একটি নিয়ম তারা অনুসরণ করে।

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। ইতোমধ্যে ৭২ হাজার ৭৪৬ জন সৌদি আরব গিয়ে পৌঁছেছেন।

সৌদি গেজেটের এক খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীসহ ৩ লাখেরও বেশি মানুষ এ পর্যন্ত হজপালনের অনুমতি পেয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা নিবন্ধিত হয়েছেন।

হজযাত্রীরা নিরাপদ ও স্বস্তির সঙ্গে হজপালন করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হজ সেবা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র